517> ||-পাগল খানা-||
517> ||-পাগল খানা-||
<---আদ্যনাথ--->( © )
আমাদের এই পৃথিবী খানা,
তিন পাগলের কারখানা।
বেশি বললে বলতেহবে,
এই ব্রহ্মাণ্ড খানা।
পাগলের শ্রেষ্ঠ পাগল,
ভোলা পাগল।
সমুদ্র মন্থনে যিনি,
সুরাসুরের গরল করে পান,
জ্ঞানশূন্য যায়বুঝি প্রাণ।
অস্থির চিত্তে উন্মাদ প্রায়,
অবশেষে পেলেন পরিত্রাণ।
মায়ের অমৃত স্তন করে পান,
হলেন নীলকন্ঠ ভগবান্।
আর এক পাগল আছে,
বিশ্বের চিন্তায় সমুদ্রের মাঝে।
শুয়ে অর্ধ নিদ্রায়,
মা লক্ষ্মী সদা ব্যাস্ত তাঁর পদ সেবায়।
কখনো আবার,প্রেমেই পাগল,
বাজিয়ে বাঁশরী,ব্যস্ত পরকিয়ায়।
আর এক পাগল বৃদ্ধ,।
সৃষ্টি রচাইতে অতি সিদ্ধ।
হাতে নিয়ে কমন্ডুল,রুদ্রাক্ষের মালা,
পদ্মাসনে বসে পদ্মফুলে জপে মালা।
সুযোগ পেলে খেলায় খেলায়,
যে ডাকে তাকেই বর দিয়ে দেয়।
তিন পাগলে আছেন মজায়,
বিপদ আসলেই পালিয়ে বেড়ায়।
ত্রাহিমাম, ত্রাহিমাম,করে দৌড়ে বেড়ায়,
"মা"এর কৃপায় তাঁরা আসন ফিরে পায়।
"মা" ধরেন অস্ত্র অসুর বিনাশের তরে,
একে একে সকল অসুর বধ করে।
তিন পাগলের একই অবস্থা,
"মা" এর কাছে ঠিক সায়েস্থা।
এই তিন পাগলে সৃষ্টি চালায়,
চেলা নারদ দৌড়ে বেড়ায়।
ঢেঁকির মাস্টার ঢেঁকি নিয়ে,
তিন ভুবনের ধান ভাঙ্গে।
চাটুকারিতে ওস্তাদ ভারী,
জানে অনেক কারিকুরি।
পাগলের সৃষ্টি জগৎ, মানুষ, সকল,।
মানুষ ও তাই নিতান্ত পাগল।
মানুষ ছাড়া বাকি জীব জগৎ,
কেউ করেনা চিন্তা কেমনে চলে জগৎ।
তাই মানুষ জাহির করে নিজের গুন,
করতে পারে মানুষকেই খুন।
অন্য জীব কে দিয়ে বলি,
মানুষ বলে পূণ্য করি।
পাগলামির মাত্রা আছে,
মুল্য নাই মানুষের কাছে।
এই মানুষ নাকি শ্রেষ্ঠ জিব,।
পাগলের কাছে সবই ঠিক।
পাগল,পাগল,পাগল,
পা লম্বা মাথা গোল।
এমন যদি হয় পাগল,
তবে ব্রহ্মাণ্ড ই গন্ডগোল।
এই পৃথিবী গোল,মাথাও গোল,
ওতেই বোঝাই, বুদ্ধির ঘোল।
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরি বোল,
নামেই মেটে গন্ডগোল।
পা লম্বা মাথা গোল,
যত বুদ্ধি ততো গোল।
বুদ্ধির চোটে ভাঙলে আগল,
তবেই হবে পাগল।
অতি বুদ্ধিতে করলে উৎপাত,
সে হয় উন্মাদ।
উন্মাদের নাদ ভাল,
করতে চায় উৎখাত।
পৃথিবীতে যত দেখ আবিষ্কার,
সকলি উন্মাদের কারবার।
বিজ্ঞানীদের একটাই ব্যামো,
করে দেখতে চায় সকল যেন।
তাঁদের কেরামতির অনেক ক্ষেম,
বিজ্ঞান ছাড়া বোঝেনা প্রেম।
তাইবলি দুনিয়াটাই তো গোল,
মানুষের ও পা লম্বা মাথা গোল।
মানুষের আছে হুশ,
তাই চলে ফুস ফুস।
যার আছে হৃদপিন্ড,
সেই দেয় সকলকে দন্ড।
হৃদপিন্ডে থাকলে রক্ত,
দন্ড দেয় শক্ত।
মাথায় থাকলে ঘিলু,
তবেই চলবে সংসারের কলু।
আছে যার মাথা ব্যথা,
সেই বলে বেশি কথা।
হাত পায়ের কাজ কি,
হাত আছে লাঠি ধরো,
পা আছে বুট পরো।
বেঁচে থাকতে হলে হাল ধরো,
নিজেই যত্ন করে চাষ করো।
পেটে খেলে পিঠে সয়,
সবকিছুই সময়ে হয়।
নাই তাই খাচ্ছ ভালো,
থাকলে কোথায় পেতে বলো।
পাগল যখন মাথার ওপরে বসে,
ভয়কেন করিষ ওরে পৃথিবীতে এসে।
ভবা পাগলা বলে যায়,
যাবার ঘণ্টা বেজে যায়।
পারলে কিছু কর,
না হলে ভাগাড়ে গিয়ে মর।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--13/11/2018--】
【=সন্ধ্যা:05:08:22pm=】 【=তেঘরিয়া=কোলকাতা -59=】
=========💯========
<---আদ্যনাথ--->( © )
আমাদের এই পৃথিবী খানা,
তিন পাগলের কারখানা।
বেশি বললে বলতেহবে,
এই ব্রহ্মাণ্ড খানা।
পাগলের শ্রেষ্ঠ পাগল,
ভোলা পাগল।
সমুদ্র মন্থনে যিনি,
সুরাসুরের গরল করে পান,
জ্ঞানশূন্য যায়বুঝি প্রাণ।
অস্থির চিত্তে উন্মাদ প্রায়,
অবশেষে পেলেন পরিত্রাণ।
মায়ের অমৃত স্তন করে পান,
হলেন নীলকন্ঠ ভগবান্।
আর এক পাগল আছে,
বিশ্বের চিন্তায় সমুদ্রের মাঝে।
শুয়ে অর্ধ নিদ্রায়,
মা লক্ষ্মী সদা ব্যাস্ত তাঁর পদ সেবায়।
কখনো আবার,প্রেমেই পাগল,
বাজিয়ে বাঁশরী,ব্যস্ত পরকিয়ায়।
আর এক পাগল বৃদ্ধ,।
সৃষ্টি রচাইতে অতি সিদ্ধ।
হাতে নিয়ে কমন্ডুল,রুদ্রাক্ষের মালা,
পদ্মাসনে বসে পদ্মফুলে জপে মালা।
সুযোগ পেলে খেলায় খেলায়,
যে ডাকে তাকেই বর দিয়ে দেয়।
তিন পাগলে আছেন মজায়,
বিপদ আসলেই পালিয়ে বেড়ায়।
ত্রাহিমাম, ত্রাহিমাম,করে দৌড়ে বেড়ায়,
"মা"এর কৃপায় তাঁরা আসন ফিরে পায়।
"মা" ধরেন অস্ত্র অসুর বিনাশের তরে,
একে একে সকল অসুর বধ করে।
তিন পাগলের একই অবস্থা,
"মা" এর কাছে ঠিক সায়েস্থা।
এই তিন পাগলে সৃষ্টি চালায়,
চেলা নারদ দৌড়ে বেড়ায়।
ঢেঁকির মাস্টার ঢেঁকি নিয়ে,
তিন ভুবনের ধান ভাঙ্গে।
চাটুকারিতে ওস্তাদ ভারী,
জানে অনেক কারিকুরি।
পাগলের সৃষ্টি জগৎ, মানুষ, সকল,।
মানুষ ও তাই নিতান্ত পাগল।
মানুষ ছাড়া বাকি জীব জগৎ,
কেউ করেনা চিন্তা কেমনে চলে জগৎ।
তাই মানুষ জাহির করে নিজের গুন,
করতে পারে মানুষকেই খুন।
অন্য জীব কে দিয়ে বলি,
মানুষ বলে পূণ্য করি।
পাগলামির মাত্রা আছে,
মুল্য নাই মানুষের কাছে।
এই মানুষ নাকি শ্রেষ্ঠ জিব,।
পাগলের কাছে সবই ঠিক।
পাগল,পাগল,পাগল,
পা লম্বা মাথা গোল।
এমন যদি হয় পাগল,
তবে ব্রহ্মাণ্ড ই গন্ডগোল।
এই পৃথিবী গোল,মাথাও গোল,
ওতেই বোঝাই, বুদ্ধির ঘোল।
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরি বোল,
নামেই মেটে গন্ডগোল।
পা লম্বা মাথা গোল,
যত বুদ্ধি ততো গোল।
বুদ্ধির চোটে ভাঙলে আগল,
তবেই হবে পাগল।
অতি বুদ্ধিতে করলে উৎপাত,
সে হয় উন্মাদ।
উন্মাদের নাদ ভাল,
করতে চায় উৎখাত।
পৃথিবীতে যত দেখ আবিষ্কার,
সকলি উন্মাদের কারবার।
বিজ্ঞানীদের একটাই ব্যামো,
করে দেখতে চায় সকল যেন।
তাঁদের কেরামতির অনেক ক্ষেম,
বিজ্ঞান ছাড়া বোঝেনা প্রেম।
তাইবলি দুনিয়াটাই তো গোল,
মানুষের ও পা লম্বা মাথা গোল।
মানুষের আছে হুশ,
তাই চলে ফুস ফুস।
যার আছে হৃদপিন্ড,
সেই দেয় সকলকে দন্ড।
হৃদপিন্ডে থাকলে রক্ত,
দন্ড দেয় শক্ত।
মাথায় থাকলে ঘিলু,
তবেই চলবে সংসারের কলু।
আছে যার মাথা ব্যথা,
সেই বলে বেশি কথা।
হাত পায়ের কাজ কি,
হাত আছে লাঠি ধরো,
পা আছে বুট পরো।
বেঁচে থাকতে হলে হাল ধরো,
নিজেই যত্ন করে চাষ করো।
পেটে খেলে পিঠে সয়,
সবকিছুই সময়ে হয়।
নাই তাই খাচ্ছ ভালো,
থাকলে কোথায় পেতে বলো।
পাগল যখন মাথার ওপরে বসে,
ভয়কেন করিষ ওরে পৃথিবীতে এসে।
ভবা পাগলা বলে যায়,
যাবার ঘণ্টা বেজে যায়।
পারলে কিছু কর,
না হলে ভাগাড়ে গিয়ে মর।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--13/11/2018--】
【=সন্ধ্যা:05:08:22pm=】 【=তেঘরিয়া=কোলকাতা -59=】
=========💯========
Comments
Post a Comment