586>|| ঈশ্বর মানেই আনন্দ |
586>|| ঈশ্বর মানেই আনন্দ ||
অফুরন্ত আনন্দ যেখানে
ঈশ্বরের স্থান সেখানে।
আনন্দ পুর্ন হৃদয়ে
ঈশ্বরের সাক্ষাৎকার মেলে।
'আত্মা সৃষ্ট বস্তু নয়,'
আত্মার শক্তি ঈশ্বর প্রদত্ত শক্তি।
ঈশ্বর মানে এক আনন্দ তরঙ্গ।
যে তরঙ্গের প্রভাবে জীব,
জীবন পায়, সৃষ্টি রচায়।
মানুষ সত্যের সন্ধান পায়।
নির্মল ভাবনার আনন্দে মানুষ
অসীমে পৌঁছে যায়।
সকল শক্তির দুয়ার খুলে যায়।
শান্তি ও তৃপ্তির ভরপুর আনন্দে
ক্ষুদ্র জীবনী শক্তি বিশালে লীন হয়ে যায়।
নদী যেমন সাগরে মিলে যায়।
তখনই মানুষ ঈশ্বরের সাক্ষাৎকার হয়।
ক্রমে মানুষ সর্ব শক্তি সম্পন্ন হয়।
মানুষ নিজেই ঈশ্বর হয়ে যায়।
তাই তো শ্রীকৃষ্ণ সত্য বচন,
"ময়াধ্যক্ষেন প্রকৃতিঃ সূয়তে সচরাচরম্।"
শ্রীকৃষ্ণ শুধু নিজের কথাই বলেননি
অর্জুনকে বলেছেন,
অর্জুন ও এমন ক্ষমতার অধিকারী ,
প্রতিটি মানুষ এই ক্ষমতার অধিকারী।
শুধু মানুষকে নিজেকে নিজে জানতে হবে নিজেকে নিজে চিনতে হবে।
নিজের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে।
এবং সেই বিশ্বাসে ভর করে কর্ম করতে হবে।
কর্ম প্রধান জগতে কর্ম তো করতেই হবে।
কর্মই প্রধান ধর্ম।
স্বামী বিবেকানন্দ শিকাগো ধর্ম সভায় বলেছেন
"মানুষের ভিতরে যে দেবত্ব প্রথম হইতেই
বর্তমান,তাহার প্রকাশসাধনকে ধর্ম বলে।"
এই প্রকাশ ঘটিতে পারে বিচিত্ররূপে
বিবিধ ক্ষেত্রে।
"এবারে নূতন একটা পথ করে দিয়ে
গেলুম।
এতদিন লোকে জানত,ধ্যান,জপ,বিচার
প্রভৃতি দ্বারা মুক্তি হয়। এবার এখানকার
ছেলেমেয়েরা তাঁর কাজ করে জীবন্মুক্ত
হয়ে যাবে।" ।
সেই কারনেই অন্য চিন্তা না করে
শুধু কর্ম করে যাওয়াই মানুষের কর্তব্য।
জীবকে শিব রূপে সেবার মাধ্যমে
করে যেতে হবে আমাদের কর্ম।
সেটাই আমাদের প্রধান ধর্ম।
<--©----আদ্য নাথ রায় চৌধুরী--->
15/06/2019::05:36:12 এ
==========================
Comments
Post a Comment