520>||- ভ্রমন করি আনন্দে -||
520>||- ভ্রমন করি আনন্দে -||
<---©-আদ্যনাথ--->
ভ্রমনে কি কেবলি আনন্দ বর্ধন,
নাকি নিত্য নুতন স্থান পরিদর্শন।
নাকি ভ্রমন নিছক পর্যটন!
নাকি ভ্রমন নিতান্তই অপ্রয়োজন!
ভ্রমন এক উদার মনের প্রকাশ,
প্রকাশ সদা সর্বত্রই আলোর উন্মেষ,
অন্ধকারে পথ দেখায়,
জ্ঞানীর জ্ঞানের উন্মেষ হয়।
চোখ মেলে তাকাইলে,
প্রকৃতির রূপ দেখা যায়।
উদার হৃদয়ে উন্মীলন চোখে,
প্রকৃতির শোভার উপভোগ,
জীবনকে করে তোলে সার্থক।
নির্মল জ্ঞান চেতনার বিকাশ,
সার্থক জীবনের প্রকাশ।
প্রকৃতি না না রূপে না না স্থানে,
বিছায়ে সুশোভন ডালি,
প্রকৃতি প্রেমিক কে লোভায়,
প্রতিনিয়ত দিয়ে হাত ছানি।
ঐযে হিমালয় শেখায় ধৈর্য,
সাগর শেখায় বিশালতা,
বনাঞ্চল নিত্য শেখায় জীবনের অর্থ,
আকাশ শেখায় উদারতা।
সাগর মানুষকে বাচঁতে শেখায়,
সাগরের বিশালতার কাছে মানুষ অসহায়,
ভাবে যে আমি কতো ক্ষুদ্র,
তার গর্জন মানুষ কে ডরায়,
ঢেউ গুলি প্রেরণা যোগায়।
তাই সাগর দর্শন নবরূপে জিবন দর্শন
জাগায় প্রাণের অফুরন্ত স্পন্দন।
আকাশ কতো সুন্দর,
নিত্য নুতন রূপে দেখা দেয়।
এতো প্রদুষণ তবুও মণেহয়,
আকাশ নির্মল রয়।
আকাশ তাই নির্মলতার পরাকাষ্ঠা
মানুষ চায় আকাশের মতন
নির্মল ও নিষ্ঠা।
হিমালয় হলেও পাষাণ,
আমাদের বাঁচাতে সদা দন্ডায়মান।
কতো আঘাত প্রতিঘাত সয়ে,
অচল অটল দন্ডায়মান।
তাই হিমালয় দর্শনে,
বাড়ে জ্ঞান অটল বিশ্বাস,
ধৈর্য শৈর্যের আফুরন্ত আশ্বাস।
বনাঞ্চল সেতো চির সবুজ,চির তরুণ,
চির নুতন, চির আনন্দ বর্ধন,
বনাঞ্চলের দান অসীম অপার,
বনাঞ্চল সমগ্র জীব জগত কে বাঁচায়।
প্রকৃতির সৌন্দর্য রূপ রস ছড়ায়।
বনাঞ্চল তার সবটুকু দিয়ে,
আমাদের জীবন বাঁচায়।
তাই বনাঞ্চলের কাছে মাথা নত হয়।
বনাঞ্চলের দান অসীম অপার।
জ্ঞান গরিমায় বনাঞ্চল শ্রেষ্ঠ আসন লয়।
তাইতো প্রকৃতির দর্শন,
মানুষের জীবন দর্শন।
জীবন দর্শনেই জ্ঞানের উন্মেষ,
জীবনকে চেনায় পরিবেশ,
পরিবেশের বন্ধু বনাঞ্চল,
আকাশ, পাহাড়, নদী,সমুদ্র।
প্রকৃতির দর্শন ভ্রমনেই হয় সার্থক,
তাইতো ভ্রমন মানেই জীবন দর্শন।
কিছুক্ষন নুতন রূপে বেঁচে থাকা,
জগৎ টাকে একটু বেশি করে দেখা।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc04/12/2018--】
【=সকাল:06:12:33am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================
<---©-আদ্যনাথ--->
ভ্রমনে কি কেবলি আনন্দ বর্ধন,
নাকি নিত্য নুতন স্থান পরিদর্শন।
নাকি ভ্রমন নিছক পর্যটন!
নাকি ভ্রমন নিতান্তই অপ্রয়োজন!
ভ্রমন এক উদার মনের প্রকাশ,
প্রকাশ সদা সর্বত্রই আলোর উন্মেষ,
অন্ধকারে পথ দেখায়,
জ্ঞানীর জ্ঞানের উন্মেষ হয়।
চোখ মেলে তাকাইলে,
প্রকৃতির রূপ দেখা যায়।
উদার হৃদয়ে উন্মীলন চোখে,
প্রকৃতির শোভার উপভোগ,
জীবনকে করে তোলে সার্থক।
নির্মল জ্ঞান চেতনার বিকাশ,
সার্থক জীবনের প্রকাশ।
প্রকৃতি না না রূপে না না স্থানে,
বিছায়ে সুশোভন ডালি,
প্রকৃতি প্রেমিক কে লোভায়,
প্রতিনিয়ত দিয়ে হাত ছানি।
ঐযে হিমালয় শেখায় ধৈর্য,
সাগর শেখায় বিশালতা,
বনাঞ্চল নিত্য শেখায় জীবনের অর্থ,
আকাশ শেখায় উদারতা।
সাগর মানুষকে বাচঁতে শেখায়,
সাগরের বিশালতার কাছে মানুষ অসহায়,
ভাবে যে আমি কতো ক্ষুদ্র,
তার গর্জন মানুষ কে ডরায়,
ঢেউ গুলি প্রেরণা যোগায়।
তাই সাগর দর্শন নবরূপে জিবন দর্শন
জাগায় প্রাণের অফুরন্ত স্পন্দন।
আকাশ কতো সুন্দর,
নিত্য নুতন রূপে দেখা দেয়।
এতো প্রদুষণ তবুও মণেহয়,
আকাশ নির্মল রয়।
আকাশ তাই নির্মলতার পরাকাষ্ঠা
মানুষ চায় আকাশের মতন
নির্মল ও নিষ্ঠা।
হিমালয় হলেও পাষাণ,
আমাদের বাঁচাতে সদা দন্ডায়মান।
কতো আঘাত প্রতিঘাত সয়ে,
অচল অটল দন্ডায়মান।
তাই হিমালয় দর্শনে,
বাড়ে জ্ঞান অটল বিশ্বাস,
ধৈর্য শৈর্যের আফুরন্ত আশ্বাস।
বনাঞ্চল সেতো চির সবুজ,চির তরুণ,
চির নুতন, চির আনন্দ বর্ধন,
বনাঞ্চলের দান অসীম অপার,
বনাঞ্চল সমগ্র জীব জগত কে বাঁচায়।
প্রকৃতির সৌন্দর্য রূপ রস ছড়ায়।
বনাঞ্চল তার সবটুকু দিয়ে,
আমাদের জীবন বাঁচায়।
তাই বনাঞ্চলের কাছে মাথা নত হয়।
বনাঞ্চলের দান অসীম অপার।
জ্ঞান গরিমায় বনাঞ্চল শ্রেষ্ঠ আসন লয়।
তাইতো প্রকৃতির দর্শন,
মানুষের জীবন দর্শন।
জীবন দর্শনেই জ্ঞানের উন্মেষ,
জীবনকে চেনায় পরিবেশ,
পরিবেশের বন্ধু বনাঞ্চল,
আকাশ, পাহাড়, নদী,সমুদ্র।
প্রকৃতির দর্শন ভ্রমনেই হয় সার্থক,
তাইতো ভ্রমন মানেই জীবন দর্শন।
কিছুক্ষন নুতন রূপে বেঁচে থাকা,
জগৎ টাকে একটু বেশি করে দেখা।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc04/12/2018--】
【=সকাল:06:12:33am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================
Comments
Post a Comment