Posts

Showing posts from April, 2019

566>|| পথের ডাকে ||

     566>  || পথের ডাকে ||   M            <-----©-আদ্যনাথ--->   কি বিচিত্র এই জীবন, যৌবন ছিল যখন ভাবিনি তখন। ছিল মনে একান্ত ভাবনা, ভালোবাসার পরাকাষ্ঠা। চাইনি নাম, যশ, প্রতিপত্তি, চেয়েছিলাম শুধু ভালোবাসা। পেয়েছিলাম সকলের সাথে, কিন্তু ধরেরাখা তাকে, বরই কঠিন, বুঝিনি আগে। কি বিচিত্র এই জীবন, ভালোবাসা শেখালো যে সন্দেহের চোখে দেখছে সে। কি বিচিত্র এই জীবন, যৌবন ছিল যখন ভাবিনি তখন। সেদিন  কিশোর বয়স্ ছিল জ্ঞানী জন পথ দেখিয়ে  ছিল। সকলকে সর্বদা মান দিও, সকলের সাথে হেসে কথা বলো। সত্যি এই সামান্য নির্দেশ আমাকে দিয়েছে অনেক বিশেষ। এই টুকুই ছিল আমার সফলতার মূল, চলেছিল ঠিক কোনদিন হয়নি ভুল। কিন্তু চাকুরী জীবন শেষে সকল কেমন শেষ হয়ে গেছে। কি বিচিত্র এই জীবন, যৌবন ছিল যখন ভাবিনি তখন। এখন ভাবছি বসে কোথায় হারিয়ে গেছে আগের জীবন। সেই সদা হাস্যময় স্বতস্ফূর্ত জীবন জানি সে আর ফিরে আসবেনা কখন। যে যায় সেকি আর ফিরে আসে নদীর জল বয়েজায় আর আসেনা ফিরে। সময় চলেযায় আর আসেনা ফিরে। মন থেকে যে যা...

565>50তম বিবাহ বার্ষিকী

  565>50তম বিবাহ বার্ষিকী আজ পাল বাবুর ( দেবব্রত পাল) সূবর্ণ জয়ন্তী বিবাহ বার্ষিকী। 50তম বিবাহ বার্ষিকী                 <---©-আদ্যনাথ---> তোমরা বরেণ্য বরিষ্ঠ, উদার চীর তরুণ শ্রেষ্ঠ। ফিরে আসুক বারে বার এমন ক্ষণ আনন্দের এই মহাক্ষণ। তোমাদের বিবাহ বার্ষিকী ক্ষণে, সূবর্ণ জয়ন্তীর শুভ দিনে। আমরা খুশিতে মাতি সব জনে, আনন্দের এই মহাক্ষণে। তোমরা যুগলে পাড়িদিলে, 50 টি বৎসর উজান ঠেলে। ভালোবেসে দোহে আত্মবিশ্বাসে, একে অপরকে ভালোবেসে। ভালোবাসা  আর বিশ্বাসের হাত ধরে, মনের সকল সন্দেহ অবিশ্বাস দূর করে। ঈশ্বরে পুর্ন বিশ্বাস নিয়ে মনে, চলেছ জীবনের উজান টেনে। চলতে থাকুক এই চলা, দুটি হৃদয়ে মনের কথা বলা। জীবন তো সুখ দুখ নিয়ে চলে, ঈশ্বরের আশীর্বাদের বলে। আরও দীর্ঘ হোক তোমাদের জীবন, আত্মবিশ্বাস আর ভালোবাসার মিলন । তোমাদের দাম্পত্য হোক সুখের জীবন, ঈশ্বরের আশীর্বাদের এই সুন্দর জীবন। তোমাদের হৃদয়ে মমতা ভরে, চলো পথ নূতন করে। সুখে দুখেজীবন দীর্ঘ  পথ চলা, মাঝে শুধু ভালোবেসে একটু কথা বলা। দুটি মন চিরদি...

564>|| আজ নুতন খাতা ||M

564>|| আজ নুতন খাতা ||M                <-----©-আদ্যনাথ---> আজ তো শুরু নুতন খাতা তাইতো হল হালখাতা। পয়লা বৈশাখের নুতন পাওয়া দোকানে দোকানে মিঠাই খাওয়া। সাজবে দোকান নুতন করে ডাকবে সকলকে আদর করে। সন্ধ্যা হতেই দোকানে ভিড় প্যাকেটে প্যাকেটে সন্দেশ খির। শিশুরা সব বাবা মায়ের হাত ধরে দোকানের পর দোকান ঘোরে। দোকানে দোকানে মিঠাই খাওয়া, বৎসরে তো এই একদিনই পাওয়া। এমন দিনটি যায়কি ভোলা দোকানে গেলেই ঠাণ্ডা কোলা। বাবা মায়ের চাই নুতন কেলেন্ডার শিশুরা খোঁজে  মিষ্টির ভান্ডার। কোন দোকান কেমন খাওয়াবে কোন দোকান কেমন আদর করবে। বৎসরে একদিন বলে কথা দোকানে খুলতে হবে নুতন খাতা। পাঁচ, দশ পঞ্চাশ শ যাই দেবে, দোকানদার  নুতন খাতায় লিখে নেবে। রইলো জমা তোমার নামে বৎসর ভর থাকে নামে নামে। নাম লেখালেখাই পাবে মিঠাই, হরেক দোকানে হরেক মিঠাই। এরই নাম নুতন খাতা খেয়ে যাও গুটিয়ে হাতা। লজ্জার কিছু নাইরে ভাই পয়লা বৈশাখের রেওয়াজ এটাই। সন্ধ্যে হলেই মিঠাই আর সরবতের ধুম খেয়ে খেয়ে পেটটি হবে ঢুম। রাত্রে যদি নাহয় ঘুম ভালো, সোবার আগে একট...

563>|| বাঙালির ছানার মিষ্টি ||M

  563>|| বাঙালির ছানার মিষ্টি ||M                   <-----©-আদ্যনাথ---> বাঙালির প্রিয় ছানার মিষ্টি, নানা রূপে নানাগন্ধে সৃষ্ট। এই পলাবৈশাখ মিষ্টি খাবার ধুম, যে খায় সেই জানে এর গুনাগুন। পলাবৈশাখ দোকানে নুতন খাতা, পেটেতে চলে মিষ্টির যাঁতা। খবার সময় দিওনা অন্য দিকে দৃষ্টি, খেয়েজাও পেট পুরে মিষ্টি। খাও গরম রসগোল্লা, পেটে থাকবেনা জীবাণুও পিল্লা। গরম ছানার জিলিপির সাথে, একটু গরম দুধের সাথে। খেলে মিষ্টি হাসবে মিষ্টি, তবেই হবে নব সৃষ্টি। মিষ্টি খাবেন থাকবেন সুখে, রসগোল্লার স্বাদ থাকবে মুখে।           <-----©-আদ্যনাথ--->              15/04/2019::03:43:12am

562>|| আসলে মাথাটা

  আসলে মাথাটা রয়ে গেছে সেই মিশরে মন আর শরীরটা কলকাতায়। তাই সব গোলমাল । 14 আর 15 র ফারাক বোঝা ভার। এটাই দোষ যে আমার। তাই ক্ষমা চাই বার বার। সবথেকে বর কথা দিনটা এসে গেলেই হয়েজায় পার। তাই আসার আগেই জানাই শুভেচ্ছা আমার।