581>|| দেখলাম মিসর ||
581>|| দেখলাম মিসর ||
<-----©-আদ্যনাথ--->
আট দিন ঘুরে বেরিয়ে দেখলাম মিসর,
প্রাচীন সেই গল্প কথার মমির শহর।
অনেক কাহিনী স্বপ্নের নীল নদের দেশে,
বিস্তীর্ন বালুকাময় বিস্ময়কর শান্ত পরিবেশে।
দেখলাম প্রাচীন স্থাপত্য শিল্প কলা,
নিতান্ত বিস্ময় অবাক হবার পালা।
গাইডের মুখে কতো গল্প শুনলাম,
ভাস্কর্য, ইমারত গঠন শৈলী দেখলাম।
নূতন কিছু জানলাম জানা অজানার,
ভাবনার অতীত,কত বিস্ময়কর আবিষ্কার।
সেদিন কেউ দেয়নি ওদের কোন পুরষ্কার,
আজ বিশ্ব করে কুর্নিশ সেই কৃতি কর্ম পন্থার।
ফারাওদের সেই প্রাচীন কীর্তি ,
আজও বিশ্বের অনন্য সৃষ্টি।
মিসরের প্রাচীন মন্দির গুলি,
অপূর্ব সৃষ্টির অপরূপ শৈলী।
কায়রো প্রাচীন মন্দিরের দেশ,
বালুকা ময়,মরুভূমি,শান্ত পরিবেশ।
ক্যাকটাস ও খেঁজুর গাছ অধ্যুষিত এই অঞ্চল,
খেজুর গাছে প্রচুর খেজুর ফলন ।
বৃষ্টিও নিশ্চিত অতি কম,
তথাপি বায়ু প্রদুষন অনেক কম।
এটা কেমন করে হোল,
সেই চিন্তায় কিছু ভাবতে হলো।
শেষে সমাধান খুঁজে পেলাম,
অনেক অধ্যয়ন করে জানলাম।
মিসরের মানুষ অনেক সচেতন,
নিতান্ত কম উট ও মোটর বাহন।
এই দুই বাহনে অর্থ খরচ অনেক বেশি,
তাই প্রাচীন পন্থাকেই ওরা ভালোবাসে বেশি।
ভারী জিনিষ বহনে গাধাই আদরের,
দূর যাত্রার জন্য নৌকাই বেশি পছন্দের ।
মুগ্ধ হয়েছি,দেখেছি যত ওদের কর্ম পন্থা, কৃষি কলা,
নীলনদে নৌকায় ওদের চলা।
নীল নদের দুইকুলে সকল স্থাপত্য কলা,
কৃষি,সভ্যতা ,প্রাচীন স্থাপত্য ও মানুষের মেলা।
মিসরের জীবন রক্ষক নীল নদ,
সমগ্র পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম নদ।
গাধা আর নৌকা মিসরের শ্রেষ্ঠ বাহন,
যেটি অর্থ সাশ্রয়, বায়ু প্রদুশন হ্রাসের কারণ।
এহেন আড়ম্বর বিহীন সরল জীবন শৈলী,
তবে অদূর ভবিষ্যতে থাকবেনা এমন পালী ,
কারন, দিন প্রতিদিন বাড়ন্ত অট্টালিকার শৈলী ।
ভ্রমণ পিপাসুদের বাড়ন্ত চাহিদা,
মেটায় মিসরের অর্থনীতির কিছু চাহিদা।
এমনি করেই দিন দিন বাড়ছে দূষণ,
কি হবে ভবিষ্যৎ, পরিবেশ ও জীবন।
ভ্রমণে একটু নিয়ন্ত্রণ অতি প্রয়োজন,
নচেৎ ধ্বংস হবে স্থাপত্য, কলা, ও জীবন।
এ আমার অনুর্বর মস্তিষ্কের ভাবনা,
এ নিয়ে তোমরা কিছু ভেবোনা।
<-----©-আদ্যনাথ--->
【--anrc-25/05/2019--】
【=রাত্রি:02:38:22am=】
【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
===========================
Comments
Post a Comment