580>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।| | --গদ্য -কবিতা-----(1 to 4)
580>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।||--গদ্য -কবিতা---(1 to 4)
1>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
2)--বীর আলেক্সজান্ডার ও ক্লিওপেট্রার সপ্তমেরে
প্রথম সাক্ষাৎ।
3>|| ক্লিওপেট্রা ||--
4>।। ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
==================================
1>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
<-----©-আদ্যনাথ--->
ভ্রমণের ইচ্ছা পূরণে,
ভ্রমণের সাথে ইতিহাসকে জানতে,
প্রাচীন ইতিহাস ও মনের ইচ্ছা পূরণে,
দেখে এলাম মিসর নীল নদের তীরে।
পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি
গিজাপিরামিড আর মমি সকল ,
বালুকাময় বিস্তীর্ন অঞ্চল।
আছে খেজুরের ঝোপ, ক্যাকটাস,
নীল নদের দুইকূলে সবুজ খেত,
জঙ্গল আর দীর্ঘকায় ঘাস।
নীল নদের সচ্ছ শীতল জল ,
নিঃসন্দেহে মিসর বাসীর জীবন।
ইতিহাস ছড়িয়ে আছে নীল নদের দুই কূলে,
কত ইমারত, গল্প, শহর মিসর কে ঘিড়ে।
প্রাচীন ইতিহাসের ভাণ্ডার প্রোথিত,
মিসেরেব বালুর নিচে গভীরে।
বিজ্ঞানী গণ আজও অতিশয় ব্যস্ত,
প্রাচীন সেই ইতিহাসের খোঁজে।
কিছু কালজয়ী উপাখ্যান সমৃদ্ধ ইতিহাসে,
ক্লিওপেট্রা গনের শ্রেষ্ঠ ক্লিওপেট্রা সপ্তম কে খুঁজেছি ।
সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তমকে যতই জেনেছি,
বারবার বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি।
ইতিহাসে কেউ সমৃদ্ধ করেছেন তাকে
ভূয়সী প্রশংসা করে ,
তাঁর ,বুদ্ধিমত্তা ,বীরত্ব ও প্রেমের কাহিনীতে।
আবার বহুজনে করেছেন বিদ্রুপ,
কুরুচি পূর্ন যৌনতার প্রচার করে।
মহান লেখক হ্যালিওয়েল বলেছেন দৃঢ় কণ্ঠে ,
‘দ্য উইকেডেস্ট উইম্যান ইন দ্য হিস্ট্রি’।
প্রেম আর মৃত্যু এই দুয়ের সংমিশ্রণ,
এই নারী হয়েছেন কিংবদন্তীর কারণ।
ছিলেন জ্ঞান ও বিজ্ঞানে গরীয়সী,
প্রেম ভালোবাসায় উদ্দাম উন্মত্ত নারী।
কখনো নিজ স্বার্থ চরিতার্থে সেই নারী ,
ভীষণ হিংস্রতাকে করেছেন অবলম্বন।
নিজ শত্রূ নিধনে তাঁর ছলা কলা ক্রূরতার,
রেখেছেন অজস্র প্রমান।
নিজের পথের কাঁটা উৎখ্যাতে তিনি
ছিলেন অতিশয় সিদ্ধহস্ত ,
কখনোই করেনি শক্রর সাজা মুক্ত।
রোমানের দুর্দিনে,ভীষণ সংকটে,
রোমানদের সাথে মিশে ,
ক্লিওপেট্রা জয় করেছেন সকল প্রতিরোধ,
আয়াসে, অসীম সাহসী নিজ বুদ্ধিমত্তাতে ।
পুরুষের অসাধ্য কাজ করেছেন আয়াসে,
এভাবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইতিহাসে।
ক্লিওপেট্রা সপ্তমের জন্ম 69 বি,সি,তে,
মাত্র 39 বৎসর বয়সে হয়েছেন আত্মঘাতী
গৃহ শত্রূতার কারণে সর্প দংশনেতে ।
তার সমাধির খোঁজ আজও মেলেনি,
গৃহবিবাদের কারনে।
ক্ষমতা লাভ, কামনা পূরণ ও দেশের কল্যাণ,
এই তিনটি ছিল তার অভিপ্রেত অভিমান ।
দাম্পত্য জীবন সঙ্গী চয়ন,
নিছক ক্ষমতা লাভের কারণ।
প্রথমে পটোলেমি XIII থিওস ফিলোপেট্রো ,
পরে পটোলেমি XIV,
শেষের সময়ে মার্ক অ্যান্টনিকে করেছিলেন বরণ।
আবার তিনি ছিলেন জুলিয়াস সিজারের প্রেমিকা,
আর সেই হেতু তার ছিল বিশেষ খ্যাতি ও ভূমিকা।
যদিও তিনি ছিলেন না মিসরিয় বংশজ,
তথাপি মিসরের কল্যাণে ছিল অনুরাগ অনুক্ষণ।
কৃষির উন্নতি,ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার,
আলেকজান্দ্রিয়া পর্যন্ত নীল নদের বিস্তার।
নারীশিক্ষা ,গণিত ও বিজ্ঞানের উন্নতি
সদাই চেষ্টা ছিল মিসরের প্রগতি।
(তিনি মাত্র 21বৎসরের রাজত্ব করেছেন )
আর তাই শত বছর পরেও ইতিহাস
তাকে স্মরণ করে, নানা রূপে,গল্পে,নাটকে,
প্রয়োজনে কত স্বারক ,স্তম্ভ গড়ে।
প্রাণবন্ত এই রাজকুমারী সকল সমাজে,
প্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সহজে।
সেই নারী নয়টি ভাষার ছিলেন পারদর্শী।
আর ছিল গণিত ,বিজ্ঞান ও ব্যাবসা,
বুদ্ধি ও কূটনীতীতে পারদর্শি।
সাহিত্য ও দর্শনে ছিল প্রবল অনুরাগ।
আর ছিল জীবনের চূড়ান্ত অভিলাষ,
প্রথম টলেমি প্রতিষ্ঠিত পুরো এলাকার
রাজ ক্ষমতা লাভ ।
তিনি নিজে করতেন নিজের প্ররচার
সূর্যদেবতা ‘রা’-এর বংশধর হিসাবে ,
আর সেই হেতু দেবী আইসিসের
শিরোস্ত্রাণ করতেন ধারণ স্বগর্বে ।
এ ছিল তাঁর একান্ত দম্ভের কারণ।
পিতা টলেমি আওলেটেস মৃত্যুর পর,
মাত্র 18বৎসরবয়সে
শুরু তার প্রেম আর যুদ্ধের জীবন।
নিজ প্রয়োজনে ছল, চাতুরী ,প্রেমে লাস্যময়ী কামুক নারী।
প্রতি হিংসায় অতিশয় ভয়ঙ্করী,ক্রূরতা পূর্ন ভয়ঙ্করী নারী।
ফলে কখনো প্রভূত সুনাম,প্রশংসা করেছিলেন অর্জন।
কখনো সকলের ঘৃণার পাত্রী রূপে,সয়েছেন নির্যাতন ।
তাঁর মুদ্রায় ও পূর্ন অবয়ব অঙ্কিত ছবিতে,
তার প্রসন্ন ভাব,গোলাকার দৃঢ় চিবুক,
স্পর্শকাতর নিখুঁত গ্রিসিয়ান মুখাবয়ব,
ধনুকাকৃতি ঢেউ খেলানো ভুরু যুগল,
তার নিচে অদ্ভুত সুন্দর কামাক্ষী যুগল ।
প্রশস্ত ললাট সুতীক্ষ্ণ নাসিকার মিলন,
অপূর্ব সুন্দর মদিরাক্ষী দৃষ্টি নন্দন।
যে নয়ন চকোরে শিহরণ জাগে,
মন প্রাণ হয় ব্যাকুল নয়নাভিরামে।
যার দৈহিক সৌন্দর্য বাখান অসম্ভব প্রায়,-------------------------
তিলোত্তমা শ্রেষ্ঠ নারী লাস্যময়ী অকুতোভয়।
দর্শন মাত্র মহান মহান বীর রাজন কুল,
তাঁর প্রেমে হয়েছিল ব্যাকুল।
গ্রীবা হতে পদাঙ্গুলি, শরীরের প্রতিটি অঙ্গ,
সৌন্দর্যের উপমার অনুকূল ।
মসৃন গাত্র চর্ম যেন মোমের প্রলেপে আবৃতা তন্বী ,
সৌন্দর্য চর্চায় অতিশয় নিপুন সম্রাজ্ঞী দীর্ঘাঙ্গী।
সুডৌল সুচাগ্র পিন উন্নত চুচুক উন্মুক্ত,
আংশিক আবৃত কন্ঠমণিতে , ক্ষীণ কটি।
সৌন্দর্যের সম্রাজ্ঞী সুগঠিত নিতম্বযুক্তা ,
সুডোল মসৃণ দীর্ঘ লোলায়মান জঙ্ঘা।
গভীর নাভি চক্র যেন কঞ্জমুখী অঙ্গী,
মাখন সদৃশ্য বস্তিদেশ নিম্নে
সামান্য উন্নত বৃহদোষ্ঠ আবৃত
সামান্য নেত্রাবাসে।
অতি সতর্ক চলা কোমল অঙ্ঘি্ৃ।
দর্শণ মাত্র রিরংসা জাগে।
বহুজনের মতে তাঁর ছিল কিছু ,সৌন্দর্যের ঘাটতি,
কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তা,মিটিয়েছে সেই ঘাটতি।
সকল পরিস্থিতিতে নিজেকে,মানিয়ে নেবার ক্ষমতা।
অপরকে বশ করার অদ্ভুত স্বার্থক নিপুণ দক্ষতা ,
দিয়েছে তাকে সর্বকালের তুলনাহীন নারীর মর্যাদা।
সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম মিসরের স্বার্থে,
নিজেই গড়েছেন নিজের ইতিহাস সামর্থে।
<-----©-আদ্যনাথ--->
【- nrc--23/09/-2019--】
【=রাত্রি:12:31:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===============================================
2)--বীর আলেক্সজান্ডারের ও ক্লিওপেট্রার সপ্তমেরে
প্রথম সাক্ষাৎ।
<-----©-আদ্যনাথ--->
বীরাঙ্গনা ক্লিওপেট্রাসপ্তম উপনীত
বীর আলেক্সেন্ডারের সম্মুখে,
আগমন অতি সতর্ক গোপনে,
মসৃন কার্পেটে আবৃত হয়ে।
বীর আলেকজান্ডার বিস্ময়ে মোহিত,
অকস্মাৎ এহেন অপরূপ দর্শনে।
বীর শ্রেষ্ঠ, হয়েছিলেন অতিশয় মুগ্ধ,
নারী ক্লিওপেট্রার চাতুরীতে।
অপরূপ নারী দর্শনে মোহাচ্ছন্ন মহান বীর,
শেষে সুন্দরীর পরিচয়ে আল্লাদিত রুপে মুগ্ধ বীর।
কিয়ৎক্ষন ভাবাবেগে বিভোর স্থির,
এহেন সৌষম্য সৌষ্ঠব অপ্সরা সম নারী,
দর্শনে অতিশয় অধীর।
আপাদ মস্তক দর্শনে মুগ্ধ নয়ন,
নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পরাকাষ্ঠা হেরি
বীর আলেক্সজান্ডার রইলেন স্থির।
নিহারী সকল অঙ্গ পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে,
আশ্বস্ত আসক্ত শেষে,
সেইক্ষণে ক্লিওপেট্রার প্রেমের প্রথম পর্ব শুরু
গ্রীক বীর আলেক্সজান্ডারের সাথে হর্ষে।
<-----©-আদ্যনাথ--->
==================================
3>|| ক্লিওপেট্রা ||------কবিতা
<-----©-আদ্যনাথ--->
সেই নারী ক্লিওপেট্রা,
দেখে এলাম তার কীর্তি খানিকটা।
কেউ তারে দোষে দুষ্টু বলে,
কেউ মনে রেখেছে আদর করে ।
আমরা ছিলাম ভাবে বিউভল,
দেখেছি সেই নারীর ছবিই কেবল।
দৃঢ়তা ও আত্ম বিশ্বাসের পরাকাষ্ঠা,
দেশের তরে ছিলো তার একান্ত নিষ্ঠা।
সে ছিল নারী ক্লিওপেট্রা।
চির স্মরণীয় নয় তো বটে তিনি,
কিন্ত আজো আছেন সকলের মনে যিনি।
ক্লিওপেট্রা নামেই চেনে ইতিহাস,
নারী শ্রেষ্ঠ গড়েছেন নিজেই নিজের ইতিহাস।
যে নারী ক্ষমতার লোভে,
নিজেরে বিলায়েছে বারেবারে ।
উন্মুক্ত যৌবন ও প্রেমের আগুনে,
নিজেকে বিলিয়েছেন সাদরে।
কিন্তু দেশের উন্নতি ও শিক্ষার প্রসারে
তীক্ষ্ম বুদ্ধি মত্তা প্রকাশ করেছেন ত্বেজে।
তিনটি গুণের জন্য
ইতিহাস তাকে আজও মনে করে।
প্রেম ও যৌবনের প্রবল আকর্ষণ,
আবার হিংস্রতার শ্রেষ্ঠ উদাহরন।
সেই নারী আবার সমাজ গঠন,
জ্ঞান বিজ্ঞান প্রসারে অতি সচেতন।
নাই বা থাকুক রূপ, ছিলো অফুরন্ত যৌবন,
আর ছিল শ্রেষ্ঠ কলা কৌশল।
নানান ভাষার অধিকারী,
সমাজে প্রতিষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ নারী।
কত বীর যোদ্ধা হয়েছে তার প্রেমে ব্যাকুল
ক্ষমতার লোভে সেই নারী সদাই অটল।
প্রেম আর হিংসা অতি তুচ্ছ ব্যাপার,
ক্ষমতার শ্রেষ্ঠ আসন করেছিল অধিকার।
প্রাচীন মিসরের ইতিহাস শ্রেষ্ঠ,
নিজেই করেছিল নিজেকে প্রতিষ্ঠিত।
যৌবনের কামনায় তিনি শ্রেষ্ঠ
হিংসা,ক্রূরতাতেও তিনি শ্রেষ্ঠ
সমাজ গঠন, নারী শিক্ষায় আদরণীয়,
কৃষি,জ্ঞান বিজ্ঞানে ও তিনি আদরণীয়।
সামান্য 39 বৎসরের জীবন,
আজও ইতিহাস তারে রেখেছে স্মরণ।
<-----©-আদ্যনাথ--->
【- nrc--23/05/-2019--】
【=রাত্রি:12:31:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========================
4>।। ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
<-----©-আদ্যনাথ--->
ভ্রমণ পিপাসিত মনের ইচ্ছা পূরণের তাগিদে
গিয়েছিলাম মিসর ভ্রমণে নীল নদের তীরে।
বালুকাময় বিস্তীর্ন অঞ্চল কিছু খেজুর ও ক্যাকটাস,
নীল নদের দুইকূলে সবুজ খেত জঙ্গল আর ঘাস।
ইতিহাস ছড়িয়ে আছে নীল নদের শীতল জলের তীরে ,
কত ইমারত কত গল্প গাথা শহর মিসর কে ঘিড়ে।
প্রাচীন ইতিহাসের ভাণ্ডারে প্রোথিত অজস্র কাহিনী
ইতিহাস কে সমৃদ্ধ করেছে নানান লেখকের লেখনী।
জেনেছি কিছু কালজয়ী উপাখ্যান, সমৃদ্ধ ইতিহাস।
বিশ্বখ্যাত লেখকের তালিকায় যারা আছেন অগ্রগণ্য ,
উইলিয়াম শেক্সপিয়র,জর্জ বার্নাড শ,জন ড্রাইডেন,
এনাদের সেই বিখ্যাত উপাখ্যান গুলি যথাক্রমে,
‘অ্যান্টনি অ্যান্ড কিওপেট্রা,সিজার কিওপেট্রা
‘অল ফর লাভ’
সকল উপাখ্যান ক্লিওপেরা সপ্তম কে ঘিড়ে।
ইতিহাসে কেউ কেউ সমৃদ্ধ করেছেন তাকে
ভূয়সী প্রশংসা করে ,বীরত্ব ও প্রেমের কাহিনীতে।
কেউ আবার করেছেন বিদ্রুপ, বিপরীত ব্যাখ্যা করে,
তিনি নারী তবুও করেননি ক্ষমা ক্ষনিকের তরে।
মহান লেখক হ্যালিওয়েল বলেছেন দৃঢ় কণ্ঠে ,
‘দ্য উইকেডেস্ট উইম্যান ইন দ্য হিস্ট্রি’।
প্রেম আর মৃত্যু এই নারীর জীবকে করেছে কিংবদন্তী।
তিনি ছিলেন প্রেম ভালোবাসার উদ্যাম উন্মত্ত হাওয়ার দন্তী।
আবার প্রয়োজনে ভীষণ হিংস্রতা ছিল তার স্বভাব,
নিজ শত্রূ নিধনে ছলা কলা ক্রূরতার ছিলোনা অভাব।
নিজ মতা করিতে শত্রূ মুক্ত, করেন নি বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ,
রোমানের দুর্দিনে সংকটে উৎখাত করেছেন সকল প্রতিরোধ।
নারী হয়েও করেন নি নারীদের মতন সাধারণ জীবন পালন,
এভাবেই হয়েছেন তিনি নিজের ইতিহাস সৃষ্টির কারন ।
সেই নারীকে আমরা ক্লিওপেট্রা নামে জানি ।
টলেমিক সাম্রাজ্যের রানী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।
জন্ম --69 বিসি -- পটোলেমি সাম্রাজ্যের আলেক্সজেন্দ্রিয়াতে
মৃত্য --10 or 12 আগস্ট বিসি, মিসরের আলেক্সজেন্দ্রিয়াতে।
মাত্র 39 বৎসর বয়সে আত্মঘাতী হন গৃহ শত্রূতার কারণে।
সমাধি --ইজিপ্টের কোন অনিশ্চিত কবরে ,রাজবংশ টলেমি।
গৃহ বিবাদের কারনে তাঁর সমাধির খোঁজ আর মেলেনি।
রাজত্ব করেছেন মাত্র 21বৎসর (51 বিসি -- 30 বিসি )
ক্লিওপেট্রা ছিলেন টলেমিক সাম্রাজ্যের শেষ সক্রিয় শাসক
তার সন্তান ক্যাসিওরণ মনোনিত ফারাও ছিলেন।
মতা লাভ, কামনা পূরণ ও দেশের কল্যাণের কারনে
দাম্পত্য জীবন সঙ্গী চয়ন ছিল তাঁর ছলা কলার আবরণ।
প্রথম ভাগে পটোলেমি XIII থিওস ফিলোপেট্রো ,
দ্বিতীয়ার্ধে পটোলেমি XIV কে করেছিলেন মনোনয়ন
শেষের সময়ে মার্ক এনটোনি কে করেছিলেন বরণ।
ক্লিওপেট্রা.টলেমিক সাম্রাজ্যের রানী ক্লিওপেট্রা সপ্তম,
মেসিডোনিয়ান বংশোদ্ভূত মিসরের রানী সপ্তম।
মাত্র 39 বছর জীবনে ঘটিয়েছেন বহু নাটকীয় ঘটনা।
সে যুগের কোনো পুরুষের যা অসম্ভব কাজ,
তিনি করেছেন বিনাবাধায় সহজে সেই কাজ ।
যদিও তার দেহে ছিলনা খাঁটি মিসরীয় রক্ত ।
তথাপি তিনি মিসর এবং মিসরীয়দের ভালোবাসতেন।
আর তাই শত বছর পরও তাকে স্মরণ করা হয় নানা রূপে
নানান গল্পে,নাটকে , স্ট্যাচু , কত স্বারক ,স্তম্ভ গড়ে।
প্রতি যুগেই তার চরিত্র বারংবার হয়েছে রূপান্তরিত।
কখনো তিনি শত্রু, কখনো স্বাধীনতাকামী,
কখনো আবেদনময়ী নারী,কখনো খলনায়িকা।
নানা জনে নানা যুগে এভাবেই তাকে চিত্রিত করে চলেছে।
এই কাজটি করেচলেছেন প্রয়োজনমতো কখনো রাজনীতিবিদ,
কখনো সাহিত্যিক,কখনো চিত্রকর, কখনো বর্ণবাদী গোষ্ঠী,
কখনো স্বাধীনতাকামীরা।
আর তারা সকলেই করেছেন এহেন কাজ,নিজ নিজ স্বার্থে।
মহান লেখক দান্তের মতে, লালসার শাস্তি হিসেবে
ক্লিওপেট্রা নরকের দ্বিতীয় স্তরে দাউ দাউ করে পুড়ছেন।
কারো দৃষ্টিতে তিনি ছিলেন ‘সারপেন্ট অব দ্য নাইল
অনেকেই তার উন্মত্ত যৌন আবেদনময়ী দিকটিকেই
বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
তাররক্তে মিসরের রক্ত ছিলোনা তথাপি
মিসরের উন্নয়নের জন্য কি না করেছেন,
চাষাবাদের সুবিধার জন্য নীল নদ থেকে খাল কেটে
আলেক্সান্দ্রিয়ার ভেতরে নিয়ে গিয়েছিলেন।
মিসরের ব্যবসায়-বাণিজ্যের উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছেন।
প্রাণবন্ত এই রাজকুমারী সহজেই সেকালে সকল সমাজে
সকলের প্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সেই নারী মিসরীয়সহ যিনি মোট 9 টি ভাষা জানতেন।
গণিতবিদ্যা ,বিজ্ঞান ও ব্যাবসা, বুদ্ধি ও কূটনীতীতে পারদর্শি,
নিজ প্রয়োজনে ছল, চাতুরী ,প্রেমে লাস্য মই ,কামুক নারী।
প্রতি হিংসায় অতিশয় ভয়ঙ্কর ,ক্রূরতায় পূর্ন ভয়ঙ্কর নারী।
ফলে কখন প্রভূত সুনাম, প্রশংসা অর্জন করেছিলেন ,
কখন সকলের ঘৃণার পাত্রীও হয়েছে।
তিনি নিজেকে সূর্যদেবতা ‘রা’-এর বংশধর বলে প্রচার করতেন
এবং দেবী আইসিসের শিরোস্ত্রাণ পরতেন।
সাহিত্য ও দর্শনে তার প্রবল অনুরাগ ছিল।
তার চূড়ান্ত অভিলাষ ছিল ,
প্রথম টলেমি প্রতিষ্ঠিত পুরো এলাকার
রাজমতা লাভ করা।
ক্লিওপেট্রার পূর্বপুরুষ টলেমি ছিলেন
মহামতি আলেক্সান্ডারের একজন সেনাপতি।
ক্লিওপেট্রা ছিলেন জুলিয়াস সিজারের প্রেমিকা,
ও মার্ক অ্যান্টনির স্ত্রী।
আর এইহিসাবেই তার ছিল বিশেষ খ্যাতি ।
খ্রিষ্টপূর্ব 323 সালে আলেক্সান্ডার মারা গেলে
তার অন্যতম সেনাপতি টলেমি মিসরে
স্বাধীন রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
ক্লিওপেট্রা এই বংশেরই শেষ শাসক।
তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মিসরে প্রায় 3০০ বছরের
মেসিডোনিয়ান শাসনের অবসান ঘটে।
তার মায়ের দিককার পরিচয় অবশ্য পাওয়া যায় না।
এ কারণে তিনি রোমানদের মতো শ্বেতাঙ্গ ছিলেন,
নাকি কৃষ্ণাঙ্গ ছিলেন, তা জানা যায় না।
ক্লিওপেট্রার মাত্র 18 বৎসর বয়সে শুরু হয়
তার প্রেম আর যুদ্ধের কাহিনী।
খ্রিষ্টপূর্ব 51 সালে ,পিতা টলেমি আওলেটেস মৃত্যুর পর।
সে সময়ের মুদ্রায় অঙ্কিত ছবিতে ক্লিওপেট্রাকে
পরমাসুন্দরী হিসেবে দেখা যায় না।
তবে তার প্রসন্ন ভাব, স্পর্শকাতর নিখুঁত গ্রিসিয়ান মুখাবয়ব,
গোলাকার দৃঢ় চিবুক,
ধনুকের মতো ঢেউ খেলানো ভুরু যুগলের নিচে অদ্ভুত সুন্দর
ভাসা ভাসা চোখ।
প্রশস্ত ললাট আর সুতীক্ষন নাসিকার চমৎকার মিলন ,
শারীরিক সৌন্দর্য বর্ণনা অসম্ভব প্রায় করা বর্ণন।
যাকে দর্শন মাত্র মহান মহান বীর রাজা
তাঁর প্রেমে হয়েছিল ব্যাকুল।
গ্রীবা হতে পদাঙ্গুলি, শরীরের প্রতিটি অঙ্গ
সৌন্দর্যের উপমা অনুকূল ।
মসৃন গাত্র চর্ম যেন মোমের প্রলেপে আবৃতা তন্বী ,
সৌন্দর্য চর্চায় অতিশয় নিপুন সম্রাজ্ঞী দীর্ঘাঙ্গী।
সুডৌল সুচাগ্র পিন উন্নত চুচুক উন্মুক্ত
আংশিক আবৃত কন্ঠাভরণে,
সৌন্দর্যের সম্রাজ্ঞী ক্ষীণ কটি
সুগঠিত নিতম্বযুক্তা ,মসৃণ জঙ্ঘা প্রদর্শনে।
অতি সতর্ক চলা নুপুরের ধ্বনি যুক্ত কোমল অঙ্ঘি্ৃ,
অতিশয় লাস্যময়ী লাবণ্য নাভি চক্র যেন কঞ্জমুখী অঙ্গী।
বীরাঙ্গনা ক্লিওপেট্রা উপনীত বীর আলেক্সেন্ডারের সম্মুখে,
তিনি এসেছিলেন গোপনে মসৃন কার্পেটে আবৃত হয়ে।
বীর আলেকজান্ডার বিস্ময়ে মোহিত অপরূপ দর্শনে,
বীর শ্রেষ্ঠ, অতিশয় মুগ্ধ, নারী ক্লিওপেট্রার চাতুরীতে।
অপরূপ নারী দর্শনে মোহাচ্ছন্ন মহান বীর,
শেষে সুন্দরীর পরিচয়ে আল্লাদিত রুপেমুগ্ধ বীর।
কিয়ৎক্ষন ভাবাবেগে বিভোর স্থির,
এহেন সৌষম্য সৌষ্ঠব নারী দর্শনে অতিশয় অধীর।
আপাদ মস্তক নয়ন চকোর প্রেমাবেগে বীক্ষণ অস্থির
নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পরাকাষ্ঠায় বীর রইলেন স্থির।
নিহারী সকল অঙ্গ পুঙ্খানুপুঙ্খ আশ্বস্ত আসক্ত শেষে।
হয়েছিল প্রেমের চুক্তি বীর আলেকজান্ডারের সাথে হর্ষে।
অবশিষ্ঠ সৌন্দর্য ঘাটতি মিটিয়েছে তার প্রখর বুদ্ধিমত্তা,
সাথে সকল পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেবার ক্ষমতা।
অপরকে বশ করার সামর্থ্য তাকে তুলনাহীন করে তুলেছে,
সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা মিসরের স্বার্থে নিজেই ইতিহাস গড়েছে।
<-----©-আদ্যনাথ--->
【- nrc--23/09/-2019--】
【=রাত্রি:12:31:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===============================================
ক্ষমতা লাভের তীব্র লালশা
লেবিয়া =বৃহদোষ্ঠ ----বহিস্থ যোনিওষ্ঠ
1>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
2)--বীর আলেক্সজান্ডার ও ক্লিওপেট্রার সপ্তমেরে
প্রথম সাক্ষাৎ।
3>|| ক্লিওপেট্রা ||--
4>।। ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
==================================
1>।।সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
<-----©-আদ্যনাথ--->
ভ্রমণের ইচ্ছা পূরণে,
ভ্রমণের সাথে ইতিহাসকে জানতে,
প্রাচীন ইতিহাস ও মনের ইচ্ছা পূরণে,
দেখে এলাম মিসর নীল নদের তীরে।
পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি
গিজাপিরামিড আর মমি সকল ,
বালুকাময় বিস্তীর্ন অঞ্চল।
আছে খেজুরের ঝোপ, ক্যাকটাস,
নীল নদের দুইকূলে সবুজ খেত,
জঙ্গল আর দীর্ঘকায় ঘাস।
নীল নদের সচ্ছ শীতল জল ,
নিঃসন্দেহে মিসর বাসীর জীবন।
ইতিহাস ছড়িয়ে আছে নীল নদের দুই কূলে,
কত ইমারত, গল্প, শহর মিসর কে ঘিড়ে।
প্রাচীন ইতিহাসের ভাণ্ডার প্রোথিত,
মিসেরেব বালুর নিচে গভীরে।
বিজ্ঞানী গণ আজও অতিশয় ব্যস্ত,
প্রাচীন সেই ইতিহাসের খোঁজে।
কিছু কালজয়ী উপাখ্যান সমৃদ্ধ ইতিহাসে,
ক্লিওপেট্রা গনের শ্রেষ্ঠ ক্লিওপেট্রা সপ্তম কে খুঁজেছি ।
সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তমকে যতই জেনেছি,
বারবার বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি।
ইতিহাসে কেউ সমৃদ্ধ করেছেন তাকে
ভূয়সী প্রশংসা করে ,
তাঁর ,বুদ্ধিমত্তা ,বীরত্ব ও প্রেমের কাহিনীতে।
আবার বহুজনে করেছেন বিদ্রুপ,
কুরুচি পূর্ন যৌনতার প্রচার করে।
মহান লেখক হ্যালিওয়েল বলেছেন দৃঢ় কণ্ঠে ,
‘দ্য উইকেডেস্ট উইম্যান ইন দ্য হিস্ট্রি’।
প্রেম আর মৃত্যু এই দুয়ের সংমিশ্রণ,
এই নারী হয়েছেন কিংবদন্তীর কারণ।
ছিলেন জ্ঞান ও বিজ্ঞানে গরীয়সী,
প্রেম ভালোবাসায় উদ্দাম উন্মত্ত নারী।
কখনো নিজ স্বার্থ চরিতার্থে সেই নারী ,
ভীষণ হিংস্রতাকে করেছেন অবলম্বন।
নিজ শত্রূ নিধনে তাঁর ছলা কলা ক্রূরতার,
রেখেছেন অজস্র প্রমান।
নিজের পথের কাঁটা উৎখ্যাতে তিনি
ছিলেন অতিশয় সিদ্ধহস্ত ,
কখনোই করেনি শক্রর সাজা মুক্ত।
রোমানের দুর্দিনে,ভীষণ সংকটে,
রোমানদের সাথে মিশে ,
ক্লিওপেট্রা জয় করেছেন সকল প্রতিরোধ,
আয়াসে, অসীম সাহসী নিজ বুদ্ধিমত্তাতে ।
পুরুষের অসাধ্য কাজ করেছেন আয়াসে,
এভাবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইতিহাসে।
ক্লিওপেট্রা সপ্তমের জন্ম 69 বি,সি,তে,
মাত্র 39 বৎসর বয়সে হয়েছেন আত্মঘাতী
গৃহ শত্রূতার কারণে সর্প দংশনেতে ।
তার সমাধির খোঁজ আজও মেলেনি,
গৃহবিবাদের কারনে।
ক্ষমতা লাভ, কামনা পূরণ ও দেশের কল্যাণ,
এই তিনটি ছিল তার অভিপ্রেত অভিমান ।
দাম্পত্য জীবন সঙ্গী চয়ন,
নিছক ক্ষমতা লাভের কারণ।
প্রথমে পটোলেমি XIII থিওস ফিলোপেট্রো ,
পরে পটোলেমি XIV,
শেষের সময়ে মার্ক অ্যান্টনিকে করেছিলেন বরণ।
আবার তিনি ছিলেন জুলিয়াস সিজারের প্রেমিকা,
আর সেই হেতু তার ছিল বিশেষ খ্যাতি ও ভূমিকা।
যদিও তিনি ছিলেন না মিসরিয় বংশজ,
তথাপি মিসরের কল্যাণে ছিল অনুরাগ অনুক্ষণ।
কৃষির উন্নতি,ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার,
আলেকজান্দ্রিয়া পর্যন্ত নীল নদের বিস্তার।
নারীশিক্ষা ,গণিত ও বিজ্ঞানের উন্নতি
সদাই চেষ্টা ছিল মিসরের প্রগতি।
(তিনি মাত্র 21বৎসরের রাজত্ব করেছেন )
আর তাই শত বছর পরেও ইতিহাস
তাকে স্মরণ করে, নানা রূপে,গল্পে,নাটকে,
প্রয়োজনে কত স্বারক ,স্তম্ভ গড়ে।
প্রাণবন্ত এই রাজকুমারী সকল সমাজে,
প্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সহজে।
সেই নারী নয়টি ভাষার ছিলেন পারদর্শী।
আর ছিল গণিত ,বিজ্ঞান ও ব্যাবসা,
বুদ্ধি ও কূটনীতীতে পারদর্শি।
সাহিত্য ও দর্শনে ছিল প্রবল অনুরাগ।
আর ছিল জীবনের চূড়ান্ত অভিলাষ,
প্রথম টলেমি প্রতিষ্ঠিত পুরো এলাকার
রাজ ক্ষমতা লাভ ।
তিনি নিজে করতেন নিজের প্ররচার
সূর্যদেবতা ‘রা’-এর বংশধর হিসাবে ,
আর সেই হেতু দেবী আইসিসের
শিরোস্ত্রাণ করতেন ধারণ স্বগর্বে ।
এ ছিল তাঁর একান্ত দম্ভের কারণ।
পিতা টলেমি আওলেটেস মৃত্যুর পর,
মাত্র 18বৎসরবয়সে
শুরু তার প্রেম আর যুদ্ধের জীবন।
নিজ প্রয়োজনে ছল, চাতুরী ,প্রেমে লাস্যময়ী কামুক নারী।
প্রতি হিংসায় অতিশয় ভয়ঙ্করী,ক্রূরতা পূর্ন ভয়ঙ্করী নারী।
ফলে কখনো প্রভূত সুনাম,প্রশংসা করেছিলেন অর্জন।
কখনো সকলের ঘৃণার পাত্রী রূপে,সয়েছেন নির্যাতন ।
তাঁর মুদ্রায় ও পূর্ন অবয়ব অঙ্কিত ছবিতে,
তার প্রসন্ন ভাব,গোলাকার দৃঢ় চিবুক,
স্পর্শকাতর নিখুঁত গ্রিসিয়ান মুখাবয়ব,
ধনুকাকৃতি ঢেউ খেলানো ভুরু যুগল,
তার নিচে অদ্ভুত সুন্দর কামাক্ষী যুগল ।
প্রশস্ত ললাট সুতীক্ষ্ণ নাসিকার মিলন,
অপূর্ব সুন্দর মদিরাক্ষী দৃষ্টি নন্দন।
যে নয়ন চকোরে শিহরণ জাগে,
মন প্রাণ হয় ব্যাকুল নয়নাভিরামে।
যার দৈহিক সৌন্দর্য বাখান অসম্ভব প্রায়,-------------------------
তিলোত্তমা শ্রেষ্ঠ নারী লাস্যময়ী অকুতোভয়।
দর্শন মাত্র মহান মহান বীর রাজন কুল,
তাঁর প্রেমে হয়েছিল ব্যাকুল।
গ্রীবা হতে পদাঙ্গুলি, শরীরের প্রতিটি অঙ্গ,
সৌন্দর্যের উপমার অনুকূল ।
মসৃন গাত্র চর্ম যেন মোমের প্রলেপে আবৃতা তন্বী ,
সৌন্দর্য চর্চায় অতিশয় নিপুন সম্রাজ্ঞী দীর্ঘাঙ্গী।
সুডৌল সুচাগ্র পিন উন্নত চুচুক উন্মুক্ত,
আংশিক আবৃত কন্ঠমণিতে , ক্ষীণ কটি।
সৌন্দর্যের সম্রাজ্ঞী সুগঠিত নিতম্বযুক্তা ,
সুডোল মসৃণ দীর্ঘ লোলায়মান জঙ্ঘা।
গভীর নাভি চক্র যেন কঞ্জমুখী অঙ্গী,
মাখন সদৃশ্য বস্তিদেশ নিম্নে
সামান্য উন্নত বৃহদোষ্ঠ আবৃত
সামান্য নেত্রাবাসে।
অতি সতর্ক চলা কোমল অঙ্ঘি্ৃ।
দর্শণ মাত্র রিরংসা জাগে।
বহুজনের মতে তাঁর ছিল কিছু ,সৌন্দর্যের ঘাটতি,
কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমত্তা,মিটিয়েছে সেই ঘাটতি।
সকল পরিস্থিতিতে নিজেকে,মানিয়ে নেবার ক্ষমতা।
অপরকে বশ করার অদ্ভুত স্বার্থক নিপুণ দক্ষতা ,
দিয়েছে তাকে সর্বকালের তুলনাহীন নারীর মর্যাদা।
সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা সপ্তম মিসরের স্বার্থে,
নিজেই গড়েছেন নিজের ইতিহাস সামর্থে।
<-----©-আদ্যনাথ--->
【- nrc--23/09/-2019--】
【=রাত্রি:12:31:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===============================================
2)--বীর আলেক্সজান্ডারের ও ক্লিওপেট্রার সপ্তমেরে
প্রথম সাক্ষাৎ।
<-----©-আদ্যনাথ--->
বীরাঙ্গনা ক্লিওপেট্রাসপ্তম উপনীত
বীর আলেক্সেন্ডারের সম্মুখে,
আগমন অতি সতর্ক গোপনে,
মসৃন কার্পেটে আবৃত হয়ে।
বীর আলেকজান্ডার বিস্ময়ে মোহিত,
অকস্মাৎ এহেন অপরূপ দর্শনে।
বীর শ্রেষ্ঠ, হয়েছিলেন অতিশয় মুগ্ধ,
নারী ক্লিওপেট্রার চাতুরীতে।
অপরূপ নারী দর্শনে মোহাচ্ছন্ন মহান বীর,
শেষে সুন্দরীর পরিচয়ে আল্লাদিত রুপে মুগ্ধ বীর।
কিয়ৎক্ষন ভাবাবেগে বিভোর স্থির,
এহেন সৌষম্য সৌষ্ঠব অপ্সরা সম নারী,
দর্শনে অতিশয় অধীর।
আপাদ মস্তক দর্শনে মুগ্ধ নয়ন,
নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পরাকাষ্ঠা হেরি
বীর আলেক্সজান্ডার রইলেন স্থির।
নিহারী সকল অঙ্গ পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে,
আশ্বস্ত আসক্ত শেষে,
সেইক্ষণে ক্লিওপেট্রার প্রেমের প্রথম পর্ব শুরু
গ্রীক বীর আলেক্সজান্ডারের সাথে হর্ষে।
<-----©-আদ্যনাথ--->
==================================
3>|| ক্লিওপেট্রা ||------কবিতা
<-----©-আদ্যনাথ--->
সেই নারী ক্লিওপেট্রা,
দেখে এলাম তার কীর্তি খানিকটা।
কেউ তারে দোষে দুষ্টু বলে,
কেউ মনে রেখেছে আদর করে ।
আমরা ছিলাম ভাবে বিউভল,
দেখেছি সেই নারীর ছবিই কেবল।
দৃঢ়তা ও আত্ম বিশ্বাসের পরাকাষ্ঠা,
দেশের তরে ছিলো তার একান্ত নিষ্ঠা।
সে ছিল নারী ক্লিওপেট্রা।
চির স্মরণীয় নয় তো বটে তিনি,
কিন্ত আজো আছেন সকলের মনে যিনি।
ক্লিওপেট্রা নামেই চেনে ইতিহাস,
নারী শ্রেষ্ঠ গড়েছেন নিজেই নিজের ইতিহাস।
যে নারী ক্ষমতার লোভে,
নিজেরে বিলায়েছে বারেবারে ।
উন্মুক্ত যৌবন ও প্রেমের আগুনে,
নিজেকে বিলিয়েছেন সাদরে।
কিন্তু দেশের উন্নতি ও শিক্ষার প্রসারে
তীক্ষ্ম বুদ্ধি মত্তা প্রকাশ করেছেন ত্বেজে।
তিনটি গুণের জন্য
ইতিহাস তাকে আজও মনে করে।
প্রেম ও যৌবনের প্রবল আকর্ষণ,
আবার হিংস্রতার শ্রেষ্ঠ উদাহরন।
সেই নারী আবার সমাজ গঠন,
জ্ঞান বিজ্ঞান প্রসারে অতি সচেতন।
নাই বা থাকুক রূপ, ছিলো অফুরন্ত যৌবন,
আর ছিল শ্রেষ্ঠ কলা কৌশল।
নানান ভাষার অধিকারী,
সমাজে প্রতিষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ নারী।
কত বীর যোদ্ধা হয়েছে তার প্রেমে ব্যাকুল
ক্ষমতার লোভে সেই নারী সদাই অটল।
প্রেম আর হিংসা অতি তুচ্ছ ব্যাপার,
ক্ষমতার শ্রেষ্ঠ আসন করেছিল অধিকার।
প্রাচীন মিসরের ইতিহাস শ্রেষ্ঠ,
নিজেই করেছিল নিজেকে প্রতিষ্ঠিত।
যৌবনের কামনায় তিনি শ্রেষ্ঠ
হিংসা,ক্রূরতাতেও তিনি শ্রেষ্ঠ
সমাজ গঠন, নারী শিক্ষায় আদরণীয়,
কৃষি,জ্ঞান বিজ্ঞানে ও তিনি আদরণীয়।
সামান্য 39 বৎসরের জীবন,
আজও ইতিহাস তারে রেখেছে স্মরণ।
<-----©-আদ্যনাথ--->
【- nrc--23/05/-2019--】
【=রাত্রি:12:31:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
==========================
4>।। ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।।
<-----©-আদ্যনাথ--->
ভ্রমণ পিপাসিত মনের ইচ্ছা পূরণের তাগিদে
গিয়েছিলাম মিসর ভ্রমণে নীল নদের তীরে।
বালুকাময় বিস্তীর্ন অঞ্চল কিছু খেজুর ও ক্যাকটাস,
নীল নদের দুইকূলে সবুজ খেত জঙ্গল আর ঘাস।
ইতিহাস ছড়িয়ে আছে নীল নদের শীতল জলের তীরে ,
কত ইমারত কত গল্প গাথা শহর মিসর কে ঘিড়ে।
প্রাচীন ইতিহাসের ভাণ্ডারে প্রোথিত অজস্র কাহিনী
ইতিহাস কে সমৃদ্ধ করেছে নানান লেখকের লেখনী।
জেনেছি কিছু কালজয়ী উপাখ্যান, সমৃদ্ধ ইতিহাস।
বিশ্বখ্যাত লেখকের তালিকায় যারা আছেন অগ্রগণ্য ,
উইলিয়াম শেক্সপিয়র,জর্জ বার্নাড শ,জন ড্রাইডেন,
এনাদের সেই বিখ্যাত উপাখ্যান গুলি যথাক্রমে,
‘অ্যান্টনি অ্যান্ড কিওপেট্রা,সিজার কিওপেট্রা
‘অল ফর লাভ’
সকল উপাখ্যান ক্লিওপেরা সপ্তম কে ঘিড়ে।
ইতিহাসে কেউ কেউ সমৃদ্ধ করেছেন তাকে
ভূয়সী প্রশংসা করে ,বীরত্ব ও প্রেমের কাহিনীতে।
কেউ আবার করেছেন বিদ্রুপ, বিপরীত ব্যাখ্যা করে,
তিনি নারী তবুও করেননি ক্ষমা ক্ষনিকের তরে।
মহান লেখক হ্যালিওয়েল বলেছেন দৃঢ় কণ্ঠে ,
‘দ্য উইকেডেস্ট উইম্যান ইন দ্য হিস্ট্রি’।
প্রেম আর মৃত্যু এই নারীর জীবকে করেছে কিংবদন্তী।
তিনি ছিলেন প্রেম ভালোবাসার উদ্যাম উন্মত্ত হাওয়ার দন্তী।
আবার প্রয়োজনে ভীষণ হিংস্রতা ছিল তার স্বভাব,
নিজ শত্রূ নিধনে ছলা কলা ক্রূরতার ছিলোনা অভাব।
নিজ মতা করিতে শত্রূ মুক্ত, করেন নি বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ,
রোমানের দুর্দিনে সংকটে উৎখাত করেছেন সকল প্রতিরোধ।
নারী হয়েও করেন নি নারীদের মতন সাধারণ জীবন পালন,
এভাবেই হয়েছেন তিনি নিজের ইতিহাস সৃষ্টির কারন ।
সেই নারীকে আমরা ক্লিওপেট্রা নামে জানি ।
টলেমিক সাম্রাজ্যের রানী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ।
জন্ম --69 বিসি -- পটোলেমি সাম্রাজ্যের আলেক্সজেন্দ্রিয়াতে
মৃত্য --10 or 12 আগস্ট বিসি, মিসরের আলেক্সজেন্দ্রিয়াতে।
মাত্র 39 বৎসর বয়সে আত্মঘাতী হন গৃহ শত্রূতার কারণে।
সমাধি --ইজিপ্টের কোন অনিশ্চিত কবরে ,রাজবংশ টলেমি।
গৃহ বিবাদের কারনে তাঁর সমাধির খোঁজ আর মেলেনি।
রাজত্ব করেছেন মাত্র 21বৎসর (51 বিসি -- 30 বিসি )
ক্লিওপেট্রা ছিলেন টলেমিক সাম্রাজ্যের শেষ সক্রিয় শাসক
তার সন্তান ক্যাসিওরণ মনোনিত ফারাও ছিলেন।
মতা লাভ, কামনা পূরণ ও দেশের কল্যাণের কারনে
দাম্পত্য জীবন সঙ্গী চয়ন ছিল তাঁর ছলা কলার আবরণ।
প্রথম ভাগে পটোলেমি XIII থিওস ফিলোপেট্রো ,
দ্বিতীয়ার্ধে পটোলেমি XIV কে করেছিলেন মনোনয়ন
শেষের সময়ে মার্ক এনটোনি কে করেছিলেন বরণ।
ক্লিওপেট্রা.টলেমিক সাম্রাজ্যের রানী ক্লিওপেট্রা সপ্তম,
মেসিডোনিয়ান বংশোদ্ভূত মিসরের রানী সপ্তম।
মাত্র 39 বছর জীবনে ঘটিয়েছেন বহু নাটকীয় ঘটনা।
সে যুগের কোনো পুরুষের যা অসম্ভব কাজ,
তিনি করেছেন বিনাবাধায় সহজে সেই কাজ ।
যদিও তার দেহে ছিলনা খাঁটি মিসরীয় রক্ত ।
তথাপি তিনি মিসর এবং মিসরীয়দের ভালোবাসতেন।
আর তাই শত বছর পরও তাকে স্মরণ করা হয় নানা রূপে
নানান গল্পে,নাটকে , স্ট্যাচু , কত স্বারক ,স্তম্ভ গড়ে।
প্রতি যুগেই তার চরিত্র বারংবার হয়েছে রূপান্তরিত।
কখনো তিনি শত্রু, কখনো স্বাধীনতাকামী,
কখনো আবেদনময়ী নারী,কখনো খলনায়িকা।
নানা জনে নানা যুগে এভাবেই তাকে চিত্রিত করে চলেছে।
এই কাজটি করেচলেছেন প্রয়োজনমতো কখনো রাজনীতিবিদ,
কখনো সাহিত্যিক,কখনো চিত্রকর, কখনো বর্ণবাদী গোষ্ঠী,
কখনো স্বাধীনতাকামীরা।
আর তারা সকলেই করেছেন এহেন কাজ,নিজ নিজ স্বার্থে।
মহান লেখক দান্তের মতে, লালসার শাস্তি হিসেবে
ক্লিওপেট্রা নরকের দ্বিতীয় স্তরে দাউ দাউ করে পুড়ছেন।
কারো দৃষ্টিতে তিনি ছিলেন ‘সারপেন্ট অব দ্য নাইল
অনেকেই তার উন্মত্ত যৌন আবেদনময়ী দিকটিকেই
বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
তাররক্তে মিসরের রক্ত ছিলোনা তথাপি
মিসরের উন্নয়নের জন্য কি না করেছেন,
চাষাবাদের সুবিধার জন্য নীল নদ থেকে খাল কেটে
আলেক্সান্দ্রিয়ার ভেতরে নিয়ে গিয়েছিলেন।
মিসরের ব্যবসায়-বাণিজ্যের উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছেন।
প্রাণবন্ত এই রাজকুমারী সহজেই সেকালে সকল সমাজে
সকলের প্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সেই নারী মিসরীয়সহ যিনি মোট 9 টি ভাষা জানতেন।
গণিতবিদ্যা ,বিজ্ঞান ও ব্যাবসা, বুদ্ধি ও কূটনীতীতে পারদর্শি,
নিজ প্রয়োজনে ছল, চাতুরী ,প্রেমে লাস্য মই ,কামুক নারী।
প্রতি হিংসায় অতিশয় ভয়ঙ্কর ,ক্রূরতায় পূর্ন ভয়ঙ্কর নারী।
ফলে কখন প্রভূত সুনাম, প্রশংসা অর্জন করেছিলেন ,
কখন সকলের ঘৃণার পাত্রীও হয়েছে।
তিনি নিজেকে সূর্যদেবতা ‘রা’-এর বংশধর বলে প্রচার করতেন
এবং দেবী আইসিসের শিরোস্ত্রাণ পরতেন।
সাহিত্য ও দর্শনে তার প্রবল অনুরাগ ছিল।
তার চূড়ান্ত অভিলাষ ছিল ,
প্রথম টলেমি প্রতিষ্ঠিত পুরো এলাকার
রাজমতা লাভ করা।
ক্লিওপেট্রার পূর্বপুরুষ টলেমি ছিলেন
মহামতি আলেক্সান্ডারের একজন সেনাপতি।
ক্লিওপেট্রা ছিলেন জুলিয়াস সিজারের প্রেমিকা,
ও মার্ক অ্যান্টনির স্ত্রী।
আর এইহিসাবেই তার ছিল বিশেষ খ্যাতি ।
খ্রিষ্টপূর্ব 323 সালে আলেক্সান্ডার মারা গেলে
তার অন্যতম সেনাপতি টলেমি মিসরে
স্বাধীন রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
ক্লিওপেট্রা এই বংশেরই শেষ শাসক।
তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মিসরে প্রায় 3০০ বছরের
মেসিডোনিয়ান শাসনের অবসান ঘটে।
তার মায়ের দিককার পরিচয় অবশ্য পাওয়া যায় না।
এ কারণে তিনি রোমানদের মতো শ্বেতাঙ্গ ছিলেন,
নাকি কৃষ্ণাঙ্গ ছিলেন, তা জানা যায় না।
ক্লিওপেট্রার মাত্র 18 বৎসর বয়সে শুরু হয়
তার প্রেম আর যুদ্ধের কাহিনী।
খ্রিষ্টপূর্ব 51 সালে ,পিতা টলেমি আওলেটেস মৃত্যুর পর।
সে সময়ের মুদ্রায় অঙ্কিত ছবিতে ক্লিওপেট্রাকে
পরমাসুন্দরী হিসেবে দেখা যায় না।
তবে তার প্রসন্ন ভাব, স্পর্শকাতর নিখুঁত গ্রিসিয়ান মুখাবয়ব,
গোলাকার দৃঢ় চিবুক,
ধনুকের মতো ঢেউ খেলানো ভুরু যুগলের নিচে অদ্ভুত সুন্দর
ভাসা ভাসা চোখ।
প্রশস্ত ললাট আর সুতীক্ষন নাসিকার চমৎকার মিলন ,
শারীরিক সৌন্দর্য বর্ণনা অসম্ভব প্রায় করা বর্ণন।
যাকে দর্শন মাত্র মহান মহান বীর রাজা
তাঁর প্রেমে হয়েছিল ব্যাকুল।
গ্রীবা হতে পদাঙ্গুলি, শরীরের প্রতিটি অঙ্গ
সৌন্দর্যের উপমা অনুকূল ।
মসৃন গাত্র চর্ম যেন মোমের প্রলেপে আবৃতা তন্বী ,
সৌন্দর্য চর্চায় অতিশয় নিপুন সম্রাজ্ঞী দীর্ঘাঙ্গী।
সুডৌল সুচাগ্র পিন উন্নত চুচুক উন্মুক্ত
আংশিক আবৃত কন্ঠাভরণে,
সৌন্দর্যের সম্রাজ্ঞী ক্ষীণ কটি
সুগঠিত নিতম্বযুক্তা ,মসৃণ জঙ্ঘা প্রদর্শনে।
অতি সতর্ক চলা নুপুরের ধ্বনি যুক্ত কোমল অঙ্ঘি্ৃ,
অতিশয় লাস্যময়ী লাবণ্য নাভি চক্র যেন কঞ্জমুখী অঙ্গী।
বীরাঙ্গনা ক্লিওপেট্রা উপনীত বীর আলেক্সেন্ডারের সম্মুখে,
তিনি এসেছিলেন গোপনে মসৃন কার্পেটে আবৃত হয়ে।
বীর আলেকজান্ডার বিস্ময়ে মোহিত অপরূপ দর্শনে,
বীর শ্রেষ্ঠ, অতিশয় মুগ্ধ, নারী ক্লিওপেট্রার চাতুরীতে।
অপরূপ নারী দর্শনে মোহাচ্ছন্ন মহান বীর,
শেষে সুন্দরীর পরিচয়ে আল্লাদিত রুপেমুগ্ধ বীর।
কিয়ৎক্ষন ভাবাবেগে বিভোর স্থির,
এহেন সৌষম্য সৌষ্ঠব নারী দর্শনে অতিশয় অধীর।
আপাদ মস্তক নয়ন চকোর প্রেমাবেগে বীক্ষণ অস্থির
নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পরাকাষ্ঠায় বীর রইলেন স্থির।
নিহারী সকল অঙ্গ পুঙ্খানুপুঙ্খ আশ্বস্ত আসক্ত শেষে।
হয়েছিল প্রেমের চুক্তি বীর আলেকজান্ডারের সাথে হর্ষে।
অবশিষ্ঠ সৌন্দর্য ঘাটতি মিটিয়েছে তার প্রখর বুদ্ধিমত্তা,
সাথে সকল পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেবার ক্ষমতা।
অপরকে বশ করার সামর্থ্য তাকে তুলনাহীন করে তুলেছে,
সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা মিসরের স্বার্থে নিজেই ইতিহাস গড়েছে।
<-----©-আদ্যনাথ--->
【- nrc--23/09/-2019--】
【=রাত্রি:12:31:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===============================================
ক্ষমতা লাভের তীব্র লালশা
লেবিয়া =বৃহদোষ্ঠ ----বহিস্থ যোনিওষ্ঠ
Comments
Post a Comment