Posts

Showing posts from November, 2018

518>||- যা চাই তা পাইনা-||

518>||- যা চাই তা পাইনা-||             <--©--আদ্যনাথ--->  জীবন তরী এতদূর বাইলাম, কতো পথ কতো উজান বাইলাম। শুধুই হিসাব কসলাম। নদী তো ছিলো খরস্রোতা, কতো গান ছিলো হৃদয়ের গভীরে, দিনরাত চলতো জোয়ার ভাটা। আজ শুকায়ে গেছে সবটা, আজ নাই জোয়ারের টানটা। সেই কবে শেষ ভাটার টানে, জলহীন শুষ্ক প্রায় নদীটা। কেবল নোংরা বালিতে ভরা সবটা। পাখিগুলো আসে পিপিসা মেটাতে, জল না পেয়ে উড়েযায় এদিক ওদিক চেয়ে। জীবন ডাইরির শেষের পাতায় এসে, লিখতে বসে ভাবনা গুলি হারিয়ে গেছে। পুরনো দিনের চিন্তা ভুল সবই ছিল ভুল, যৌবনের সব হিসাব গুলি ছিল ভুল, আজ ভাবি কি হবে সেই ভুলের মাসুল। মন হোল পাগল প্রায়, ফেলে আসা দিনগুলো খুঁজে বেড়ায়। খুঁজতে খুঁজতে মন বহুদূর চলেযায়, কতো সাধু,সন্ত, পীর মোল্লা,সখি, দিগম্বর,শ্বেতাম্বর ডাকিনী,যোগিনী, সিদ্ধ যোগী,সর্বত্র খুঁজেছি, বন প্রান্তরে, গুহার অন্ধকারে, হিমালয়ের পথে পথে, স্বশ্বানে স্মশনে, যোগ পিঠ, স্বিদ্ধ পিঠ,কিছুই রাখিনি বাকি। কতো উপদেশ, আদেশ, নির্দেশ, দীক্ষা,শিক্ষা,কিছুইতেই ছিলনা ফাঁকি। আজ যখন একলা বসে খুঁজে দেখি,...

517> ||-পাগল খানা-||

  517> ||-পাগল খানা-||              <---আদ্যনাথ--->( © ) আমাদের এই পৃথিবী খানা, তিন পাগলের কারখানা। বেশি বললে বলতেহবে, এই ব্রহ্মাণ্ড খানা। পাগলের শ্রেষ্ঠ পাগল, ভোলা পাগল। সমুদ্র মন্থনে যিনি, সুরাসুরের গরল করে পান, জ্ঞানশূন্য যায়বুঝি প্রাণ। অস্থির চিত্তে উন্মাদ প্রায়,            অবশেষে পেলেন পরিত্রাণ। মায়ের অমৃত স্তন করে পান, হলেন নীলকন্ঠ ভগবান্।      আর এক পাগল আছে, বিশ্বের চিন্তায় সমুদ্রের মাঝে। শুয়ে অর্ধ নিদ্রায়, মা লক্ষ্মী সদা ব্যাস্ত তাঁর পদ সেবায়। কখনো আবার,প্রেমেই পাগল, বাজিয়ে বাঁশরী,ব্যস্ত পরকিয়ায়। আর এক পাগল বৃদ্ধ,।              সৃষ্টি রচাইতে অতি সিদ্ধ। হাতে নিয়ে কমন্ডুল,রুদ্রাক্ষের মালা, পদ্মাসনে বসে পদ্মফুলে জপে মালা। সুযোগ পেলে খেলায় খেলায়, যে ডাকে তাকেই বর দিয়ে দেয়।      তিন পাগলে আছেন মজায়, বিপদ আসলেই পালিয়ে বেড়ায়। ত্রাহিমাম, ত্রাহিমাম,করে দৌড়ে বেড়ায়, "মা"এর কৃপায় তাঁরা আসন ফি...

516> ||- অশ্রু লেখা-||

    516> ||- অশ্রু লেখা-||              <----আদ্যনাথ--->( © ) আজ বোঝা বুঝির ধার ধারি না, যেমন খুশি তেমন চলি,  সময়ের হাত ধরে। শুরু থেকে ষাট, ছিল শাসনের গাঠ। প্রথমে বাবার গৃহের শাসন, তার পরে কর্মজীবনের বাঁধন। তোমাকে করবো আদর তেমন সময় কোথায়? আজ বসে অবসরে শরীরে বাঁধা, নিজের সৃষ্টির ভিড়ে নিরালা পাই কোথায়? তথাপি যদিও পাই তোমায়, শরীর বাঁধে সাধ উপায় কোথায়। সেদিন তোমাকে নিয়ে, মনে মনে কতো স্বপ্নের জাল বুনেছি মনে। কর্ম জীবনের প্রবল চাপের ফলে, অর্থের লালসায় ছিলাম ভুলে। তখন বুঝিনি সময় বয়ে যাবে, জীবনের আনন্দ অপূর্ন রয়ে যাবে। জীবন থাতার পাতা যবে শেষ হবে, শুধুই অশ্রু দিয়ে লেখা হবে।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc--20/11/2018--】      【=সকাল:05:08:22=】  【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】 ==========================

515> ||-বাগোয়ান,দারোয়ান-||

 515> ||-বাগোয়ান,দারোয়ান-||                    <---আদ্যনাথ--->( © ) বাগোয়ানি বরই কঠিন সংসারে, বহু চেষ্টাতেও বাগোয়ানি পারিনি, করতে মনের মতন করি। বাগোয়ানের গুনের কদর, ফুল যে ফোঁটায় সুন্দর। দারোয়ানের আদর কোথায়, শিশুদের তাড়িয়ে বেড়ায়। দারোয়ান রক্ষক বটে, শিশুদের স্বার্থপর দৈত্য জে সে। বাগোয়ান শিশু দের আদরকরে, কতো ফুলের নাম শেখায়। শিশুরা ফুল চেনে বাগোয়ানের সহায়, দারোয়ানের হাতে লাঠি শোভা পায়। বাগোয়নের হাতে আদরের মাটি, মনে তার গাছ,সারের খুঁটি নাটি। বাগোয়ন করে যত্ন ফুল যে ফোঁটায়, দারোয়ান সদর্পে লাঠি ঠুকে বেড়ায়। বাগোয়নের গর্ব মালিকের বাগান, দারোয়ান গর্ব লাঠির পালোয়ান। বাগোয়নের প্রাণ মন বাগানের তরে, দারোয়ান অহঙ্কার নিজের লাঠির জোরে। বাগোয়ানকে আমরা মালি রূপে চিনি, দারোয়ানকে কেবল পাহারাদার জানি। বাগোয়ান,দারোয়ান উভয় মালিকের পোষ্য, উভয়ের প্রচেষ্টা মালিককে করতে তুষ্ট। বাগোয়নের করে গাছ ও ফুলের সেবা যত্ন, দারোয়ানের নিজের শরীর ও লাঠির যত্ন। উপযুক্ত মালির গুনে বাগানের সৌন্দর্য, উপযু...

514>||-ছোট্ট শিশু-||

   514>||-ছোট্ট শিশু-|| ছোট্ট শিশুটির ছোট ছোট আবদার, আর তার ঘনিষ্ঠ আদর। মনে হয় অতি সাধারন, কিন্তু তারে ভুলে থাকা বড়োই কঠিন। স্মৃতিচারণে অনেক বড় কিছু মনে পরে, বড় বড় স্মৃতি গুলি স্বরনে আসে, চোখে ভাসে। হয়তবা স্মরণ যোগ্য জ্ঞানের জন্য, কিন্তু ছোট একটি শিশুর আদর আবদার হৃদয়ে দাগ কাটে, তারে না যায় বলা না যায় ভোলা, সে হৃদয়ের গভীরে থাকে।                       <----আদ্যনাথ--->( © )

513>|| আজ ইন্ডিয়ান আর্মি দিবস--||

 513>|| আজ ইন্ডিয়ান আর্মি দিবস--|| আজ 15ই  জানুয়ারি, ভারতীয় সেনা দিবস। সাথে মনে পরে আজ আজাদ হিন্দি ফৌজের সেনা দিবস। ভারতের  শহীদদের আত্ম বলিদানে পেয়েছি আমরা স্বাধীনতা। আর আমাদের ভারতীয় সেনা রক্ষা করে চলেছে ভারতের  সীমানা। এমন  দিনে আমরা নিশ্চয়ই জানাতে পারি আমাদের অন্তরের শ্রদ্ধা সহ দৃঢ় একটি সেলুট, আমাদের ভারতীয় সেনাদের জন্য। আমরা কি একবারও ভাবি তাঁদের, যে সৈনিকরা আছেন সিয়াচিনে, অতন্দ্র পাহারায়, ভারতের  সীমা রক্ষায়। আমারা কি একটুও চিন্তা করি--–- ঠান্ডায় যখন আমাদের লেপ কম্বলের ভেতরেই কাটাতে হয়। আর ঠান্ডা যখন 1 কি 2 ডিগ্রি, তখন ফায়ার প্লেসে আগুন জ্বালাতে হয়। ঠান্ডা যখন 0 ডিগ্রি, জল বরফে পরিণত হয়। ঠান্ডা যখন  -1 ডিগ্রি, আমাদের কথাতেও কাঁপুনি শুরু হয়। ঠান্ডা যখন -4 ডিগ্রি,থেকে ক্রমে আরো কমে গিয়ে-20ডিগ্রি হয়---? সত্যই ভারতের সিয়াচিনে -20ডিগ্রি হয়। তখনো ভারতীয় সৈনিক কে সিয়াচিনে, সীমা রক্ষা করতে হয়। সাথে তাঁর কাঁধে রাইফরল বইতে হয়, বইতে হয় রসদ সামগ্রী,নিজের টেন্ট, সহ 65 কেজি। কখনো তারও অনেক বেশি। এমনি করেই ভারতীয় সৈনিক সুরক্ষা করে চলেছে আমাদের, তাই আমরা নিশ্...

512>|| যদির চিন্তা ভয়ানক ||+ | সঙ্গোপনে ||

 512>  || যদির চিন্তা ভয়ানক ||                <--©➽-আদ্যনাথ---> মনে যদি থাকে সংসয় জীবনে দুঃখ নিশ্চয়। মনের সংশয় যদি না হয় দূর সফলতা রবে বহু দূর। বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর। বিদ্যা, শিক্ষা, জ্ঞান, গরিমা ভক্তি বিশ্বাস ও নম্রতার অধিকার। দূতত্ব নিশ্চিত হয় পথের কভু হয় না বন্ধুত্বের। মানুষের মন ও মস্তিষ্ক বড়োই জটিল, অন্ত হীন ভাবনা ও সৃষ্টির অপূর্ব মিল। বিশ্বাস বিহনে না হয় বন্ধু না রয় আত্মীয়,  না পায় জীবনের পাথেয়। যদির চিন্তা ভয়ানক বড়, ‘যদি’ শব্দটা অতি ভয়ানক শব্দ,  নিমিষেই সফলতাকে করতে পারে স্তব্ধ। এই যদির ভাবনা দুরনাহলে জীবনটাই হয়ে যায় পঙ্গু। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ======================= || সঙ্গোপনে || <--©➽-আদ্যনাথ---> জীবনে চলার পথে,  সুখ বিঘ্নিত হইলে, মনঃকষ্ট ও অশ্রু জল, সকলের অগোচরে, থাকে যেন সঙ্গোপনে। জেনে রাখা ভালো--- সুযোগে, কষ্টতো দিতে পারে সকলে, কিন্তু,কষ্টের ভাগ নিতে পারেনা কেউ  কোন কালে। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ==========================

511>||-গুরুর চেলা-||

511>||-গুরুর চেলা-||           <----আদ্যনাথ--->( © ) পরমানন্দের  চেলা হোয়ে, নামাবলী গায়ে জড়িয়ে, নিত্যানন্দের ঝোলা কাঁধে ঝুলিয়ে, ঘুরে মরলাম ভুবন ভরে। মনে কিছু লাভের আশা রেখে, কপালে তিলক কেটে। সর্বাঙ্গে চক মাটি মেখে, রুদ্রাক্ষের মালা নিয়ে হতে। মুখে নামকৃত্তন করতে করতে, সন্ধ্যাবেলা একলা বসে। গুনতে বসি নিজের ঝোলা। চোখের জলে ভাসে কপল, কোন কিছুই হলনা সফল। ধুপ কাঠির গন্ধের মাঝে, অহংকারের গন্ধ মিশে, বিদঘুটে এক গন্ধ আসে। চেয়েছিলাম ষোলোআনা, ব্যর্থ হল মালাগোনা। দিনশেষে একলাবসে, কাঁদি শুধু ভাগ্য দোষে, অহংকার,লোভ,স্বার্থ, তিনের গুনে, জীবনটাই ব্যর্থ হোল। না শিখলাম মন্ত্র তন্র, না শিখলাম সংসার ধর্ম। না শিখলাম ভিক্ষার ভেক, না জানলাম গুরুর আবেগ। কিশোর যৌবন সকল গেল চলে, ভাবনা এখন সত্তর পেরিয়ে। কোন চুলোতে জুটবে ঠাই, এখন খুঁজি সেই পথটাই। যারা ছিল বদ্ধ পাগল, এসেছিল ভেঙে আগল, তারাই পেল "মা" এর চরণ। যারা ছিলো ছদ্যবেশী, সবাই গেল গয়া কাশি। কি হবে আমার গতি, আমিযে মধ্যপন্থী। দুই নৌকায় ছিল পা, তাইবুঝি পেলাম এমন ঘা। নিজের ক...

510>||-বুঝতেই পারিনি-||

510>||-বুঝতেই পারিনি-||                <---আদ্যনাথ--->( © ) সময় চলে আপন গতিতে, একটু ফিরে দেখা-------- জীবন গতির উত্থান পতনে, কখনযে পেরিয়ে এলাম এতটা সময়------ বুঝতেই পারিনি। এইতো সেদিন হয়েছিল শুরু, দিনরাত খেলা আর স্কুল, আর বাবা,মা এর বকুনি দিয়ে। কখন নিজেরাই হয়েগেলাম বৃদ্ধ, বুঝতেই পারিনি। লেখা পরা তারপর চাকরি, শুরু সামান্য পদে। কখন পৌঁছে গেলাম অধিকারিতে, বুঝতেই পারিনি। কত চেষ্টা ছিল একটা চাকরির, কত ইন্টারভিউ দিয়েছি তার জন্য। কখন যে তা থেকে নিলাম অবসর, বুঝতেই পারিনি। একদিন ছিল চিন্তা, বাবা,মা,ভাই,বোনের,পালন পোষণের। কবে শুরু হল নিজের সন্তানের চিন্তা, বুঝতেই পারিনি। সামান্য সাইকেলের প্যাডেলে, হাপাতে হাপাতে শুরু। কবে চার চাকায় চড়া শুরু করলাম, বুঝতেই পারিনি। ছোট্ট একটি ছিল ঠাই, যেখান থেকে শুরু হয়েছিল চলা, কখন হল নিজের ঘর, বুঝতেই পারিনি। আছে ছেলে মেয়ে, তাদের দিতাম কাঁধ, তারাই পৌঁছে গেল কখন কাঁধ পর্যন্ত, বুঝতেই পারিনি। এক সময় ছিল যখন, দিনেও ঘুমাতাম গভীর ঘুমে। ...

509>|||| সময়ের অপেক্ষা ||D

509 >|| সময়ের অপেক্ষা ||D          <--©➽-আদ্যনাথ---> মনেছিল অনেক আশা অনেক চাওয়া পাওয়া। ভাবনায় ছিল আশঙ্খা, পূর্ণ হবার ছিল বাসনা। ছিল প্রাণ ভরা ভালবাসা, ছিল সংশয় ছিল মনের আশা। কখনোই ছিলনা চোখের নেশা, ছিল হৃদয়ের একান্ত ভালবাসা। যৌবনের পূর্ব থেকেই ছিলাম সচেষ্ট, পরিশ্রমের ক্ষমতাও ছিল যথেষ্ঠ। করেছি আপ্রাণ সকল চেষ্টা, নানান দেশ ঘুড়ে পেয়েছি অনেকটা। যৌবনের পূর্বেই পেয়েছি শিক্ষা, আজাতীত ভাবে গোপন কিছু শিক্ষা। তন্ত্র মন্ত্রের কলা কৌশলের ভক্তি, পেয়েছি মন্ত্রশ্রষ্ট্রাগণের আশীষ শক্তি। সর্বদা মনে ছিল বাসনা, সাথে ছিল মনের তীব্র যাতনা। যাতনা কেবল ইচ্ছা পূরণের কামনা, সদাই সচেষ্ট ছিলাম পেতে পূর্নতা। অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রচেষ্টা, দীর্ঘ সময়ের কার্যকর চেষ্টা। একে একে পেয়েছি সফলতা, অপূর্ণ নাই মনের কোন চাওয়া। আজ ভাবছি বসে একলা, মিটেছে জীবনের সকল আশা। পূর্ণ হয়েছে  আনন্দ, আকাঙ্খা, মিটেছে উৎচ্ছাশ পেয়েপূর্নতা।  আজ হৃদয় আমার পরিপূর্ণ, মনের ইচ্ছা কিছুই নাই অপূর্ন। ঈশ্বর বলো কিম্বা প্রকৃতি, কিছুই রাখেনি আমার অপূর্তি। আজ কদাচিৎ  আপন মনে, ভাবনা কেবল একটাই জাগে। যাছিল কর্...

508>||-চাওয়া পাওয়া-।।

508>||-চাওয়া পাওয়া-।।                      <---আদ্য নাথ--©--> কেউ চায় নাম , কেউ চায় যশ , কেউঁচায় অর্থ , কেউ দেখায় সামর্থ্য, কেউ চায় সমগ্র করতে গ্রাস, একনায়কত্বের ভীষণ শর্ত, মনে পূর্ন অতিশয় দর্প। কারুর সকলি ব্যর্থ, কোনমতে জীবন যাপনে সমর্থ। জীবন নিজের, আয় ব্যয়ের হিসাব এক জীবনে। কর্ম যেমন ফলটি তেমন, এর না হয় অন্যথা। কর্মেই জীবন হয় ধন্য, মান্য গণ্য, নিষ্কাম কর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম। সকাম কর্মে বাড়ে লোভ, লোভে পাপ, পাপেই সর্বনাশ। চাইতে হলে করতে হবে, কর্ম না করে ফল কোথায় পাবে। বৃক্ষে আলো, বাতাস, জল, পেলে, সময়ে ফল দেবে। আম্র বৃক্ষে আপেল নাহি হবে। ত্যাজিলে লোভ অহংকার, জীবন হবে মহান। হাসি টুকু থাক সাদা বর্তমান, লভিতে যশ মান সম্মান।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-06/11/2018--】      【=সকাল:05:06:20am=】 【=তেঘরিয়া =কোলকাতা -59=】 =========28=======

507>|| কুণ্ডলিনী=যোগতত্ত্ব ||

  507>||  কুণ্ডলিনী=যোগতত্ত্ব ||  <--©➽-আদ্যনাথ---> সাড়ে তিন হাত কলের ভিতর,  কত রঙ্গ দেখায় আপনি থাকিয়া কলের ভিতর,  তিনি কলকে ঘোড়ায়। কল ভাবে আপনি ঘুরি কে দেখে আমায়। কলকে জেনেছে যে তাঁকে আর ঘুরতে নাই হয়। শ্যামা মায়ের চরণে থাকলে শুদ্ধ ভক্তি, শ্যামা মা নিজেই যোগায় ভক্তের শক্তি। শ্যামা মা আছেন সর্ব দুয়ারে  ভক্তের ভক্তি মেপে স্থান নির্বাচন করে। মন যতক্ষন লিঙ্গ, গুহ্য, নাভিতে।  অথবা মন যদি থাকে "কামিনী-কাঞ্চনে"  নানান বাধা যোগ সাধনেতে। বহু সাধ্য-সাধনায় কুলকুন্ডলিনী জাগে,  ইড়া, পিঙ্গলা আর সুষুম্না নাড়ী সজাগ থাকে। ছয় পদ্ম আছে সুষুম্না নাড়ীতে মূলাধার,স্বাধিষ্ঠান,মণিপুর,  অনাহত, বিশুদ্ধ ও আজ্ঞা, এইগুলি কল্পনার ষট্‌চক্র রূপেতে। ষটচক্র ভেদে শক্তি সহস্রার পদ্মে মিলম হয়, সেই শক্তি যাঁরে কুণ্ডলিনী শক্তি কয়। সর্প রুপি কুণ্ডলিনী সুষুম্না নাড়ী বেয়ে ধায়, সহস্রারে পৌঁছে গেলে সমাধি হয়। সাধারণ জীবন অনেক কঠিন জীবন, ঠাকুরের কথা মানলে হয় সরল জীবন। শ্রী শ্রী ঠাকুর বলেছেন । কামিনী-কাঞ্চনে থাকে যদি মন  হয় না যোগ সাধন।  জীবের মন লিঙ্গ, গুহ্য ও নাভি...