553>||-সেইদিন তো আসবেনা ফিরে -||
553>||-সেইদিন তো আসবেনা ফিরে -||
<-----©-আদ্যনাথ--->
সেইদিন তো আর আসবেনা ফিরে,
সেই ছোট বেলার দিন গুলি,
রয়েগেছে কিছু স্মৃতির ঘিরে।
ছোট বেলার সেইদিন,
পাঠশালার সেই দিন।
সকালে মা এর শাসনে পড়তে বসা,
বাটি ভরা দুধ মুড়ি নিয়ে পড়তে বসা।
সব ভাই বোন একসাথে দুধ মুড়ি খাওয়া,
মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে আনন্দে খাওয়া।
আমাদের সকল হাসি কান্না আনন্দ বেদনা
সকলি মাকে ঘিরে,
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
সেই চিৎকার করে পড়া করা,
মা রান্নাঘর থেকে শুনছেন পড়া।
কেউ থামলেই মায়ের লাঠির ঘা,
মা ঠিক বুঝতেন কার পড়া কোনটা।
বাবার অফিস যাবার পরেই স্নানের পালা,
সে স্নান তো নয় পুকুরে জল কেলির পালা।
তারপরেই মা তৈরি খাবার নিয়ে,
গরম গরম ডাল ভাত জ্যান্ত মাছের ঝোল,
আর তরকারি খাওয়া নিয়েই গন্ডগোল।
কেউ কিছু ফেললেই মায়ের লাঠি পিঠে,
আজ মনেহয় সেই লাঠিও ছিলো মিঠে।
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
শেষ হতেই খাবারের পেলা,
পাঠশালা যাবার তাড়া।
একসাথে সকলের নামতা পড়া,
কে কার আগে বলবে পড়া।
গ্রামের সেই মাটির পথ,
বর্ষায় হাঠু জল কাদার পথ।
বৃষ্টির জলে ভেজে মাটির মেঠো গন্ধ,
আজও ভুলতে পারিনা সেই গন্ধ।
আজ বৃষ্টিতে শহরের ভেবসা গন্ধে,
যখন নাক সিটকাই তখন মনে পড়ে
সেইদিনের মাটির সেই মিঠে গন্ধ।
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
আমাদের গ্রাম ছিলো সবুজে ভরা,
পুকুর গুলি ছিলো নানান মাছে ভরা।
নানান রকমের গাছে গাছে গ্রাম ভরা,
আম,জাম,লিচু,পেয়ারা, কলা।
খেলার জন্য মাঠের ছিলনা অন্ত,
আমাদের খেলা চলতো সন্ধ্যে পর্যন্ত।
আমাদের সেই দিন ছিলনা ফুটবল,
মায়ের পুরনো শাড়ি জড়িয়ে তৈরি বল,
অথবা ওই বাতাবি লেবুই ফুটবল।
পায়ের এনক্লেট রূপে পাড় জড়িয়ে খেলা।
সেই জল কাদায় ফুটবল খেলা,
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
খেলাশেষে লাফিয়ে পুকুরে পড়া,
বরোড়া লাঠীনিয়ে করতেন তাড়া।
চলতো সন্ধ্যার স্নান সেকি দুরন্ত,
মা লাঠি নিয়ে না আসা পর্যন্ত ।
পুকুরের জল আর থাকতোনা জল,
কাদা মাটির গোলা ঘোলা জল ।
মা এর সাথে ঘরে ফিরতেও ছিলো মজা,
ঘরে ফিরে করাই বুট অথবা মুড়ি ভাজা।
পাড়ার কেউ মাকে নালিশ করে গেলে,
রাত্রে বাবার লাঠি শাসনের ছলে।
সেদিন ছিল ভয় বাবার লাঠি ঘিরে,
সেইদিন তো আর আসবেনা ফিরে।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-20/01/2019--】
【=সন্ধ্যা :07:08:22=】
【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=============60 L========
<-----©-আদ্যনাথ--->
সেইদিন তো আর আসবেনা ফিরে,
সেই ছোট বেলার দিন গুলি,
রয়েগেছে কিছু স্মৃতির ঘিরে।
ছোট বেলার সেইদিন,
পাঠশালার সেই দিন।
সকালে মা এর শাসনে পড়তে বসা,
বাটি ভরা দুধ মুড়ি নিয়ে পড়তে বসা।
সব ভাই বোন একসাথে দুধ মুড়ি খাওয়া,
মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে আনন্দে খাওয়া।
আমাদের সকল হাসি কান্না আনন্দ বেদনা
সকলি মাকে ঘিরে,
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
সেই চিৎকার করে পড়া করা,
মা রান্নাঘর থেকে শুনছেন পড়া।
কেউ থামলেই মায়ের লাঠির ঘা,
মা ঠিক বুঝতেন কার পড়া কোনটা।
বাবার অফিস যাবার পরেই স্নানের পালা,
সে স্নান তো নয় পুকুরে জল কেলির পালা।
তারপরেই মা তৈরি খাবার নিয়ে,
গরম গরম ডাল ভাত জ্যান্ত মাছের ঝোল,
আর তরকারি খাওয়া নিয়েই গন্ডগোল।
কেউ কিছু ফেললেই মায়ের লাঠি পিঠে,
আজ মনেহয় সেই লাঠিও ছিলো মিঠে।
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
শেষ হতেই খাবারের পেলা,
পাঠশালা যাবার তাড়া।
একসাথে সকলের নামতা পড়া,
কে কার আগে বলবে পড়া।
গ্রামের সেই মাটির পথ,
বর্ষায় হাঠু জল কাদার পথ।
বৃষ্টির জলে ভেজে মাটির মেঠো গন্ধ,
আজও ভুলতে পারিনা সেই গন্ধ।
আজ বৃষ্টিতে শহরের ভেবসা গন্ধে,
যখন নাক সিটকাই তখন মনে পড়ে
সেইদিনের মাটির সেই মিঠে গন্ধ।
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
আমাদের গ্রাম ছিলো সবুজে ভরা,
পুকুর গুলি ছিলো নানান মাছে ভরা।
নানান রকমের গাছে গাছে গ্রাম ভরা,
আম,জাম,লিচু,পেয়ারা, কলা।
খেলার জন্য মাঠের ছিলনা অন্ত,
আমাদের খেলা চলতো সন্ধ্যে পর্যন্ত।
আমাদের সেই দিন ছিলনা ফুটবল,
মায়ের পুরনো শাড়ি জড়িয়ে তৈরি বল,
অথবা ওই বাতাবি লেবুই ফুটবল।
পায়ের এনক্লেট রূপে পাড় জড়িয়ে খেলা।
সেই জল কাদায় ফুটবল খেলা,
সেইদিন তো আসবেনা ফিরে।
খেলাশেষে লাফিয়ে পুকুরে পড়া,
বরোড়া লাঠীনিয়ে করতেন তাড়া।
চলতো সন্ধ্যার স্নান সেকি দুরন্ত,
মা লাঠি নিয়ে না আসা পর্যন্ত ।
পুকুরের জল আর থাকতোনা জল,
কাদা মাটির গোলা ঘোলা জল ।
মা এর সাথে ঘরে ফিরতেও ছিলো মজা,
ঘরে ফিরে করাই বুট অথবা মুড়ি ভাজা।
পাড়ার কেউ মাকে নালিশ করে গেলে,
রাত্রে বাবার লাঠি শাসনের ছলে।
সেদিন ছিল ভয় বাবার লাঠি ঘিরে,
সেইদিন তো আর আসবেনা ফিরে।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-20/01/2019--】
【=সন্ধ্যা :07:08:22=】
【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=============60 L========
Comments
Post a Comment