Posts

Showing posts from July, 2019

599>|| স্বাধীন কে কবে ||

 599>||  স্বাধীন কে কবে ||             <--©➽-আদ্যনাথ---> স্বাধীন স্বাধীন বলে চেঁচালেই হবে? স্বাধীন ছিলাম কবে? শিশু কাল বাবা মায়ের শাসনের বেড়ি, স্কুলে শিক্ষকের কঠিন ছড়ি। ক্লাবে গেলে দাদাদের দাদাগিরি, চাকুরী জীবনে উপরআলার কড়াকড়ি। বৃদ্ধ বয়সে এখন সকলের নজরদারি। ভাবি বসে, আজ সেই 26 সে জানুয়ারি স্বাধীন হয়ে উড়বো আকাশে, পারিনি ডানার অভাবে। পাখিরা স্বাধীন উড়ে চলে যেথা মন চায়, বনের পশুরা স্বাধীন, বনে থাকে যতদিন। মন চায় উড়েজেতে নীল আকাশে, সমুদ্রের পারহতে পাহাড় ডিঙিয়ে, মন চায় ছুটে বেড়াতে যখন যেখানে সাতরঙা রামধনু ওঠে যেখানে। মনের ইচ্ছা মনেই রয়েগেছে গোপন, শিশু কালে কত স্বপ্ন ছিল তখন। স্বাধীন হয়ে ছুটব স্বপ্নের দেশ যেখানে, সাত সমুদ্দুরের পারে তেপান্তরে। স্বপ্ন পুরীর রাজকুমারী আছে যেখানে, খুঁজে আনব মুক্ত গভীর সমুদ্র তলে। শঙ্খ চিলের বাসায় যাব উড়ে, দেখবো রামধনু হয় কোন রঙ দিয়ে। পক্ষীরাজে চড়ে ছুটব যখন, মা যদি ডাকেন পেছনে তখন। বলবো মাকে  বীরের মতন, একটু সবুর করো মাগো, ছুটব আমি বীরের মতন। চাঁদের বুড়ির খবর নিয়ে, এক্ষুনি আমি আসবো ফিরে। ভয় কেন করছো মাগো, তোমা...

598>|| প্লাস্টিকের উত্থান ||

   598>|| প্লাস্টিকের উত্থান ||             <-----©-আদ্যনাথ---> গতকাল সন্ধ্যায় দেখলাম হওয়ায় উড়ছে প্লাস্টিকের কেরি প্যাক, মনে হল আলো বিহীন ফানুসের ব্যাগ। সকলে চেয়ে ঊর্ধ্ব পানে উড়ে চলেছে প্লাস্টিকের ব্যাগ দক্ষিণ পানে। তোমরা ভাবছো, ভাবো, ভাবা উচিৎ, ভাবনা ভালো। আসছে সেদিন থাকবেনা ভাবনা, প্রস্তর যুগ, তাম্রযুগ,পার করে আমাদের লৌহযুগেরও পারের ভাবনা এবার বুঝি শুরু প্লাস্টিক যুগের সূচনা। সেই যবে প্লাস্টিকের সূচনা হলো সকলের মনে অফুরন্ত আনন্দ যোগালো। পেট্রো কেমের নূতন আবিষ্কার আনন্দ যোগালো। আজ সেই প্লাস্টিক সকলের বেদনা, পথে ঘাটে প্লাস্টিক , নালা নর্দমায় জমছে প্লাস্টিক, গরু ছাগল মরছে, পেটেতে প্লাস্টিকের স্তূপ। গাছ পালা মরছে প্লাস্টিকের কারনে, গভীর সমুদ্রে বাড়ছে প্লাস্টিকের স্তূপ, তথাপি বাড়ন্ত প্লাস্টিকের উৎপাদন। পেট্রো কেমের বর্জ প্লাস্টিক, দুরন্ত বাজার দর। হোকনা মারণ, লাভবান তো পেট্রো কেম। আজ আমাদের ঘরের ভিতরে ব্যালকোনিতে  প্লাস্টিকের গাছ। আসল গাছের অনেক হেপা তাই প্লাস্টিকের গাছ সাজিয়ে রাখা। বাজারে পাস্ট...

597>|| বৃষ্টি হীন সন্ধ্যা ||

  597>|| বৃষ্টি হীন সন্ধ্যা ||                 <-----©-আদ্যনাথ---> সুখ দুঃখ ভুলে কিছুক্ষন, হুইস্কির গন্ধে ভরুক মন। মিষ্টি আদরে চুমুকের ক্ষণ, তৃপ্ত হউক পিপাসিত প্রাণ মন। বৃষ্টি নাই আছে আইস কিউব  ঠাণ্ডা হুইস্কির গেলাসে চুমুক। সুখী জন সুখের সন্ধানে ধায় দুঃখী জন দুঃখের ভয় পালায়। সুখী জন জানে না সুখের অন্ত দুঃখী জন চায় দুঃখের অন্ত। সুখ দুঃখ একে অপরকে ধায় কে জানে এদের অন্ত কোথায়। সুখের পিছনে দুঃখ যে দাঁড়ায়ে, দুঃখের পরেই সুখ যে দাঁড়ায়ে। কিসে সুখ কিসে দুঃখ কে জানে মন সদাই অলীক স্বপ্ন খুঁজে চলে। সুখের পাহাড়ে দুঃখ বেড়ে চলে দুঃখের পাহাড়ে সুখ কষ্টেই মেলে। সুখ কি অলীক মাত্র নাকি দুঃখ চীর সত্য। আসলে সুখ,দুঃখ, সময়ের সঙ্গে উভয়ে স্থাই জীবনের অঙ্গে।                    <-----©-আদ্যনাথ--->     24/07/2019'::07:366

596>|| আমার প্রার্থনা ||

  596>|| আমার প্রার্থনা ||                   <-----©-আদ্যনাথ---> জীবনের পথে চলতে চলতে, জানিনা কতো পাপ পূণ্য, কতো ন্যায় অন্যায়, করেছি কি করে হিসাব মেলাব তার। প্রভু ক্ষমা করো ক্ষমা করো মোরে চলার পথে শ্রমবিমুখ হয়ে আলস্য যদি মোরে ঘেরে। ক্ষমা করো, যদি কভু লোভ মোরে ঘেরে। ক্ষমা করো আর্তের সহায়তায় কভু, নিজের সুখ,স্বার্থ চিন্তা যদি মোরে ঘেরে। ক্ষমা করো যদি দুঃখীর দুঃখে পরিহাস জাগে মনে, ক্ষমা করো,যদি ক্লান্তিতে পিছিয়ে পড়ি পথে। ক্ষমা করো প্রভু,যদি পথের না পাই দিশা প্রভু মোরে দেখিও সঠিক দিশা। হয়ত পথে ভুল করেছি হাজার বার, তাইতো মাঙ্গী ক্ষমা আশ্রয় বার বার। নিজেই নিজের দন্দে বিভ্রান্ত  আজি, সঠিক পথের নির্দেশ মাগি। ক্লান্ত আমি শ্রান্ত এবার তোমার চরণ মাগি, দয়াকরো প্রভু বারাও তোমার চরণ খানি। পাপ পূণ্য বুঝিনা আমি কর্ম বুঝেছি, কুচক্রে কুকর্ম অজস্র করেছি বুঝি, এখন মাগি তোমার চরণ ক্ষমা আশ্রয় লাগি, তোমার কর্ম তুমি করাবে কর্তা হবে তুমি। এতদিনে বুঝেছি তুমি ছাড়া নাই উপায়, সদা চিন্তা পথ ভুলে  কোন পথ...

595>|| ব্যাঙ বাচিলে সৃষ্ট বাঁচিবে || + || বৃষ্টি নাই পশ্চিম বাংলায় ||

595>|| ব্যাঙ বাচিলে সৃষ্ট বাঁচিবে ||          2)|| বৃষ্টি নাই পশ্চিম বাংলায় || ===============================  595>|| ব্যাঙ বাচিলে সৃষ্ট বাঁচিবে ||                       <-----©-আদ্যনাথ---> ব্যাঙ নাকি ব্যাক ডেটেড হয়েগেছে, তাদের ডাকে আর বৃষ্টি আসেনা ঝেঁপে। তাই ব্যাঙ কাঁদে পানা ডোবার কুলে, ডিজিটালে গ্যাঙ্গর গ্যাঙ্গর ভুলে। ব্যাঙের চিন্তা, ব্যাঙাচী গুলি বাঁচিবে কি করে, ডোবায় নাই জল পুকুর শুকিয়ে গেছে, নদীতে কি আর ব্যাঙাচি বাঁচিবে! ব্যাঙের সর্ব শেষ চেষ্টা, চিৎ হয়ে শুয়ে গ্যাঙ্গর গ্যাঙ্গর ডাকে। ব্যাঙাচি গুলি মরছে তাই দেখে কাঁদে। মাছি মশা কীট পতঙ্গের শত্রু ব্যাঙ যদি মরে, পৃথিবীর ভার বইবে কে কি করে? ব্যাঙ হলেও ক্ষুদ্র, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় তার নাই জুড়ি, বিষাক্ত কীট পতঙ্গ খেয়ে বাড়ায় ভুরি। সেই প্রকৃতির বন্ধু ব্যাঙের যদি হয় ধ্বংস, বায়োলজি লেবরেটরী সব হবে বন্ধ। চীনারা খাবেটা কি ভাবতো একবার, আয় বৃষ্টি ঝেঁপে ব্যাঙের বংশ বাঁচাতে। নচেৎ পৃথিবী হবে ধ্বংস ব্যাঙের কা...

594> || ভীষণ গরম ||

 594> || ভীষণ গরম ||           <-----©-আদ্যনাথ---> গরমে গরম কাটে ঠাণ্ডায় নাই কোন ফান্ডা। ঘামে প্যাচ প্যাচ পালঙ্কে ঘ্যাঁচ ঘ্যাঁচ, মনেতে সংশয়, কেজানে কি হয়। শীতে তো কুক্রে থাকা। মুখে বুলি উহু আহা। কম্বলের গরম বাড়ায় আরাম, তেল থাকলে শলতে জ্বলে, তেল ফুরোলে নেতিয়ে পড়ে। গরমে ঘামের জোশ থাকেনা আফসোস। শুধুই ফোঁস ফোঁস। হিম্মতে বাড়ন্ত জোশ। তাই গরমে কেন চিন্তা, মন প্রাণ হবে ঠাণ্ডা। ছাদের ঘুলঘুলি দিয়ে তারারা উকি মারে, অন্ধকারে অনেক দেখে ফেলে। ঘামের গন্ধ শিরায় বয়েজায়া, উষ্ণ রক্তের স্রোত সর্বাঙ্গে বোঁয়ে যায়। তাইতো গরমে মনের দুয়ার খুলে যায়। হৃদয়ের আহ্বান শোনা যায়। দুটি প্রাণ, মন, শরীর এক হতে চায়।        <-----©-আদ্যনাথ--->      【--anrc-22/07/2019--】      【=রাত্রি:02:08:22am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 ===========================

593> || জীবন শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ||

593> || জীবন শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ||           <---©-আদ্যনাথ---> মধ্য বিত্তের জীবন, ওলোট পালোট না হলে সুন্দর হবে কি করে? ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিন্ন ভিন্ন না হলে সাজবে কি করে ? স্বপ্ন গুলো ভেঙে না গেলে, ইচ্ছা শক্তি বাড়বে কি করে? বাঁচার জন্য  লড়তে হবে, লড়াই করেই আমাদের বাঁচতে হবে। মনের জোর এমন হতে হবে, মুস্কিল গুলি ভয়ে দূরে পালাবে। বাঁধা গুলি লজ্জায় সহজ হয়ে নূতন পথ দেখাবে। তবেই তো জীবন পুর্ন হবে। জীবন হয়তো ক্ষণিকের জন্য, তথাপি নয় তো সামান্য। জীবাত্মা অনপায়ী অনপেক্ষ, মনুষ্যজীবন প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, রেখে যায় তার কৃত্তি। জীবন অনন্ত  শক্তির আধান, জীবন নয়  ঈশ্বরের অহেতুক দান। জীবন মাত্রেই সর্বব্যাপী  বিভু, জীবন ঈশ্বরের প্রতিভূ। সুস্থ সুন্দর জীবন অসহায়ের সহায়। মনুষ্যমাত্রে একে অন্যের সহায়।        <---©-আদ্যনাথ--->      【--anrc--08/07/2019--】      【=রাত্রি:11:53:22=】 【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】  =========================

592>|| উপলব্ধি ||----------( 1 + 3)

592>|| উপলব্ধি ||--------( 1 + 3) <-----©-আদ্যনাথ---> (1) দেখলাম জীবন প্রকৃতির কোলে, স্নেহ ভালবাসা উজাড় করে দিয়ে। প্রকৃতি কেমন জীবন নিয়ে খেলা করে। সময় সবকিছু বদলেদিতে পারে। তবুও মোহ মায়ার জালে, জীবনটাকে জড়িয়ে ফেলে। যেমন মক্ষিকা মাকড়সার জালে, বাঁচবার তরে ছট্ফট্ করে। বাঁচন মরন সময়ের খেলা, প্রকৃতি খেলে নিত্য নূতন খেলা। বেঁচে থাকাটাই জীবনের লড়াই, তথাপি আমরা মৃত্যুকে ডরাই। সাঁতার শেখা যেমন মাথাটি ভাসিয়ে রাখা জীবনও তেমনি সন্মান টুকু বাঁচিয়ে রাখা। খেলার ছলে জীবন না চেয়েও পাওয়া, নদীর স্রোতের মতন বয়ে চলে যাওয়া। নদী শুকিয়ে গেলেও দাগ টুকু রেখে যায়, সময়ের খেলায় মানুষও হারিয়ে যায়। কিছু দাগ কিছু স্মৃতি রেখে যাওয়া, মনুষ্য জীবনের সার্থক চাওয়া পাওয়া। <-----©-আদ্যনাথ---> 【--anrc-02/07/2019--】 【=রাত্রি:01:30:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 ========================== 2>|| উপলব্ধি || <---©-আদ্যনাথ--> এই ক্ষনিকের জীবন কিন্তু অনন্য, যদিও জীবন এক সাজানো গোছানো মিথ্যা ছাড়া ক...

591>|| রথের মেলা ||

 591>|| রথের মেলা ||                <-----©-আদ্যনাথ---> রথের মেলা রথের মেলা বসেছে রথ তলায়। অজস্র ভিড়ের মাঝে রথের দড়ি পথে গরাগরি খায়। সকলেই আসে আর যায় ভক্তি ভরে দড়ি ছুয়ে যায়। রথের দড়ি স্পর্শ মাত্র সকল পাপ থেকে হবে মুক্ত। শত  ভিড় ঠেলে কোনমতে এসে দড়ি ধরা শেষে। চিনি কলা প্রসাদ গদো গদ চিত্ত, রথের মেলার আনন্দ জিলিপি আর পাপরের গন্ধ শিশু  বৃদ্ধ বৃদ্ধা সকলেই ভক্ত। শিশুরা সাজায় রথ গুজিয়া প্রদাদে, শিশুর আনন্দ দক্ষিনা টুকু পেলে। রথের মেলা রথের মেলা বসেছে রথ তলায়। জগন্নাথ চলেছেন মাসীর বাড়ি রথে শুভদ্রা বলরাম আছেন সাথে। রথের আনন্দে বিভোর সকলে, রথ চলেছে গুন্ডিচার দিকে ধীরে। সকলের আগ্রহ জগন্নাথের প্রসাদ নিতে, পুরীর জগন্নাথ আজ সারা বাংলা জুড়ে। জগন্নাথ যিনি জগতের নাথ সকল বিপদে তিনিই দেন সাথ। ঈশ্বর সদাই থাকেন নির্লিপ্ত জগন্নাথ ঈশ্বর রূপে সর্ব শ্রেষ্ঠ ।    <-----©-আদ্যনাথ--->       【--anrc-04/07/2019--】      【=সকাল:08:20:22=】  【=তেঘড়িয়া=কো...