Posts

Showing posts from December, 2018

535>||- 2019 শে নুতন ভাবনা -||

535>||- 2019 শে নুতন ভাবনা -||           <-----©-আদ্যনাথ---> আসছে নুতন বৎসর 2019 AD. একটু নুতন চিন্তায়, মনের দুঃখ গুলি ভুলে, আনন্দ উপভোগ সকলকে নিয়ে, এটাই যদি হয় 2019 এর বার্তা ।  ক্ষতি কি বলো। হাসি কান্না রাগ অভিমান, এ সকল নিয়েইতো জীবন। কান্না আর রাগ ভুলে, সম্পর্ক গুলি জিইয়ে রেখে, কিছু নুতন বন্ধু গড়ে। সকল শত্রুতা ভুলে, টেনশন মুক্ত হয়ে, অতি সাধারন থকালে, ক্ষতি কি বলো। মিথ্যাকে ভুলে গিয়ে, সত্যের আশ্রয়ে, উদার মনে নুতন করে, মনের আনন্দ গুলি, জীবনের মুখরিত উল্লাসে, যদি হয় প্রকাশ মধুর তানে, ভালোবাসাকে ভালোবেসে, হাসিটুকু আশ্রয় করলে, ক্ষতি কি বলো। জীবন তো নদীর মতন, সে চলে নিজের মতন। জীবন তো এগিয়ে চলা, চলতেই হবে, না চললে তো মৃতের রূপ নেবে। আমারাও যদি হই নদীর মতন, একটু নুতন চেতনায়, একটু নুতন ভাবলে, ক্ষতি কি বলো। চলা শুরু হয় ক্ষুদ্র রূপে, কৈশোরের চঞ্চলতা, যৌবনের তীব্র উচ্ছ্বাস। সবকিছু ভেঙে গুড়িয়ে, আবার নিজের মতন গরে নিয়ে, কেবল এগিয়ে চলার নেশা, যেন সেই শৃঙ্খল ভাঙার খেলা, নিত্য নুতন ভাঙ্গা গড়ার খেলা...

534>||--কুন্তী - কর্ন -|| কুন্তীর নিবেদন/কর্ণের স্বভিমান।

534>||--কুন্তী - কর্ন -|| কুন্তীর নিবেদন/কর্ণের স্বভিমান।          <-------©-আদ্যনাথ---> কর্ন::-- জিজ্ঞাসিল ( কুন্তী রে হেরিয়া ) কে তুমি মাতা বলো আমারে, পূর্বে দেখিয়াছি বলে নাহি স্বরনে, জাহ্নবীর তীরে সন্ধ্যা আরতির কালে, কে তুমি বলো মাতা বলো আমারে, কেন আসিলে হেথা,আমার সমীপে। এই অধিরথ পালিত  সূতপুত্র, রাধাগর্ভজাত কর্ন নাম মোর, তুমি কি চিনিয়াছ আমারে। নাকি শুধু কিছু অভিলাষ, আছে তব মনে। সন্ধ্যা উত্তীর্ণ প্রায়, এই রণভূমিতে তুমি একাকী, এইটুকু বুঝি তুমি নও কোন সাধারন নারী। তাইতো জিজ্ঞাসি কৌতূহল বসে, কি অভিলাষ লয়ে। এই কুরুসেনাপতি সনে। জাহ্নবী তটে রণক্ষেত্র মাঝে, আসিয়াছ আমার সনে। মাতে যদি সরাও তব অবগুণ্ঠন, দেখি মুখমণ্ডল চিনতে পারি কিনা পারি? কুন্তী::----- বৎস নিশ্চই  চিনিবে আমারে, যদি পরিচয় দেই তোমারে। আমি সেই অভাগিনী। যে তোমার জন্ম ক্ষণ পরে, ভাসাইয়া দিয়াছিল যমুনার জলে, কেবল মাত্র লোক লজ্জার ভয়ে। আমি অর্জুন জননী কুন্তী। কেবল মাত্র নিজের লজ্জা লুকাইতে, তোমার জীবনের প্রথম রজনীতে, ভাসাইয়া দিয়াছিলাম যমু...

533>||- দিশারি -||

 533>||- দিশারি -||                <----©-আদ্যনাথ---> শহরের পথে পথে দেখি আর ভাবি, পথে বসে কাঁদে কত আর্ত দুঃখী। আমরাকি এতটাই অসহায়, একটুও হতে পারিনা ওদের সহায়? কখনো স্বপ্নগুলি ভাবায়, যদি হতেপারতাম ওদের সহায়! জানি পারবোনা, ওদের ভাগ্য পাল্টাতে। সকল দুঃখ মুছতে। রুজি রোজগার দিতে। ভাতের ব্যবস্থা করতে। চোখের জল মুছতে। কিন্তু হয়তো হতে পারি, ওদের ক্ষনিকের সহায়।           নিজে ভালো থাকার  উপায়, খুঁজতেই জীবন বয়ে যায়। ওদের জন্য ভাবনার সময় কোথায়। কোন ক্ষমতায় কারুর দুঃখ  মুছবো, এমন ক্ষমতা আমার কোথায়। এমন ভাবনাই অনেক উপেক্ষাকরার সহজ শ্রেষ্ঠ উপায়। তথাপি মানুষ যখন, কিছু করার জন্য ভাবতেই হয়। এইটুকু ভাবনা নিয়ে, চলেছিলাম কজনে মিলে। সাথে ছিলো যারা, সময়ে হারিয়ে গেল তারা। সময়ের প্রবল প্রবাহে, কেউ অর্থের লোভে, কেউ রঙিন স্বপ্নে লোভে। এখন তো একলা। কখনো ভবি আমি প্রকৃতির দুয়ারে, একটি গাছের পাতার মতন, যতদিন ছিলাম সতেজ সবুজ, চেষ্টায় ছিলো অফুরন্ত সাজ বুঝ। আজ বার্ধক্য ম...

532> ||-কুন্তী- এক পলকে -||

 532> ||-কুন্তী- এক পলকে -||                    <----©-আদ্যনাথ---> স্রষ্টার অপূর্ব সৃষ্টির গুনে মহাকাব্য, মহাভারত হায়েছে কাব্য শ্রেষ্ঠ। এত শত চরিত্র নিয়ে এমনকাব্য স্রষ্টার এক অভূতপূর্ব সৃষ্টি কাব্য। প্রতিটি চরিত্র সকলেই অনন্য, প্রতিটি চরিত্র যেন একটি  কাব্য। স্রষ্টার সৃষ্টির অপূর্ব সুন্দর ভব্য, শতঊর্ধ চরিত্র সমন্যিত মহাকাব্য। এহেন কাব্যে বর্ণিত এক নারী চরিত্র, সেই চরিত্র  পঞ্চসতীর অগ্রগণ্য। মহাভারতের যিনি প্রধান চরিত্র, শূরসেনের কন্যা তিনি, হস্তিনাপুরের রাজা পাণ্ডুর স্ত্রী, রাজা কুন্তী-ভোজের পালিতা কন্যা । অঙ্গরাজ কর্ণ, ইন্দ্রপ্রস্থের অধিপতি যুধিষ্ঠির, ভীম এবং অর্জুন পুত্র যাহার। কৃষ্ণের প্রতি ভক্তির দর্শন ব্যক্ত করে সেই পৃথ্বা, কুন্তীই ভক্তিযোগের স্রষ্টা। বাসুদেবের বোন ছিলেন তিনি, রাজ মহিষী সর্ব কালের শ্রেষ্ঠ নারী। মহাভারতে প্রধান চরিত্র কুন্তী তিনি, চিন্তার অতীত ছিলেন যিনি। পঞ্চপান্ডব যাহার সন্তান, যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল ও সহদেব, পঞ্চপাণ্ডব নামে পরিচিত। নকুল ও সহদেব তার সত...

531>|| एक भाबना || fb ++এক ভাবনা ||

 531>|| एक भाबना || fb          2>|| এক ভাবনা || ==============================  807>|| एक भाबना || fb बोलते नेही हरएक भाबना, तबतक सोचतेहि रहना, जब चिंतनकी श्रोत  हृदय  छुंते तक। कभी कुछ चाहत मिलते हैं बहुत, मनकी गहरी भाबना, शांत हृदय की चेतना मालूम नेही कबतक हैं स्वास, मालूम हैं मनमें हो बहुत आश। अगर कोई याद करते हैं कभी, अगर सुख मिले रास्ते भटक के कभी।                      <--आद्यनाथ--> ================================= 2>|| এক ভাবনা ||                <--আদ্যনাথ--> মনের কিছু ভাবনা,  মনেই লুকিয়ে থাকে। সময়ে কিছু চিন্তা, মস্তিষ্কের গভীরে থাকে। ভাবনা গুলো ভাবাজায়, চিন্তা গুলো ভাবনা বাড়ায়। ক্রমে বাড়ন্ত চিন্তার জটিলতা, মনের শুদ্ধতাতেই প্রসন্নতা। হয়তো কখনো কিছু চাওয়া, বোধহয় কিছু না পাওয়া। সকলি জটিল মনের যাতনা, শান্ত মনেই হয় নিরলস ভাবনা। পরিস্থিতিতে মন হলে উচাটন, চেষ্টাতেও কোনকার্য হয়না তখন। মন আছে তাই চিন্তার স্রোত আছে, চাওয়া...

530>||-ফেসবুক ব্রত কথা -||

  530>||-ফেসবুক ব্রত কথা -||              <-----©-আদ্যনাথ---> সকালে একটু শীতের পরশে, লক্ষীদেবী বামে করি, বসিয়া নারায়ন হরষে, ছাদেতে  রোদ্দুরের উষ্ণ পরশে, নানা কথা করিতেছেন, সুখে আলাপন। হেন কালে ঢেঁকি চড়ি,নারদ আসিয়া, শুধাইলেন লক্ষ্মী দেবীরে, বলো দেবী,কিপাপের ফলে, মর্তের মানুষ ভুগিছে,প্রেমের জালাতনে। লক্ষ্মী বেদী বলেন,শুনোহে নারদ, ফেসবুক হইলো ইহার কারণ। যেই রূপে সকল কিছুই, দুর থেকে সুন্দর মনেহয়, তদ্রুপ ফেসবুকে অন্ধের ন্যায়, প্রেমের নিবেদন হয়। না জানিয়া নাশুনিয়া,ফেসবুকে দর্শন, চলতে থাকে দীর্ঘদিন,সুখে আলাপন। শুধুই অন্ধকারে মিথ্যার প্রদর্শন, বোঝেনা কেউ কারুর মন। অচিরেই উভয়ে সহে,নানান নির্যাতন। সংসার বোধ হয় বিষের মতন। কে বুঝাইবে কাহার ভুল, নারী পুরুষ উভয়ে fb এতে মশগুল। শুনহে নারদ শুন দিয়া মন, ফেসবুকের কীর্তি করি বর্ণন। মর্তলোকে ফেসবুক হইল, সর্বনাশের কারন। যুবক,শিশু, বৃদ্ধ সকলেই আজ আসক্ত, ফেসবুকের লালশায় আবদ্ধ। মর্তভূমি মেতেছে রঙিন পর্ণ আর, ফেসবুকের প্রোফাইল পছন্দ। কত কি বিচিত্র ছবি হইতেছে...

529>||- আগাম বার্তা -||

529>||- আগাম বার্তা -||            <--©-আদ্যনাথ---> আজ 14 ই ডিসেম্বর আমার একান্ত ভাবনা --------- আর মাত্র 17দিন পর আসবে নুতন বৎসর। তাই অগ্রিম জানাই ইংরেজি নুতন বৎসরের শুভেচ্ছা আমার। স্বার্থ আর লোভ রহিত, বন্ধুত্ব সুন্দর ও দীর্ঘ হয় । এক বালতি দুগ্ধ অচিরেই নষ্ট হয় একবিন্দু চনায়। তদ্রুপ সামান্য স্বার্থ বা লোভ বন্ধুত্বের বিচ্ছেদ ঘটায়। প্রেম বলো বন্ধু বলো হয় কজন নিঃ স্বার্থ, কেউ চায় শরীর,কেউ অর্থ। চাওয়া, পাওয়া মূর্খের লালসা, চাওয়া,পাওয়ার সামান্য লোভে হারিয়ে যায় ভালোবাসা। প্রেম ভালোবাসা সুঠাম যদি হয়, না চাইলেই সকল ইচ্ছা পূরণ হয়। প্রেম ভলোবাসা ঈশ্বরের দান, টিকিয়ে রাখতে চাই উপযুক্ত জ্ঞান।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc14/12/2018--】      【=সকাল:08:49:10=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 ====================== শঙ্কর দ - Darun ,Ashadharon lekhata. ছোট বৌদি Khuuuub bhalo🤓👌👌👌 ======================

528>।।-প্রতিভার ভাবনা -।।

  528>।।-প্রতিভার ভাবনা -।।                 <---©-আদ্যনাথ---> প্রতিভা প্রতিভা প্রতিভা, প্রতিভা এক জন্মগত বৈশিষ্ট্য। যিনি এই গুনের অধিকারী তিনি প্রতিভাবান নিশ্চই। প্রতিভাই নয় জীবনের সবকিছু , প্রতিভা দিয়েই হয় না সব কিছু । প্রতিভার সাথে থাকতে চাই একাগ্র, ইচ্ছাশক্তি,কঠোর পরিশ্রম। তবেই হবে জীবন সফল। মানুষ তো আমরা, কিছু করাইতো আমাদের ভাবনা। কত শ্রেষ্ঠ মানুষ মুনি ঋষি, ভেবেছেন  আমাদের রাখতে খুশি। তাঁদের ভাবনার আশীষ সাথে আছে । আর নিজের হাতেইতো, নিজের ভ্যাগ্য রেখা  আঁকা আছে। তথাপি দুনিয়া ঘুরে ফিরছি , নিজেকে নিজে জানতে। প্রকৃতি নিজেই সর্ব শক্তিমান, সমুদ্রের সামান্য জলের তোর, কতো বিশাল পাথর ভেঙে করছে চুর চুর। যে মানুষ নিজের কথার, থাকতে পারেনা অটল। সে কি করে পারবে অন্যের, আত্মীয়তায় থাকতে অটল। মুখের হাসিতেই হয়, আনন্দের ও দুঃখের প্রকাশ। সর্বদা ক্রন্দন বিশেষ কি প্রয়োজন, ক্রন্দনতো জীবনের ব্যর্থতার প্রকাশ। আহলে মানুষের স্বভাব==== বলে কোকিলকে ----- কতো সুন্দর হতো, যদি তুমি কালো না হতে। বলে সমুদ্রক...

527>||- ভূত -||------(1)to(9)(+2)(10+3)

527>||- ভূত -||(1)to(7) 1>||- ভুতের দেশ -||(1) 2>||-ভূতের পেলাম দেখা-|| (2) 3> ||- ভুতের বাড়িতে ভোজ -||(3) 4>||- ভুতের রাজ্য -||(4) 5> || ভূতের দেশে || 6>   || ভূতের কেত্তন || 7>||--ভূত---||--21/08/2017:::-- 8>|| ভূতের কঙ্কাল || 9>|| ভূতের উৎপাত || 1090/1>|| ভূতের >|| 1090/2>|| ভূতে ধরার গল্প কথা || 527/10>|| এক অভিজ্ঞতার গল্পে,ভূতের                   কথা || (1+2+3)   পার্ট-1> || আমগাছে ভূতের বাসা ||   পার্ট-2>|| ভূত এবার ওঝাকে তারায় ||   পার্ট-3>|| ভূতের বোঝা ভূতেই বয়  || ============================= ============================ 1>||- ভুতের দেশ -||(1)         <-----©-আদ্যনাথ---> জঙ্গলের পরেই এক মাঠ মাঠের ধারেই বিশাল জলা। সেই জঙ্গলে ঘেরা জলার ধারে, বটগাছ কে ডাইনে ফেলে, শেওড়া গাছের মগডালে, ওরা থাকে ছেলে পুলে নিয়ে। যার সাথে আলাপ হল, তিনি হলেন পটাশ খুড়ো। পটাশ খুড়ো বরই ভালো, আমায় নিয়ে ভুতের দেশে গেল। কি বলবো আজব স...

526>||- হারানো স্মৃতি -||

 526>||- হারানো স্মৃতি -||                         <--©-আদ্যনাথ---> কি করে বলি কোন পথ গেছে হারিয়ে, মানুষের পায়ে পায়ে, কত রাত গেছে একলা বসে বসে। সকালের সূর্যের রং মেখে, কত আনন্দ উপভোগ করেছি একসাথে। তোমার কথাতো থামেনি পথে, কত দূর একসাথে চলে। কত কথা বলেছিলে, অনের সুখ দুঃখ সয়ে। কত স্মৃতি আজও জেগে আছে মনে, কত আদর অভিমান, গেছে অজানা শূন্যে ভেসে, কত সুখ আজও আছে বুকে। কত কিছুইতো গেছে কালের কবলে, কত আশা গেছে হারিয়ে। কত পথ গেছে অজানায় ভেসে, কত আশা রয়ে গেছে এই বুকে, কত কিছু হারিয়েছি সময়ের প্রবাহে। কত দিন ভেবেছি তোমারে, কত স্পর্শের শিহরণ নিয়। পরশে পরশে ঠোঁটে আমার চিহ্ন এঁকে, শীতল মসৃণ উন্মুক্ত বক্ষ মাঝে। যেটুকু আছে স্মৃতি একান্ত গোপনে, ধরে রেখেছি তারে হৃদয় মাঝে। যা গেছে তা যাকনা, আছেতো কিছু ভাবনা রেখেছি সাজিয়ে, কি করে বলি কোন পথ গেছে হারিয়ে।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-10/12/2018--】      【=রাত্রি:11:35:22pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -5...

525>||- চাঁদের বাঁদর -|

525>||- চাঁদের বাঁদর -||           <--©-আদ্যনাথ---> এক দুই তিন, তা ধিনা ধিন, কেন ঘিন ঘিন। চার পাঁচ ছয় কেন কথা কয়। সাত আট  নয়, যেমন তেমন রয়। এমন হলে কেমন হবে অন্ধকারে খাবলা খাবে। আলো জ্বেলে ঘুমিয়ে রবে। মধ্য রাতে পান্তা খাবে সকালে তে ঢেঁকুর দেবে। ওদের আবার গেটে বাত, এখনো কারুর উঠেনি দাঁত। রাত্রিবেলা ছাদে চড়ে, রোদ পোহাবে মনে করে। দিনের বেলা ভুতের ভয়, কাথা মুড়িয়ে ঘুমিয়ে রয়। নাচতে গেলে ঠাং টি পাকে, হাটতে গেলে হাত কাপে। ঘুমাতে গেলে মাথা কাপে, খেলতে গেলে হাঁটু কাপে। কেমন ওরা বলো দেখি, কি নাম ওদের জানটা কি। ওরা হলো চাঁদের বাঁদর, ওদের চাই শুধুই আদর। ওরা উল্টো করে হাটে, হাসতে গেলে কাঁদে কাঁদতে গেলে হাসে। গরম লাগলে আগুন তাপে, শীতের কালে গায়ে বরফ ঢালে। গিয়ে ছিলাম চাঁদে ধরতে ওদের ফাঁদে। ধরে ছিলাম একটাকে, রেখে ছিলাম ছাদে। চাঁদ মামা এসে মুচকি হেসে নিয়ে গেল সাথে। এমন বাঁদর দেখতে কি চাও, অমাবস্যায় চাঁদ যদি দেখতে পাও। পূর্ণিমাতে ঘুমিয়ে রয়, অমাবস্যায় দৌড়ে বেড়ায়। চতুর্থী তে নেচে বেড়ায় অষ্টমীতে কেঁদ...

524>||-এর শেষ কোথায়?-||

524>||-এর শেষ কোথায়?-||                <--©-আদ্যনাথ---> আমাদের হলোটা কি? তোমরা বলেতে পার কি? আজ মোবাইল নিয়ে এতো মাতামাতি। যার ব্যবহারে আমাদের নাই জুড়ি, আমরাই সর্বাধিক ব্যবহার করি। মনকরে চনমন, মাথা করে টন টন, কখন কি ঘটে অঘটন। কেজানে এর শেষ কোথায় কখন? একি মোবাইলের কেরামতি, নাকি আমাদের অধোগতি। দেখো দেখি মোবাইল হাতে নিয়ে, শিশুদের বাহাদুরি। বাবা মা ভাবেন, দেখো ছেলের কেরামতি। কত কি জানে তাই, মনকরে চনমন, মাথা করে টন টন, কখন কি ঘটে অঘটন। কেজানে এর শেষ কোথায় কখন? বয়ঃবৃদ্ধদের ভাবনা, কতকিছু যায় জানা। এইযে আছে  ইন্টারনেট, ওটাই যেন হট কেক। পেটে খেলে পিঠে সয়, বয়স বাড়লে ব্যামো হয়। মনকরে চনমন, মাথা করে টন টন, কখন কি ঘটে অঘটন। কেজানে এর শেষ কোথায় কখন? আজ অতি ব্যাস্ত সকলে, কান দুটিতো ইয়ার ফোনের দখলে। মোবাইল, ট্যাব পকেটে, হাতে, ছেলে বুড়ো, খোকা খুকি,সকলে। দেখো যে যার মতন খুশি, মোবাইলেই আছে সর্বশুখ বুঝি। মনকরে চনমন, মাথা করে টন টন, কখন কি ঘটে অঘটন। কেজানে এর শেষ কোথায় কখন? হোয়াটস আপ,ফেসবুক ঘে...

523>||- ফিরে দেখা - ||

      523>||- ফিরে দেখা - ||            <--©-আদ্যনাথ---> প্রভাতে শীতের কুয়াশা মাখা, শিশির ভেজা গাছের পাতা। মনে পরে ছোট বেলার কথা, সকালের স্কুল যাবার ব্যস্ততা। মায়ের হাত ধরে পিঠে ব্যাগ নিয়ে, কত যত্নে পায়েবুট মাথায় টুপি পরে। তাড়াতাড়ি স্কুলে যেতে হবে, চিন্তা থাকে কখন টিফিন হবে। সেইদিন গুলি ফুরিয়ে গেল, শিশির আছে হয়ত ঘাসও আছে। নাই কেবল প্রকৃতির পরশ, নাই মায়ের হাত ধরে স্কুল যাওয়া। আজ পুলকার এসির শীতলতা, প্রকৃতিকে ধ্বংসের প্রতিযোগিতা। স্কুলের ব্যাগের বোঝার ভার, পিঠ কুঁজো হলেও পায়না ছাড়। নিত্য নুতন ড্রেসের বাহার, কতো অনুষ্ঠান আহার বিহার, কতো কারিগরি আর কম্পিউটর। বাড়ন্ত কর্ম হীন যুবক, বাড়ন্ত বেসরকারি স্কুল, বাড়ন্ত স্কুলের ব্যাগের বোঝা, মুস্কিল শিশুদের মেরুদন্ড রাখা সোজা। তবুও চলছে সমাজ যেন কত সহজ, সকল কিছুই যেন সরল সহজ । খ্যাদ্যে ভেজাল ঔষধে নকল, পণ্য সামগ্রীর বাড়ন্ত ভেজাল নকল। তথাপি দেশ চলছে অগ্রগতির দিকে, শিশুদের মাতা পিতার ভাবনাও এগিয়ে। আজ সকলেই নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত, ভূল গুলি মানিয়ে নি...

522>||- আমি নই কবি -||

522>||- আমি নই কবি -||           <--©--●অনাথ●---> এমন যোগ্যতা আছে কি আমার, যে আমি হবো কবি? আমি দেখেছি কবি, তাঁরা নয়তো রবি, কিন্তু তাঁদের ভাবনার জগৎ যেন তাঁরা গঙ্গা যমুনা, গোদাবরী। তাঁদের কলম তো কলম নয়, যেন সুতীক্ষ্ম তরবারী। তবুও তাঁরা হাসে, মানুষের সাথে মেশে, সদাই নিজের পরিবেশে। তাঁদের কণ্ঠ উদার, কলম যেন খরগো কৃপাণ, মুহূর্তে পারে তাঁরা সমাজকে, লন্ড ভন্ড করে আবার জুড়ে দিতে, ফুল মালা দিয়ে। দেশ মাতৃকার পদো তলে। যারা কবি তাঁদের চিন্তা ভাবনার অতীত। কবিদের ভাবনা থাকে সুপ্ত কালের প্রবাহে হয় না লুপ্ত, সময়ের প্রবাহে হয় উন্মুক্ত। যা চির সত্য বজ্র কঠিন পর্বত সম, উতপ্ত সূর্যের মত। মসৃণ মাখনের মতন, শীতল বরফের মতন। রূপ সৌন্দর্য্যে, রূপসী ষোড়শীর, বক্ষের মতন মসৃণ। কামনার ত্বেজে জ্বালাইতে পারে দাবানল। অগ্নিউদ্গার আগ্নেয়গিরি সম। চঞ্চলতায় গঙ্গোত্রী গঙ্গার মতন। আবার মুহূর্তে রয় নীরব, শান্ত ধীর হিমালয় এর মতন, উদারতায় সমুদ্রের মতন। লেখনি,যেন সমাজের ছবি, প্রতিটি মানুষের মনের মতন। শত লৌহ কপাট তৃণ সম তুচ্ছ। এমন ক্ষমতা অধিকা...

521>||- একটি জন্মদিন -|| || জন্মদিন ||

521>||- একটি জন্মদিন -||             || জন্মদিন || ======================== 521>||- একটি জন্মদিন -||                    <--©-আদ্যনাথ---> জন্মদিন গুলি আসে যায়, বলেযায় কিছু গোপন কথা। কথাটুকু হলেও বেদনা মিশ্রিত তবুও সেটি চির সত্য। একটি জন্মদিনের অর্থ, যে জন্মেছে সে আজকের দিনে হলেনএক বৎ সরের বৃদ্ধ, এইটুকু শুধু সময়ের সাথে কথা, দিয়ে যায় কিছু আনন্দ কিছু ব্যথা। তবুও মনে পরে সেই দিনের, মাতৃ ক্রোরে আমার ক্রন্দন ব্যথা, মায়ের মুখে তৃপ্তির হাসি মাখা। সেদিন আমিই কেবল কেঁদে ছিলাম, আর যারা ছিলো সকলেই হেসে ছিলো। আমি কেঁদেছিলাম জানিয়ে দিতে, আমার আগমন বার্তা। চেয়ে ছিলাম বলতে, তোমাদের মাঝে রেখো আমাকে, নাহয় দিও একটু বসতে। অধিকার চেয়ে তুলেছিলাম, আমার মুষ্ঠি বদ্ধ হাত। ছিলাম এক খণ্ড মাংস পিণ্ডের মতন, তবুও ছিলো চেতনা কেবল  আমার মতন। তোমরা দেখেছো, বুঝেছিলে কিনা জানি না, সৃষ্টির ক্ষণে কি প্রবল ছিলো যন্ত্রণা, তপ্ত শক্তি উতপ্ত মাতৃ জঠরে, প্রবল আকর্ষণ প্রচণ্ড ঘূর্ণি বেগে, চূর্ণ ব...

520>||- ভ্রমন করি আনন্দে -||

  520>||- ভ্রমন করি আনন্দে -||                   <---©-আদ্যনাথ---> ভ্রমনে কি কেবলি আনন্দ বর্ধন, নাকি নিত্য নুতন স্থান পরিদর্শন। নাকি ভ্রমন নিছক পর্যটন! নাকি ভ্রমন নিতান্তই অপ্রয়োজন! ভ্রমন এক উদার মনের প্রকাশ, প্রকাশ সদা সর্বত্রই আলোর উন্মেষ, অন্ধকারে পথ দেখায়, জ্ঞানীর জ্ঞানের উন্মেষ হয়। চোখ মেলে তাকাইলে, প্রকৃতির রূপ দেখা যায়। উদার হৃদয়ে উন্মীলন চোখে, প্রকৃতির শোভার উপভোগ, জীবনকে করে তোলে সার্থক। নির্মল জ্ঞান চেতনার বিকাশ, সার্থক জীবনের প্রকাশ। প্রকৃতি না না রূপে না না স্থানে, বিছায়ে সুশোভন ডালি, প্রকৃতি প্রেমিক কে লোভায়, প্রতিনিয়ত দিয়ে হাত ছানি। ঐযে হিমালয় শেখায় ধৈর্য, সাগর শেখায় বিশালতা, বনাঞ্চল নিত্য শেখায় জীবনের অর্থ, আকাশ শেখায় উদারতা। সাগর মানুষকে বাচঁতে শেখায়, সাগরের বিশালতার কাছে মানুষ অসহায়, ভাবে যে আমি কতো ক্ষুদ্র, তার গর্জন মানুষ কে ডরায়, ঢেউ গুলি প্রেরণা যোগায়। তাই সাগর দর্শন নবরূপে জিবন দর্শন জাগায় প্রাণের অফুরন্ত স্পন্দন। আকাশ কতো সুন্দর, নিত্য নুতন রূপে দেখ...

519>||- ভুলও এক শিক্ষা-||

  519>||- ভুলও এক শিক্ষা-||                     <---©--আদ্যনাথ---> জীবনে ‌‌‍‌‍‌ চলার পথে, হতেই পারে ভুল, কিন্তু এক ভুল যেন না হয় দুইবার। ভুলকে ভুলকরে করলে অবহেলা, অনেক সত্যিই রয়ে যাবে অচেনা। ভুলকে ভুল ভাবাই ভুল, ভুলগুলি এক একটি শিক্ষা। শিক্ষায় বাড়ে জ্ঞানের পরিধি, জ্ঞানে জীবনের অগ্রগতি। জীবনে ভুল ও শিক্ষার শৃঙ্খল, চলে জন্ম থেকে আমৃত্যু অবিরল। প্রকৃতির এই নিদারুণ সত্য, বুঝেও করি ভুল নিত্য। তাই ভুলকে ভুলকরে নয় হাহুতাশ, নয় ক্রন্দন। মনের দৃঢ়তা ই ঘুচাইতে পারে সকল বন্ধন। ভুলের কারন মূল্যায়নে ই মেলে সঠিক সন্ধান। সত্য যে সেতো চির সত্য, তার নাই বিকল্প। ভুলগুলি হলেও ক্ষুদ্র, নিশ্চিত কিছু শেখায়, অনায়াসে ভুলের উপেক্ষা, বেদনা বাড়ায়।         <--©--●অনাথ●--->      【--anrc 03/11/2018--】      【=:05:16:22pm=】  【=তেঘরিয়া=কোলকাতা -56=】 ======================== শঙ্কর দা জনালেন - দারুন, ভীষণ ভীষণ ভালো লাগল লেখাটি । ========================...