Posts

Showing posts from January, 2019

556>||- ধৈর্যের গুরুত্ব সর্বত্র ||

 556>||  ধৈর্যের গুরুত্ব সর্বত্র ||                        <--আদ্যনাথ--> ধৈর্য এক অমোঘ সত্য, ধৈর্যের গুরুত্ব সর্বত্র। ধৈর্যে জুড়তে পারে ফাটা কপাল, অধৈর্যে বেসামাল নৌকার হাল। ধৈর্যের প্রতি বিশ্বাস, জীবনের আশ্বাস। ধৈর্য এক তপস্যা, মিটেযায় সকল সমস্যা। ধৈর্যের সাথে সময়ের মূল্য, জীবনে লাভ হয় নিশ্চিত সাফল্য। শক্তির দ্বারা যে কার্য, সম্ভব মনে হয়, ধৈর্যই সেখানে দিতে পারে নিশ্চিত জয়। ধৈর্যশীলতাই সফলতার মূল, ধৈর্য শক্তি মানুষের শ্রেষ্ঠ গুন।  ধৈর্যে কঠিন কার্য সহজ হয়ে যায়, ধৈর্যই বিপদে আশা করার শক্তি যোগায়। ধৈর্য গুণ যদি থাকে প্রবল, জীবন অবশ্যই হবে সফল। আত্মবিশ্বাস ও সাহস নাই যেখানে, ধৈর্যগুণ, থাকতে পারেনা সেখানে। ধৈর্যের পথ হয়তো কঠিন শক্ত, কিন্তু ধৈর্যের ফল অতিব সুন্দর, মিষ্টি। ধৈর্যই প্রকৃতির বিশেষ গোপন শক্তি, ধৈর্য রূপ বৃক্ষের ফলেই সৃজত এই সৃষ্টি। ঝড়,ঝঞ্ঝা জীবনের অমোঘ সত্য, ধৈর্যেই  সকল অশুভ নিয়ন্ত্রণের মন্ত্র। ধৈর্য রূপ যোদ্ধা সর্বত্র শ্রেষ্ঠ শক্তিমান, বিজয় নিশ্চিত,যদি নাথাকে অহংকার। বিশ্বাস আর ধৈর্য এক সা...

555> ||- জিবন এক রঙ্গশালা -||

  555>||-জীবন এক রঙ্গশালা ||                <--©➽-আদ্যনাথ---> শুরু হবে যাত্রা পালা, জীবনের যাত্রা পালা। নানান সাজে সেজেছে রঙ্গশালা, একে একে  যাওয়া আসার পালা। যাত্রার শেষ অঙ্কের একটু আগে, ভাবনা কে উঠবে মঞ্চে কার আগে। বোঝা গেল, পালা টাই ভুলে ভরা, কি আর করা,উচিত তো শেষ করা। নায়কের হয়েছে যত জ্বালা, কথাছিল রামায়ণ গাইতে হবে, শেষে গাইতে হল অভিমন্যু বধের পালা, উপায়কি বাবুদের ইচ্ছাতেই গাওয়া পালা। নির্দেশকের নির্দেশ মেনেই তো চলে পালা, তা ভিন্ন অসম্ভব চলা যাত্রা পালা? সকলকে গাইতেই হবে যার যেমন, ভুলে গেলেই দেবে গাট্টা ও তেমন। শুরু হলো আবোল তাবোল গাওয়া, শেষ তো করতেই হবে এবারের পালা। এপালায় নাই ভাবনার অধিকার, নায়ক,গায়ক,রাজা সবই একাকার। উইন্সের পেছন থেকে দিচ্ছে ঠেলা, নাই কোন উপায় চলছে যাত্রা পালা। গাইতেই হবে যেমন দেবে পাঠ, নির্দেশক জানাবে কে করবে কোন পাঠ। জীবনের রঙ্গশালায় অদ্ভুত সাজ, কে সাজবে রাজার উজীরের সাজ। চলছে চলবে রাজা গজার পালা, বিবেকের চিৎকারে লাগলো কানে তালা। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->      【--anrc--26/01/...

554> ||- আমি একলা যাত্রী -||

 554> ||- আমি একলা যাত্রী -||               <-----©-আদ্যনাথ---> ভূবন মন মোহিনী, ত্রিভুবন দায়িনী, মোচন করো সকল বন্ধন আমার, মোচন করো সকল বেদনা, মোচন করো দুরকরো হে। দূর করো সকল ভয় ভাবনা, আমার সকল দুঃখ যন্ত্রণা, দূর করো সকল গরল গ্লানি আমার, দুরকরো হে। আমি চির নির্বোধ অজ্ঞানি যে, জানিনা কেমনে হইবে জ্ঞান, বুঝেও বুঝিনা তোমার করুণা, আমারে তরাও হে। না পাইলে তোমার প্রেরণা। কেমনে হইবে জ্ঞান। আমি চির কলঙ্কিত অজ্ঞান, আমারে দেও জ্ঞান হে। ঘূচাও আমার সকল যন্ত্রণা, ঘুচাও মনের সকল বেদনা, ঘুচাও আমার মনের কালিমা, আমারে দেও জ্ঞান হে। তোমার পদতলে একান্ত প্রার্থনা। সকাল সন্ধ্যা তোমার আরতি, চঞ্চল মনে নাই শান্তি, আমারে দেও জ্ঞান হে। অকুল পাথারে একলা যাত্রী, কেবল মনে মনে ভয় গণী, একুল অকূল দুইকুল ভাসে বুঝি, আমারে তরাও হে। আমি কলঙ্কিত এক ভন্ড পথহারা, ত্যাজিল সকলে সাথে ছিলো যারা। পথ ভ্রষ্ট দিক ভ্রষ্ট খুঁজি কান্ডারী, অকুল পাথারে আমি এক যাত্রী। আমারে তরাও হে। আমি দিশেহারা উদ্ভ্রান্ত পথ হারা, কেউ দেখেনা ফিরে সাথী ছিল যারা...

553>||-সেইদিন তো আসবেনা ফিরে -||

553>||-সেইদিন তো আসবেনা ফিরে -||                        <-----©-আদ্যনাথ---> সেইদিন তো আর আসবেনা ফিরে, সেই ছোট বেলার দিন গুলি, রয়েগেছে কিছু স্মৃতির ঘিরে। ছোট বেলার সেইদিন, পাঠশালার সেই দিন। সকালে মা এর শাসনে পড়তে বসা, বাটি ভরা দুধ মুড়ি নিয়ে পড়তে বসা। সব ভাই বোন একসাথে দুধ মুড়ি খাওয়া, মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে আনন্দে খাওয়া। আমাদের সকল হাসি কান্না আনন্দ বেদনা সকলি মাকে ঘিরে, সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।  সেই চিৎকার করে পড়া করা, মা রান্নাঘর থেকে শুনছেন পড়া। কেউ থামলেই মায়ের লাঠির ঘা, মা ঠিক বুঝতেন কার পড়া কোনটা। বাবার অফিস যাবার পরেই স্নানের পালা, সে স্নান তো নয় পুকুরে জল কেলির পালা। তারপরেই মা তৈরি খাবার নিয়ে, গরম গরম ডাল ভাত জ্যান্ত মাছের ঝোল, আর তরকারি খাওয়া নিয়েই গন্ডগোল। কেউ কিছু ফেললেই মায়ের লাঠি পিঠে, আজ মনেহয় সেই লাঠিও ছিলো মিঠে। সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।    শেষ হতেই খাবারের পেলা, পাঠশালা যাবার তাড়া। একসাথে সকলের নামতা পড়া, কে কার আগে বলবে পড়া। গ্রামের সেই মাটির প...

552>||- পথের বেদনা-||

  552>||- পথের বেদনা-||          <---©-আদ্যনাথ---> পথ বলে আমি আছি তাই পথিক তুমি চলছ। পথিক বলে আমি চলি তাই তোমার অস্তিত্ব আছে। পথ বলে আমিকি কেবল অবহেলার পাত্র। হে  দুরন্ত পথিক তুমিকি পথ চেন? আজ এই পথে তুমি নও একলা, আমি জানি তুমি মুসাফির। ওই দেখ চলছে ভবফকির। আমি যে পথ তাই সকলকে জানি। শুধু আমায় করলে অবহেলা বারে হৃদয় বেদনা। পথিক তুমি চলছো চলো আমি আছি, আমি তো বকু পেতেই আছি। তোমার চলার জন্যই আছি। তুমি হাটো গট মট করে, আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু তোমাদের নির্মমতায়, কিম্বা বিশাল ওই রোলারের পেষণ। আমার শ্রী ফেরাতে যেন তোমার ক্রোধাগ্ধ তপ্ত পিচে পুড়ে ঝলসে যাওয়া  দহন। হয়তো কখনো আমার বুক চিড়ে, কেবল বা ইলেকট্রিক তার। কেউ একটুও করেনা মায়া, ভাবে আমি জড়, বলার কিছুই নাই আমার। আমি পথ তাই এত  অবহেলা আমার। হে পথিক আমি কিছু বলবো, কে আমার কথা শুনবে বলো। কতো পথিক চলে যায়, কেউ ভুলকরে এদিক ওদিক যায়। চলার পথে হোচট না খেলে, কেউ কি তাকায় আমার দিকে। কতো পথিকের পদধূলি, কতো জানা অজানা কাহিনী গুলি। কতো ক্লান্ত পথিক...

551>||- বিবেক কোথায় -||

 551>||- বিবেক কোথায় -||                   <------©-আদ্যনাথ---> আছে মানুষ, আছে বিদ্যা,বুদ্ধি,শিক্ষা, দিন প্রতিদিন কত পরীক্ষা। মানুষের বাড়ন্ত বিদ্যা,বুদ্ধির সমীক্ষা। কিন্তু শিক্ষিত বিবেক কোথায়? কেন এতো হুংকার, কিসের অহঙ্কার। এতো বাক বিতন্ডার কি দরকার, কি আছে নিজের তোমার? ভাবতো একবার কোথায় কীকরে নেবে শ্বাস, প্রতিদিন কতো আশ্বাস। তথাপি কে মানে আর, জ্বলছে পাস্টিক,জ্বলছে ভাগার, স্থান পাবে কোথায় একটু থাকার। রোজ এত অথিতি আপ্যায়ন, থার্মকলের অযাচিত প্রয়োজন।  কিন্তু শিক্ষিত বিবেক কোথায়? নিজে না শিখতে চাইলে, কে কেন কাকে শেখাবে। শিক্ষিত মানুষের আছে কি অভাব? শিক্ষা কি অহঙ্কারের স্বভাব, নাকি প্রকৃত জ্ঞানের অভাব। শিক্ষা শিখিয়েছে বোঝা বইতে, স্কুলের ব্যাগের বোঝা বইতে। তাই মুশকিল আসন হবে ভবিষ্যতে, পিঠে অক্সিজেনের সিলিন্ডার বইতে। কিন্তু শিক্ষিত বিবেক কোথায়? সম্মুখে ভয়ঙ্কর দিনের অপেক্ষা, প্রকৃতি বপর্জয়ের প্রতীক্ষা। আমাদের সময় কোথায়? আমরা প্রগতির পথে অনেক এগিয়ে, আগামী ভাবনায় কি হবে মন দিয়ে।...

550>|| অল্প করে কিছু বলা ||

550>অল্প করে কিছু বলা 1>জীবন নদী সম বহে আপন বেগে, শুরুতে ক্ষীণ উৎসাহ তাহে। মাঝে পেলে ধারা উৎসাহ, ক্রম বর্ধমান প্রবাহ। প্রবাহের অভাবে, নদী মাঝপথে যায় শুকায়ে। জল হীন শুষ্ক নদীরে কে মনেরাখে। নদী আর জীবন সুন্দর ততোক্ষণ, প্রবাহের টান বর্তমান যতক্ষণ।           <--------©-আদ্যনাথ--->                   18/01/2019,                     05:16:32am 2>মৃত্যুকে কেন করো ভয় এতো, মৃত্য সেতো 'মুহূর্তের' খেল মাত্র। মুস্কিল তো এই 'জীবন' যে চলবে জানিনা কতক্ষন। সুন্দর উক্তি ওই মৃতের, মৃত লাশ টি বলছে নীরবে--- দেখো সকলকে---- ওরা কতনা করছে ক্রন্দন, এই লাশের প্রতি দুঃখ জানাতে। এক্ষুনি যদি উঠে বসি আমি, এরাই বাঁচতেই দেবেনা আমাকে। ||----ANRC---28/12/2017----------------|| ||=========================||

549>||- ফুল কথা বলে-||

   549>||- ফুল কথা বলে-||            <-----©-আদ্যনাথ---> ফুলেরা কথা বলে, ফুলের সৌরভ মনকে মতায়। নানা রঙের নানা ফুলে মন হারায়। ফুলেরও আছে রূপ রস যৌবন, ফুলের সৌরভে সুবাসিত ভূবন। হৃদয় আছে যার শুনতে পারে, চোখ আছে যার দেখতেও পারে, ফুল মনের অনুভূতিকে পুলকিত করে। ফুলবাগানে ফুলের বাহার, সেই বোঝে,মন আছে যার। ফুল বিকশিত তার শোভায়, আনন্দে ভ্রমর কে লোভায়। ফুলের যৌবন হরষে মাতায়, মৌমাছি ফুলের মধুতে লোভায়। ফুল দলে করে খেলা, ফুলের আদরে ফুলেই কাটে বেলা। ফুলের যৌবনের গন্ধে, প্রকৃতি করে খেলা সকাল সন্ধ্যে। বাতাস বারে বারে ছুঁয়ে যায়, ফুলের শিহরন জাগায়। বৃষ্টি ধুয়ে দেয় সকল মনিলতা, সূর্য শুখিয়ে দেয় আদ্রতা। চাঁদ রাঙিয়ে দের জোছনার আলোতে, ফুলের শোভা বারে চাঁদের আলোতে। ফুল পূর্ণ যৌবনে বিকশিত মনে, মিলন বংশ বিস্তারের তরে। পড়াগ মিলনের পরে ঝড়ে পড়ে। ফুলেরা কথা বলে, ফুলে ফুলে ছোঁয়া ছুঁই,আনন্দ স্পর্শে। মেঘেদের আলো ছায়া নিয়ে, গগণে বিধু,গৃহে নব বধূ, প্রথম যৌবনের উন্মত্ত কেলি, বিধুনিত নিধুবন, আনন্দের শিহরণ। ফুল আনন্দে ...

548>||- লালু কালু সারমেয় দুটি -||

 548>||- লালু কালু সারমেয় দুটি -||                          <-----©-আদ্যনাথ---> বড়ো স্বাদ ছিল মনে,যে আছে অন্তরে, তাঁরে একবার দেখিবার তরে। নিতান্ত অহঙ্কারের বসে, কষ্টার্জিত সকল ত্যাগীয়া ক্রোধে। একুল ওকূল দুইকূল ভাসাইয়া , নিজদোষে শূন্যেতায় হারাইয়া। ক্রোধান্বিত মনে যৌবনের অহঙ্কারে, ভুল করে চিনেছিলাম নিজেরে। চাকুরীর খোঁজে পিতৃ গ্রহ ছাড়িয়া, ছত্রিশ গড়ের প্রত্যন্ত গ্রামের হাঁটিয়া। তারপরে ভাটিন্ডার গভীর জঙ্গলে, অশান্ত মনের বেদনার নিবারণ ছলে। যত দিন যায় সকলি হারায়, নিরাশায় ভরে মন অকূলে হারায়। বেদনা গুলি একসুরে বাজে, মন যেন হৃদয় কে খোঁজে। দিনান্তে একমুঠো কোনোমতে জোটে তিন ভাগ করে সামান্যই জোটে। হয়না কারুর উদর পূর্তি,তথাপি, কোনমতে দিন যাপনেই  ফুর্তি। সাথী ছিল দুটি লালু আর কালু টি , অতি শীর্ণকায় সারমেয় দুটি। কোথা হতে এসে জুটেছিলো দুটি, সারাটাদিন করে মাটিতে লুটোপুটি। নিতান্ত অসহায় প্রভুভক্ত পশু দুটি, কিঞ্চিত অদ্ভূত ছিল ও...

547>||-এ তুমি কেমন তুমি -||

547>||-এ তুমি কেমন তুমি -||           <------©-আদ্যনাথ---> এ তুমি কেমন তুমি, সাগর পাড়ে একলা ঘুরে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, একতারাতে সুর তুলে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, নিজের সুরে হৃদয় জুড়ে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, মন মাতিয়ে সকল তীর্থে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, সকাল সন্ধ্যা একলা ঘুরে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, অজানা পথে ঘুরে ঘুরে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, নিজেরে ভুলে কেমন করে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, নিরালায় বসে চোখ ভাসিয়ে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, উদাসী হওয়ায় নেচে নেচে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, ঝড়ের রাতে পাগল হয়ে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুম, পাগল হয়ে মন মাতিয়ে, একলা মনে গাইছ গান। এ তুমি কেমন তুমি, শান্ত মনে গুন গুনিয়ে, একলা মনে গাইছ গান।          <--©--●অনাথ●--->      【--anrc15/01/2019-】      【=রাত্রি:03:20:12=】 【=তে...

546>||-তুমি কি বলবে বলো-||

546>||-তুমি কি বলবে বলো-||        <-------©-আদ্যনাথ---> একটু কিছু ভাবতে গেলেই ভাবনা গুলি গুলিয়ে যায়। ওদিকে ভাবনা চেঁচায়, রাত দিন কি সব ছাই ভস্ম লেখো । আমাকে নিয়েও তো একটু লিখতে পারো। তুমি কি বলবে বলো। কি আর লিখবো বল তোকে  নিয়ে, ভাবছি তো  রাত দিন তোকে নিয়ে। এসেছিলো সেই ছেলেটি আবার, অনেক করে বললো বার বার। ওর মায়ের ভীষণ পছন্দ তোকে, তাই চায় বিয়ে করতে তোকে। ছেলেটি সব দিক থেকেই ভালো, শিক্ষিত ,মার্জিত ,ভদ্র চাকুরী ও ভালো, আর কি চাই বলো। ও বিদেশ যাবার আগেই করবে বিয়ে। তুমি কি বলবে বলো। তার মানে নয় বিয়ে, ওর মায়ের আয়া কাম কেয়ার টেকার, তাও  ফ্রি অফ কষ্ট, আইডিয়াটা ভালো যথেষ্ট। ওতো মায়ের কেস্টো। আমার ইচ্ছা নাই এমন মা ও ছেলের, এমন আয়া কাম কেয়ার টেকারের । তুমি কি বলবে বলো। নারে না অমন ভাবছিস কেন ছেলেটি সব দিক থেকেই ভালো। হ্যাঁ সবদিক থেকেই ভালো, তাইতো বিয়ে করেই চায় পালতে । বউ সামলাবার মুরোদটি নাই, তাই ভেজা বেড়াল হয়ে চায় পালতে । তুমি কি বলবে বলো। ঠিক ওই নীলিমার মতন। বারো বৎসর ওদের হয়েছে  বিয়ে, দীনেশ নীলিম...

545>|| আবার আসিলাম ফিরে ||M

545>|| আবার আসিলাম ফিরে ||M                  <--©-আদ্যনাথ---> হে প্রিয়ে আবার আসিলাম ফিরে, আজ দাড়ায়ে তোমার দুয়ারে, এসো প্রিয়ে এসো দেও মোড়ে, তোমার প্রেম রস উজাড় করে। আজ দাড়ায়ে তোমার দুয়ারে, বহুদূর হতে আসিলাম ছুটে। মনের সকল গরল বিসর্জন দিয়ে, কেবল তোমার আহ্বানে। ওগো প্রিয়া মোর, ত্বরা করি খোলো খোল দোর। আর বিলম্ব সহেনা মোর, আমি ক্লান্ত একবার খোলো দোর। এসেছি আজ বহুদিন পরে, একটু জিরাবো তোমার আঙ্গণে। হে প্রিয়ে  কিছুই চাইনা আমার, মেটাব সকল জাচনা তোমার। দিতে চাই নিজেরে উজাড় করে, তাই আসিলাম আজি তোমার দুয়ারে। আজ ক্লান্ত আমি মুক্ত নির্মল, জীর্ণ শরীরে নাই কোন বল। চাই শুধু একটু নিরালা একটু হৃদয়ের কথা বলা। একটু শান্তির খোঁজে, ঘুরেছি অাপন মনে বন প্রান্তরে। ঘুরে ফিরিলাম দেশ হতে দেশান্তর, তবুও তোমার লাগি কাঁদিছে অন্তর। আজ আমি ক্লান্ত শ্রান্ত। এই দ্রাক্ষা রস তাও তিক্ত আজি, দিতে পারেনা আমারে শান্তি। তাইতো আবার আসিলাম ফিরে বহুদূর হতে তোমার দুয়ারে ফিরে। আজ বার বার মনে পরে তোমাকে তাইতো আসিলাম ছ...

544>||- কেবল তোমার জন্য -||/D

544>||- কেবল তোমার জন্য -||             <-----©-আদ্যনাথ---> একটা কবিতা লিখলাম কেবল তোমার জন্য, একটু স্নেহ বন্ধন তাও কেবল তোমার জন্য, তোমার সাথে সেই প্রথম দেখা, তুমি শুনিয়ে ছিলে কবিতা। আজও মনে আছে সেই কথা, বলবো গোপনে কিছু কথা। কেবল তোমার জন্য। আজও বলবেনা কোন কথা, আজও শুধু চোখে চোখ দেখা কেন বলবেনা কোন কথা, কেন বারাও আমার অস্থিরতা। হোক না কবিতা কথোপকথনে, কেন লুকিয়ে রাখো গোপনে। কি দোষ একটু আলাপনে, এই শান্ত নিরালায় কিছুক্ষণে। কেবল তোমার জন্য। কথা হোক তোমার আমার মাঝে, এই প্রেম বন্ধন প্রিয় সন্ধ্যা সাঁঝে। দোহে বসে সোহাগের নদী বক্ষমাঝে, হোক না কিছু কথা আমাদের মাঝে। তুমি আজও রবে নীরবে, এহেন কূহেলিকার ছায়া ঘিরে। তোমার ভালোলাগা সেই নদী তটে, ওই ছিন্নমূল বটবৃক্ষ তলে। বসে আছি নিরালায় নিবিড় অপেক্ষা, কেবল তোমার জন্য।          <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-09/01/2019--】      【=সকাল:06:33:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 ============28L=============a

543>||- গান ভালোবাসি -||D

543>||- গান ভালোবাসি -||     <-----©-আদ্যনাথ---> আজ দিনের সূচনা হোল গান শুনে। প্রভাতের শান্ত মনের ভাবনা নিয়ে। দিনান্তে কিহবে সন্ধ্যার ক্ষণে, প্রাণ মন চঞ্চল রাত্রির আগমন ক্ষণে। ভাবনা যতই করি একান্তমনে, সকল কিছুই যায় এলো মেলো হয়ে। জানিনা গানের তাল লয় সুরের বাঁধন, গান তো সুর,তাল,লয়ের সাধ্য সাধন। গানের সুর,তাল,লয় হৃদয় দোলায়, গানের কথা মনকে গভীরে নিয়ে যায়। গানের আবেশ পরিবেশে প্রভাব বিছায়, গানের আবেগ সকলের মন ছুঁয়ে যায়। গানের এমন রস হতে আমি বঞ্চিত, কিছু কথা লিখতে সদা শঙ্কিত। গানের আসরে আমি সদা অবাঞ্ছিত, নিতান্ত ক্ষুদ্র জ্ঞান তাই সদা শঙ্কিত। গান শুনতে ভালোবাসি গভীর মনে, গান ভালোবাসি তার কথার বাঁধনে। গানের কথাগুলি গেঁথে যায় মনে, উদাস মনে কতো স্বপ্ন জাগে ক্ষণে। শ্রান্ত মনে একটু শান্তির খোঁজে, নিরালায় বসে ভাবি খোলা বাতায়নে। উদাসী মন চলে ভেসে ভেসে, নীল আকাশের কোলে ভেসে। জানি আমার কণ্ঠে জাগবেনা সুর, মনে মনেই বেঁধে যাবো স্বপ্নের সুর। কি করে বলি গান ভালোবাসি, হৃদয় দিয়ে যদি গাইতেই না পারি । তবুও বলবো গান ভালোবাসি, ভালো বাসি গানের...

542>||- কলকাতা একটু দেখা -| ( 1 to 5 )

542>/1>||- কলকাতা একটু দেখা -|| D 2>|| কলকাতা বই মেলা  ||2020 -->to fb 3> || আজকের কলকাতা || 4>||-আমাদের কলকাতা-|| 5>।।-শহর কলকাতা -।। ================================ 1>||- কোলকাতা একটু দেখা -||              <-----©-আদ্যনাথ---> শহর কোলকাতা ঘুরে দেখা, শহর এক মানুষে মানুষে ভরা। এ শহর কোলাহলে ভরা, এ শহর মানুষের হৃদয়ে ভরা। কোলকাতার মানুষের ভিড়, সকলেই ছুটছে কতো অস্থির। কোলকাতা নানান রংয়ে ভরা, কোলকাতা শুধুই আনন্দে ভরা। লিখে রাখতে পার ছড়া, নামগুলো খুঁজতে গেল, হবে ঘেমে নেয়ে সারা। কোলকাতা শুধুই ভুলে ভরা। ডালহৌসি তে পাবেনা ডাল, পাবে আফিস পাড়ার হাল চাল। ধর্মতলায় ধর্ম নয় সকলে কর্ম ব্যস্ত। কোলকাতা আনন্দে সর্বহারা। বালিগঞ্জে পাবেনা বালি, টালি গঞ্জে হয়না টালি, কালীঘাটে আছেন কালী। গড়িয়াহাটে রোজই হাট, ভুলেও কেউ দেয় না গড়াগড়ি, গড়িয়াহাট তবুও ভিড়ে ভরা, কোলকাতা আনন্দে হৃদয় ভরা। গড়িয়ায় পাবেনা গোড়ি, যতই করোনা ঘোড়া ঘুড়ি। চাইলে পেতে পার হাতে গড়া, শ্রেষ্ঠ জয়নগরের মোয়া। শীতের আমেজে সুস্বাদ...

541>||- রাত্রি জাগরণ -|| part (1)+(2)+(3)/D

541>||- রাত্রি জাগরণ -||                   part (1)+(2)+(3)             ||- রাত জাগরণে বুদ্ধির বিকাশ -||                      <------©-আদ্যনাথ--->              Part  ( 1 ) রাত জাগা, আমার কিছু উপলব্ধির কথা। রাত জাগা এক গভীর অভ্যাস, জোর করে এবং ব্যাধিতে রাত জাগলে, শরীর মন উভয়ের ক্ষতি এবং বারে ব্যাধি। মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর যখন রাত জাগতে চায়, তখন রাত জাগা সার্থক হয়।  যে মানুষ, রাত জেগে করে কাজ, সে খুঁজে পায় অধিক বুদ্ধিমত্তার রাজ। প্রত্যুষে শয্যাত্যাগ কর্মক্ষমতার উত্‍স, রাত জাগরণও তদ্রুপ ফলপ্রসূর উৎস। যে পাখি ভোরে জাগে, à বেশি পোকা ধরতে পারে, রাতজাগা পাখি, ঝাঁকে ঝাঁকে শিকার করতে পারে। ঘুম তো এক সহজ অভ্যাস, সৃষ্টির কাল থেকে আজ পর্যন্ত, রাতজাগা মানুষের প্রকৃতি ভিন্ন। রাত্রি কাল ঘুমের জন্য সত্য, রাত্রি জাগরনের অনেক মাহত্য। জীবনকে করতে উপভোগ, রাত্রি ই তো  উৎকৃষ্ট সময় যোগ। ...

540>||- মনের টানে -||

540>||- মনের টানে -||          <------©-আদ্যনাথ---> মনের দুয়ার খুলে ওরে দুরকে কাছে টেনে নে। যেজন আছে তোর হৃদয়ের কাছে তাহারে তুই ভুলিবি কি করে। একবার জারে রেখেছিস হৃদয়ে মনে করে আদর করে। তাহারে ভোলা সহজ নয়রে। ভুলতে চাইলেও বার বার সে নিভৃতে মনের কড়া নারে। কিছু যদি ভাবতেই হয়, ভাব এমন ভাবনা যাতে সকলের মনে আনন্দ দিতে। কিহবে মিথ্যা ছায়ার পেছনে ছুটে, ছায়াকে ধরা সম্ভব কি বটে। কতোই তো করলি চেষ্টা পথে ঘাটে। কাছের জন কাছেই থাকে, দূরের মানুষও কাছে আসে, একটু ভালোবাসা পেলে। কখনো স্বার্থের খোঁজে। আলো থাকলেই ছায়া থাকে, আঁধারে কে ছায়া খোঁজে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে, ঘরে ফেরার ব্যাকুলতা বাড়ে। আঁধারে ছায়ার অস্তিত্ব হারায়, বস্তু কেবল রয় নিজের কুলায়। মানুষ মানুষের জন্য মানুষ যখন মানুষকে করে পণ্য। মানুষ যদি ভলোবাসাকে করে অমান্য, মানুষ তখন অমানুষ রূপে হয় গণ্য। মানুষ দূরে কিম্বা কাছে, সকলি মনের কাছে। মনের প্রসার ব্যাপ্ত হলে, মন সকল মানুষ কে আপন করে।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc---------2018--...

539>||- প্রগতির ভাবনা -||31/12/2018--】

 539>||- প্রগতির ভাবনা -||31/12/2018--】        <------©-আদ্যনাথ---> আমরা প্রগতির অনেক এগিয়ে, ভাবনার পেছনে তাকিয়ে যাক না যাক কিছু হারিয়ে আমরা তো অনেক এগিয়ে। কোথাও কিছু না থাকলে আছি তো কাগজে কলমে নেহাত খবরের কাগজে রোজকার নানান খবরে। সকালের আমেজ চা এর কাপে, সাথে একটু বিস্কুট নোনতা এতেই খুশিতে ভরে মনটা সকালের বাজারের চিন্তা টা। ডিসেম্বরের সকাল ভালো কি লাগে বাজারের ব্যাগ নিয়ে হাতে। চারীদিগে পিকনিকের ধুম ডী জে আর মাইকের ধুন। প্রগতি তারা করে পেছনে চাড়িদিগে প্রগতির পোস্টার। কে তোয়াক্কা করে তার যার যা ইচ্ছা করাটাই বাহবার। পার্কে বাগানে গ্যাস পুড়িয়ে রান্না সন্ধ্যার পরে অস্তিত্বের ছাপ ফেলে ফেলে রেখে প্লাস্টিক,প্লেট, জঞ্জাল সকলেই নুতন বৎ সরের আনন্দে ধুম। আজ সেই 31শে ডিসেম্বর অপেক্ষা কোয়েক ঘন্টার। শুরু হয়েজাবে সভ্যতার তাণ্ডব, ডি জে আর নাচের তাণ্ডব। 1 জানুয়ারীর শুরুর দিনটি মোনেহয়  ফুরিয়ে গেলে এই দিনটি আর ফিরে আসবেনা এমনটি, তাই সব ভুলে খুলে করি নাচানাচি । প্রগতির ঠেলায় আমরা ভুলে নিজেকে হয়েছি বিদেশি ময়ূরের ...

538>||- আমি ভালোবাসা -|| ( 1+2 )

538>1>|| আমি ভালবাসা ||         2>|| আমি ভালবাসা || ====================== 1>|| আমি ভালবাসা ||  আমি ভালবাসা, কখনো আমি দুরাশা। কখনো প্রচণ্ড পিপাসা, কখনো হৃদয় বিদারী সর্বনাশা। হৃদয় নিয়ে করি তামাশা, তবুও মনে আছে অনেক আশা। আছে বুকভরা ভালবাসা, অলীক স্বপ্ন নয় ভালবাসা। আমি নাচি হংস মিথুন নৃত্য, কখনো হৃদয় বিদারী তান্ডব নৃত্য। আছি প্রকৃতির মাঝে ব্যাপৃত, হয়তো কখন কোন ভাবনায় সমাদৃত। জানিনা এ কেমন তোমার খেলা, মনেহয় চোরাবালির বালুকা বেলা। কিসুন্দর কত মধুর ছিল সেই ব্যবহার, অবারিত দ্বার, ছিলনা কোন অহংকার। আমি আজও আছি সেই ভালবাসা, আজও আছে মনে অনেক আশা। চাই শুধু আপন করে প্রকৃতিকে জানতে, তোমার হৃদয়ের আবেগে প্রসিক্ত হতে। বহুকাল চলেছি পথ প্রকৃতিকে জানতে, একলা ঘুড়েছি পৃথিবীর নানা প্রান্তে। প্রভাতের আলোতে পূর্ন যে হৃদয়,  মরীচিকার ভ্রমেই বুঝি জীবন হারায়। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> -------04/01/2021::01:20pm----- ========================= 2>||- আমি ভালোবাসা -||    .                <-------©-আদ্যন...

537||--2018কে বিদায় দিয়ে--||

537||--2018কে বিদায় দিয়ে--||            <------©-আদ্যনাথ---> পুরাতন বর্ষ 2018 কে বিদায় দিয়ে, ও নুতন বর্ষ 2019 কে করলাম বরণ। ভরপুর আনন্দে মাতোয়ারা সকলে, রাত্রি ঠিক 12 টায় সকলে মিলে। অবাদে চলেছে হই হুল্লোড় আনন্দ, বুঝিনাই কি ভালো কি মন্দ। শব্দ দূষণের পরোয়া নাকরে, মেতেছি নুতন বর্ষ বরণে। পুরাতন কে জানিয়ে বিদায়, নুতন কে স্বাগত মনের কোঠায়। আজ2018 বর্ষ  হোল স্মৃতি, নুতন কে নিয়েই চলবে মাতা মাতি। থাক পুরাতন, রয়ে যাক স্মৃতির কোটায়, নুতন 2019 হোক সুন্দর সকলের হৃদয়। আজ যে পুরাতন, একদিন ছিল আদরের, এসেছে নুতন,করোনা পুরাতনেরে অনাদর। শীঘ্রই সেও হবে পুরাতন,সময়ের ব্যবধানে, বর্তমানও হবে অতীত নিয়মের টানে। অতীত,বর্তমান,ভবিষ্যত, সময়ের খেলা, সময়কে যেন না করি অবহেলা। এর সাথেই গ্রহণ করুন আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা। পূর্ণ হোক আপনার সকল মনের শুভ ইচ্ছা।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-01/01/2019--】      【=দুপুর:02:08:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 ========================

536>||- আজকের মেনুর ফিরিস্তি -||

536>||- আজকের মেনুর ফিরিস্তি -||       <-----©-আদ্যনাথ---> সে ছিলাম আমি ওখানে, যায়গাটায় বোলেনি আগে। গিয়েছিলাম বাওফিনে, হোমো কিনের উত্তরে। আজব সে দেশ তাজা জ্যান্ত আইস্ক্রিমের দেশ। খেয়ে ভীষণ মজা,তাজা তাজা, হাজার রকম মেনু পাবে হেথা। কেন্নোর জিলিপি আর গাধার লেজের রোস্ট। খেয়েছ কি উকুনের পাতুরি? দাঁতে চেবালেই ফুর ফুরি, ফটাফট ফাটবে উকুন গুলি। এমন মজার খাবার পাবে গেলে খুংছুরি। সেথায় গিয়ে আনলাম কিনে গুনে গুনে, আরশোলা আর উইপোকা। অনেক বাজার ঘুরে তবে, কিনলাম গোবরে পোকার ডিম। জোক গুলির দাম বেশি, তাই কিনলাম উচুঙ্গার ডিম। রান্নাটা শিখেছিলাম বটে, ছো কং এতে গিয়ে। করেছিলাম রান্না কম্পিটিশনে। সবাই খেলো পেটটিপুরে, সকালে আর দুপুরে। নামটি হলো বেজায় আমার, পেয়েছিলাম প্রথম পুরষ্কার। পরে জানলাম বাঙালীরাও খেয়েছিল চেটে পুটে । হজমি বড়ি ছিলো তাজা গোবরের আস্ত ঘুটে, তাতে শুকরের গু মিশিয়ে। এটাই হজোমের আসোল ক্লু। যাতে না হয় ফ্লু, খিয়ে নিতে পার কিছু জ্যান্ত জোকের ঘিলু। শুনতে কি চাও সেই রান্নার ফিরিস্তি, শুনলে নাকের জল মাথায় মুছবে। চোখের জলে...