Posts

Showing posts from May, 2019

581>|| দেখলাম মিসর ||

581>|| দেখলাম মিসর ||                      <-----©-আদ্যনাথ---> আট দিন ঘুরে বেরিয়ে দেখলাম মিসর, প্রাচীন সেই গল্প কথার মমির  শহর। অনেক কাহিনী স্বপ্নের নীল নদের দেশে, বিস্তীর্ন বালুকাময় বিস্ময়কর  শান্ত পরিবেশে। দেখলাম প্রাচীন স্থাপত্য শিল্প কলা, নিতান্ত বিস্ময় অবাক হবার পালা। গাইডের মুখে কতো গল্প শুনলাম, ভাস্কর্য, ইমারত গঠন শৈলী দেখলাম। নূতন কিছু জানলাম জানা অজানার, ভাবনার অতীত,কত বিস্ময়কর  আবিষ্কার। সেদিন কেউ দেয়নি ওদের কোন পুরষ্কার, আজ বিশ্ব করে কুর্নিশ সেই কৃতি কর্ম পন্থার। ফারাওদের সেই  প্রাচীন কীর্তি  , আজও  বিশ্বের অনন্য সৃষ্টি। মিসরের প্রাচীন মন্দির গুলি, অপূর্ব সৃষ্টির অপরূপ শৈলী। কায়রো প্রাচীন মন্দিরের দেশ, বালুকা ময়,মরুভূমি,শান্ত পরিবেশ। ক্যাকটাস ও খেঁজুর গাছ অধ্যুষিত এই অঞ্চল,  খেজুর গাছে প্রচুর খেজুর ফলন । বৃষ্টিও নিশ্চিত অতি কম, তথাপি বায়ু প্রদুষন অনেক কম। এটা কেমন করে হোল, সেই চিন্তায় কিছু ভাবতে হলো। শেষে সমাধান...

580>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।| | --গদ্য -কবিতা-----(1 to 4)

580>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।||--গদ্য -কবিতা---(1 to 4) 1>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।। 2)--বীর আলেক্সজান্ডার ও  ক্লিওপেট্রার সপ্তমেরে           প্রথম সাক্ষাৎ। 3>|| ক্লিওপেট্রা ||-- 4>।। ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।। ================================== 1>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।                        <-----©-আদ্যনাথ---> ভ্রমণের ইচ্ছা পূরণে, ভ্রমণের সাথে ইতিহাসকে জানতে, প্রাচীন ইতিহাস ও  মনের  ইচ্ছা পূরণে, দেখে এলাম  মিসর নীল নদের তীরে। পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি গিজাপিরামিড আর মমি সকল , বালুকাময় বিস্তীর্ন অঞ্চল। আছে খেজুরের ঝোপ, ক্যাকটাস, নীল নদের দুইকূলে সবুজ খেত, জঙ্গল আর দীর্ঘকায় ঘাস। নীল নদের সচ্ছ শীতল  জল , নিঃসন্দেহে মিসর বাসীর জীবন। ইতিহাস ছড়িয়ে আছে নীল নদের দুই কূলে, কত ইমারত, গল্প, শহর মিসর কে ঘিড়ে। প্রাচীন ইতিহাসের ভাণ্ডার  প্রোথিত, মিসেরেব বালুর নিচে গভীরে। বিজ্ঞানী গণ আজও অতি...

579>||-কবি বলে কেন করো বিদ্রুপ-||

579>||-কবি বলে কেন করো বিদ্রুপ-||           <--©--●অনাথ●---> তোমরা আমায় কবি বলো বার বার, কবি হবার যোগ্যতা আছেকি আমার? আমার কবি হবার প্রচেষ্টা, সেতো নিতান্ত মূর্খতা। কবিহবার ভাবনাও ভবিনা, তেমন দুঃ স্বপ্নও দেখি না। আমার কবিত্ব চিন্তাই প্রহসন, চার অন্ধের হাতির বর্ণন। আমি দেখেছি কবি, তাঁরা নয়তো রবি, কিন্তু তাদের লেখনী যেন সুতীক্ষ্ম তরবারী। তাঁদের ভাবনার জগৎ সমাজের তরে অতি মহৎ। যেন তাঁরা গঙ্গা যমুনা, গোদাবরী, সমাজ কল্যানের তরী। তাঁদের কণ্ঠ উদার, কলম যেন খরগো কৃপাণ, মুহূর্তে পারে তাঁরা সমাজকে, লন্ড ভন্ড করে দিতে। আবার পারে জুড়ে দিতে, সুন্দর এক সমাজের হিতে। প্রেম ভালোবাসার ফুল মালা দিয়ে, দেশ মাতৃকার পদো তলে। তারা যে কবি তাঁদের চিন্তা সুরের ভূবনে ছায় গগণ চুমি। তাদের ভাবনা সদাই সুপ্ত কালের প্রবাহে হয় না লুপ্ত। সময়ের প্রবাহে হয় উন্মুক্ত, যা চির সত্য। বজ্র কঠিন পর্বত সম, প্রভাতের সূর্য কিরন সম। মসৃণ মাখনের মতন, শীতল বরফের মতন। রূপ সৌন্দর্য্যে মাধুরী মাখা রূপসী ষোড়শীর যৌবন সখা। যেন ষোড়শীর  কামনার ত্বেজ,...

578>|| তোমার অপেক্ষায় ||

578>|| তোমার অপেক্ষায় ||                    <---©-আদ্যনাথ---> মনকে কি করে মনাই, আজও আছি তোমারই অপেক্ষায় । তুমি মানো বা নাই মানো আমি চিরদিন মনে রাখবো। তুমি বোঝ বা নাই বোঝ আমি আস্থা রাখবো ই। কি করি বলো কি ভাবে বলি, এই অন্তরের ভাবনা গুলি। তুমি খবর পাঠাও বা নাই পাঠাও আমি অপেক্ষা করবো ই। দিন যায় মাস যায় শুধু অপেক্ষায়, পুরনো দিনের ভাবনা মনকে ভাবায়। মন যখন চিনেছে তোমায়, লোকের কথায় কি আসে যায়। নাইবা পেলাম কাছে তোমায়, স্বপ্নে তো পাবই তোমায়। কোনদিন যদি স্বপ্ন সত্যি হয়, বসে আছি সেই দিনের অপেক্ষায়। তুমি কি ভাবছো সেই ভাবনা হয়, এই জীবনে তোমাকে ভোলা সম্ভব নয়।                       <---©-আদ্যনাথ--->                 09/05/2019::01:08:03am ,=============================

577>|| মানুষ শ্রেষ্ঠ || M

577>|| মানুষ শ্রেষ্ঠ || M                <-----©-আদ্যনাথ---> জীবনের সবকিছুই কি নিজে করা যায়? কিছুতো সময়ের অপেক্ষায় রইতে হয়। নিজ কার্জ নিজে করাই উচিৎ কর্ম, কর্মই জীবনের শ্রেষ্ঠ ধর্ম। সময় কে মান্য করে, কর্মে নিষ্ঠা সর্বক্ষণ, বুদ্ধিমানের লক্ষণ। সময়কে অবহেলা করে, চলার পথে ভয়ের চিন্তা সর্বক্ষণ, মূর্খতার লক্ষণ। সময় কে বদলানো নয় তো  সম্ভব, চলার পথ কে গুটিয়ে নেওয়াও অসম্ভব। সামনের পথে এগিয়ে চলতেই হয়। পথ কখনো মসৃণ কখনো কঠিন হয়। যে বুদ্ধিমান নিজে স্বচেষ্ট হয়, ঈশ্বর সর্ব কার্যে সহায় হয়। ঈশ্বর মঙ্গলময় সত্য, ঈশ্বর সদাই রয় নির্লিপ্ত। তথাপি কার্যে সফল হলে, অহঙ্কারে নিজের গুণ গায়। অসফল ব্যর্থ হলে ঈশ্বরের দোষ খুঁজে পায়। মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ সদাই তৎপর, জ্ঞান,বুদ্ধি, বিবেক, বল, সমাহার। তথাপি মাত্র অহঙ্কার দোষে, সকল হারায় নিজের রোষে।       <-----©-আদ্যনাথ--->         【--anrc--03/05/2019--】      【=রাত্রি:01:52:32=am】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -5...

576>|| মে দিবস ||

   576>|| মে দিবস ||                <---©-আদ্যনাথ---> আজ মে দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। চিন্তা মাথায় ছিলো আজ ছুটির দিন। আজ ১লা মে শ্রমিকের দিন। মনে আনন্দ ছুটি একদিন। আজ কর্মজীবি শ্রমিক দিবস। আজ সেই মহান ‘মে দিবস’ ১৮৮৬ সাল পহেলা মে। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহর হে মার্কেটের শ্রমিকরা সেদিন গর্জে উঠেছিল তাদের চাহিদা ছিল উপযুক্ত মজুরি আর দৈনিক আট ঘন্টা কাজের দাবি। সেই আন্দোলনের  আগুন ছড়িয়ে ছিল সমগ্র বিশ্বে। রোজ ১৬ ঘন্টা কাজ করে শ্রমজীবি মানুষ ও  শিশুরা হয়ে পড়েছিল কঙ্কালসার। লক্ষাধিক মেহনতি মানুষ জুটেছিল সেদিন রাজ পথে গর্জন হুংকার। কিন্তু সেদিন পুলিশের গুলিতে কত শ্রমিক হয়েছিল নিহত , আহত ও গ্রেফতার । ইতিহাস ভোলেনি সেই দিনের শ্রমিকের জীবন দান। কিছু শ্রমিককে দিল মৃত্যুদন্ড ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রশাসন ভন্ড। তার পরে শুরু ইতিহাস মেনে নিতে বাধ্য হয়ে ছিল শ্রমিকদের চাহিদা যুক্তরাষ্ট্র সরকার। ১৮৮৯ সালের ১৪ই জুলাই ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলন যেখানে ১লা মে মান্যতা পেল...

575> || আসল কিছু ক্ষণ || < ---©-আদ্যনাথ--->

  575> || আসল কিছু ক্ষণ ||             < ---©-আদ্যনাথ---> আসল কিছু ক্ষণ যে ক্ষণ মনের অন্তরে কাটে দাগ কখনো ভোলা যায়না সেই দাগ। যে দাগ গভীর হয় সময়ের অন্তরে, স্মৃতির মনি কোঠার গভীরে । হৃদয় আছে যার সেইতো খুঁজে নেয়, সকল মানুষ কি সফলতা পায়! ঝিনুক তো কতই সমুদ্র তীরে মুক্ত খুঁজে পাওয়া সহজ কি ভীড়ে? আনন্দ সুখ,একান্ত নিজের মনে সকলের চোখ কি প্রকৃতি চেনে? সময়ের কিছুক্ষন মনের ভালোলাগার ক্ষণ, স্মৃতির দুয়ার করে উন্মোচন, হারিয়ে যাওয়া কিছুক্ষন। ভালোলাগা মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা স্বপ্ন গুলি নিয়ে মনে মনে মালা গাথা। ব্যাথা পেলেই ফিরে দেখা অতীতকে ভুলে থাকা। আসল কিছু ক্ষণ, সময়ের পর্যবেক্ষণ। গভীর শ্বাস নিয়ে সবুজকে ভোরে নেওয়া, খোলা আকাশের নিচে কচি ঘাসে শুয়ে থাকা। স্বপ্ন গুলি একে একে ভেসে চলে ধীরে ধীরে আকাশে কালো মেঘ জমে। তবুও চেয়ে থাকার ক্ষণ আসল কিছু ক্ষণ। প্রিয়ার বক্ষ্যে মাথা রেখে শীতল স্পর্শ অনুভবে, কেটেজায় যদি কিছুক্ষন, সেই স্মৃতির মন্থন, নাহয় হলো কিছুক্ষন ভোলাকি যায় সেই ক্ষণ। আসল কিছু ক্ষণ, ভালো লাগার ক্ষণ...

574>|| আজ ড্রয়িং ক্লাশ ||

 574>|| আজ ড্রয়িং ক্লাশ ||                    <---আদ্য নাথ----> মিহা ডাকে আনন্দেতে আয়রে সবাই আঁকবো সুখে। আয়রে ছুটে আমার ঘরে, a বসবো মোরা ঘর আলো করে। স্যার বসবেন এক ধারে আমরা বসবো স্যারকে ঘিরে। আঁকব মোরা প্রাণ খুলে, দুষ্টুমি হবে আঁকার ছলে। আয়রে সবাই আয়রে চলে, আয়রে ছুটে আমার ঘরে। <-------আদ্য নাথ ----->        30/04/2019::06:30:11pm ===================    

573> || প্রতিবাদ || M

  573> || প্রতিবাদ || M                 <---©-আদ্যনাথ---> আজকাল অনেক মেয়ে প্রতিবাদ করে, কেউ যদি ওদের "মেয়েছেলে" বলে। এটা কেমন মেয়েদের কেন "মেয়েছেলে" বলে? মেয়েদের এহেন প্রতিবাদ, এতো সঠিক প্রতিবাদ। এক মানুষের উভয় লিঙ্গ, এ নয় কি বিধির বিধান ভঙ্গ? মা বোনেরা গর্জে উঠুক চারিদিকে ছড়াও হুংকার, এতো তোমাদের অধিকার । একান্ত তোমাদের অহঙ্কার। তোমার ঘরে ছেলেরা ছেল মেয়েরা কেন হবে না মেয়ে? মেয়েদের বেলায় কেন পুরুষ যুক্ত হবে? বিশ্বের ইতিহাসে কবে, মেয়েরা ছিলো পিছিয়ে। আজতো অনেক পুরুষ যে কাজ না পারে মেয়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে সেই কাজ করে দিতে পারে। তবে কেন নারী পাবেনা সম্মান? জীবনে চলার পথে, কেন মেয়ের আজও পিছিয়ে রবে? আমরা নারী শক্তির করি পূজা, আবার সেই নারীকে অসম্মান। সমাজের এ কেমন বিচার! সমাজে পুরুষের পুরুষত্বের অহঙ্কার। নারী কী কেবল ভোগ্য পণ্য ? এইটুকুই কি নারীর অধিকার? নারীকে করবে ভোগ, আবার সেই নারীই করবে সন্তান লালন পালন। তবুও নারী পায়না তাঁর অধিকার, সমাজের এ কেমন বিচার? সন্তানের মা হলেন নার...

572>|| মাতাল লম্পট || M

  572>|| মাতাল লম্পট || M                    <---©-আদ্যনাথ---> আমি এক লম্পট মাতাল, আমার কিছুরই থাকেনা তাল। তবুও রাখি খেয়াল, যা ঘটছে আজকাল। আড়ালে আবডালে কেউ তো আছে। যারা নিজেদের না দেখে, আমার খোঁজ রাখে দুই চোখ বিস্ফারিত করে। তাদের চিনতে করিনা ভুল, তারাইতো ধরে দেয় ভুল, ভাসিয়ে আমার দুই কুল। গ্রীষ্মের তপ্ত দিনে মিষ্টি করে বলে, ক-বোতল চলে আজকাল, বেশ তো স্মার্ট দেখায় দিনভর থাকো কোথায়? এমন মিষ্টি ভাষণ মন করে আন চান। ভাল থাকাও কি চোখে লাগে? কে জানে কি আছে মনে বুঝবো কেমন করে। ওরাইতো সব জানে উদাহরণে আমায় টানে। গ্রীষ্মের তপ্ত দহনে মধুর মিষ্ট ভাষণে। চাইলেই কি পাই, আসলে ঠাই নাই। ছোট এই হৃদয় তরী, দিতে হবে অনেক দূর পারি। তবুও মনের ইচ্ছা পুরনে ওরা বলে নেশার ঘোরে, লিখে যাই যা আসে মনে। কেউ ভালো বলে কেউ ঠেঙ্গা দেখায়, কেউ মদ মাতাল বলে।  <---©-আদ্যনাথ--->      【--anrc--27/04/2019--】      【=দুপুর:01:20:22=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】 ==========...

571> || মানুষ। ||& | মানুষের শক্তি ||

   571> ||  মানুষ। ||                <---©-আদ্যনাথ---> মানুষ এই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, ঈশ্বর তাই মানুষের প্রতি রাখেন দৃষ্টি। মানুষকে যে বাঁচিয়ে রাখে, মানুষ তার সর্বনাশ আগে করে। মানুষ কে যে জীবন দেয় মানুষ তাকেই জাহান্নামে পাঠায়। গাছ মানুষকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে মানুষ গাছকেই কেটে উজাড় করে। গাছ পরিবেশের সহায় মানুষের সেটা সহ্য নয়। গাছ ই বাঁচায় জীবন মানুষ ধবংশকরে গাছের জীবন। মানুষের মতন হিংশ কে বা হয়। মানুষকে সকল জীব ভয়পায়। জীব কুল মানুষের সহায় বন্ধু, মানুষ সকলের পরম শত্রু। মানুষ এক জীব অদ্ভুত, মানুষের থেকে ভালো মানুষের ভূত। মানুষ মানুষকে মারে, মানুষের থেকে সকলেই দূরে থাকে। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষের বংশ, মানুষ অকাতরে সকলকে করে ধ্বংশ। একটি গাছ একটি মানুষের জীবন, একটি মানুষ মারে হাজার জীবন। মানুষের সাথে গাছের তুলনা হয় কি করে, মানুষ পারলে ভগবানকে মারে। মানুষের হিংস্রতা নিরিহের উপর। আজ পৃথিবী ধ্বংশর পথে মানুষই এই ধ্বংশের কারণ বটে। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব কোথায় ? মানুষ ধ্বংশ স্তুপে সৃষ্টি র...

570> || মানুষ চেনা দায় || M

  570> ||  মানুষ চেনা দায় || M                   <-----©-আদ্যনাথ--->  এই সংসারে " মা" চেনেন তার সন্তানকে হৃদয়ের আহ্বান শুনে। শিশু চিনেনেয় মাকে হৃদয়ের স্পন্দন দিয়ে। পশুরাও চেন পশুকে গাত্র গন্ধ দিয়ে। কিন্তু মানুষ চেনা কিসে? নামদিয়ে মানুষ চেনা ভ্রান্তি অবশেষে। নামতো পাল্টায় মুহূর্তে মানুষ চেনা কিসে? মানুষের মতন মানুষ হলে চিনব জ্ঞান বুদ্ধি দিয়ে। তেমন মানুষ আজ পাবে কি খুঁজে? মানুষ খুঁজতে গিয়ে মাথা ঠুকে মরি ভ্রান্তির কারাগারে। বহুরূপী আগে সাজতো ওরা আজকাল হাজারে হাজারে পথে ঘাটে চলে বেরোয়, মানুষ খোঁজার বেলায়। আসল বহুরূপী রা পায়না ভাত করেছে আঁতাত দুপেয়েদের সাথে। মানুষ চেনা কিসে? আমি তুমি কেউ নই আমরা ভূতেদের বংশ ধর, আমরাই ওদের কাঁধে করি ভড়। পালিয়েছে ভূত, ব্রহ্ম দত্যি আমরাই নাচি ভূতের নাচ যে সত্যি। সকাল বিকাল বোকা বাক্সে ভিতর চোখ সরেনা নাচন কোদনে ভাবি একটা মিস হয়ে গেলে। মানুষ চেনা কিসে?  ============= কেউ লোটে কেউ খায় কেউ সেলফি তোলে। আমরা বোকা বাক্সে ছবী দেখি নিজের...

569> || সিনিয়র সিটিজেন || M

 569> || সিনিয়র সিটিজেন || M                     <-----©-আদ্যনাথ--->   সিনিয়র সিটিজেন   আজ সকলেই জানেন।    বুড়োটার কাজ নাই   সারাদিন বক বকের বিরাম নাই অনেক ছোট ছোট কথা সে নিয়েও মাথা ব্যাথা। বেশি কিছু বলাই নিজের শ্রেষ্ঠত্বের বরাই। কোন গল্প করা নিজের প্রসংশা করা। করেছি কতো কি তার হিসাব রাখো কি ? সকলের এক কথা সারাদিন করবে বড়াই কাজের বেলায় কিছু নাই। গিন্নি হাকেন শেষে দিনরাত বসে বসে চেয়ারে ঢোলে বসে এই বুড়ো বয়সে। এবার তো করো চুপ যে যেমন থাকে থাকুক। তবুও কথা বলা সকাল বিকেল দুই বেলা। হয়েছ বুড়ো চোখে দেও ঠুলো কানে গোজো তুলো চেয়ারে বসে ঢোলো। দিনরাত মোবাইল নিয়ে খেলা যায়নি বুড়োর ছলা কলা। তবুও হাকে দুই বেলা বাজার যাও এই বেলা। ভালই জানি গিন্নি কে মিশেছে রুলিং পার্টিতে। কিছুই নাই উপায় চা চাইলেও ঝাঝানি শুনতে হয়। চা জল খাবারের থাকে শর্ত নিজের চিন্তা করাই ব্যর্থ। নাতি পুতি সামলাও তবে যদি কিছু চেয়ে পাও। ওরা দলে ভারী আমি ই কেবল আনাড়ি। চাকুরীতে ছিলো ক...

568>|| বৈশাখে ||

568>||  বৈশাখে ||                <---আদ্য নাথ----> বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ সকল জানে কেষ্ট। আমরা সুখে আম কুরাই, হোকনা ঝড় থোড়াই ডরাই।  আসবে বৃষ্টি  ঝড় কে নিয়ে আম পড়বে উঠান ভোরে। কাঁচা খবো,চাটনি খাবো বেশি হলে আচার দেবো। আমকুরোনোর কি জে মজা, বুঝবে কি আর তোমরা রাজা। বৈশাখের দুপুর বেলা, ঘুম আসা কি ছেলে খেলা। কাঁচা আম নুনে মাখা জিভের জল যায়না রোখা। বৈশাখের দুপুর বেলা, বাগানে বাগানে কাটে বেলা। মা আছেন ঘরে লাঠি নিয়ে, পরবে পিঠে ঘরে গিয়ে। বাবা শুনলে আবার লাঠি একটি বেত ও যাবেনা ফাঁকি। পরুক না দুইচার ঘা কোষে কাঁচা আম খাবো রসে রসে। ঝড় এলেই তোমাদের ভয় আমাদের তো মজাই হয়। আম কুরোনো দুপুর বেলা মনে পড়ে সেই ছেলে বেলা। আকাশেতে দেখলে মেঘ, মন চলেযায় আমের ক্ষেত। নানান স্বাদের নানান আম আর কাঁচা মিঠের তুলনা ভার। জ্যৈষ্ঠ এলেই ধরবে পাক সে কথা না হয় বাকি থাক। পাকা আমের মিঠে গন্ধে প্রাণ ভোরে খাও সকাল সন্ধে। কতো রকম আছে আম শুনলে বুঝি ছুটবে ঘাম। আমকে বলে অমৃত ফল বাংলার খ্যাতি আমের ফল।      <---...

567> || বুনো ফুল ||

  567> || বুনো ফুল ||                  <-----©-আদ্যনাথ---> বনের ঐযে ফুল গুলি বনেই সুন্দর বুঝি। মানুষ তো কতই আছে কে কারে ডেকে নেয় কাছে। যার ছিল ভাবনা যাবে দূরে সেই বার বার আসে ঘুরে ঘুরে। সোজাপথে পথ যে হারায় বাঁকা পথে আনন্দ খুঁজে পায়। পথিক তুমি দাঁড়াও কিছু ক্ষণ মৌ মাছি ব্যস্ত করতে মধু ভক্ষণ। ভ্রমরের গুণ গুণ পলাশের লাল মনের অন্তরে যেন বহে অন্তসলিল। দুর থেকে ফুল সুন্দর যৌবন আছে তার যতক্ষন । ফুল তো ঝরবেই সময়ের ডাকে প্রেমিক প্রেমে মাতে সুন্দরের ফাঁকে। কত যে হারালাম যৌবন কালে ভাবনার জাল বুনে চলে মনে মনে মন তো চায় উড়তে পাখনা ছাড়া কিছু কথা ছিলো বলার ছন্নছাড়া। আমি এক ভবঘুরে চিনানা নিজেরে মন ব্যাকুল যেতে চায় আমায় ছেড়ে। তবুও আঁকড়ে ধরতে চাই তারে, মৃত্যুরে ডরাই বারে বারে। আজ আমি ব্যর্থ প্রেমিক বয়সের ভারে দূষী নিজেরে। চোখ থাকতেও বুঝিনি চোখের মর্ম, আজ অসহায় নাই কোন উপায় কর্ম। তবুও ভাবনার পাল তোলে মন খোঁজে চারিদিক কেআছে আপন। কত আশা কত ভালোবাসা প্রভাতের রক্তিম কিরন মাখা। বারান্দায় বসে দেখি পথিক কত...