558>|| উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে ||
558>||-উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে।--|| 28/02/2017:::--
1>||-উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে।--|| 28/02/2017:::--
আগে শুনেছি দেখেছি এমন ঘটনা বিহার ,ঝাড়খন্ড হতো ।
আজকাল কলকাতাতেও হয়।
এটা ভাবতেও অবাক লাগে।
হায়রে হায় কোলকাতার হসপিটাল,
সব পয়সা খেকো ডাক্তারের দল।
শিখেছিস শুধু মানুষ মারার কল।
এ তোরা কেমন তর ডাক্তার বল,
আরে কতদিন করবি এমন গেরাকল।
রাজ্যের হসপিটাল গুলি যা করছে তা দেখে জেনে
সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত ও হতাশাগ্রস্ত।
আজ 28 ফেব্রুয়ারি 2017
খবরের কাগজের হেড লাইনে চোখ পড়তেই
আমার বহু পুরোনো দুই একটি ঘটনা পনে পরে গেল।
সেবার আমার পোস্টিং ধানবাদের কাতরাস অঞ্চলে।
আমি আমার চোখ চেকআপ করতে শহরের হসপিটাল গিয়েছিলাম।
ফেরার পথে
ডি, সি, ( ধানবাদ , চন্দ্রপুরা ) ট্রেনে করে ফিরছি।
আমার পাশেই একজন পালোয়ানের মত লোক,
এসে আমাকে নমস্কার করলো এবং পাশেই বসলো।
জানলাম উনি আমাকে চনে কারন আমি যে প্রজেক্ট
এতে ডেপুটেড উনি সেই কোলিযারির একজন টালিবান
( টালিবান অর্থাৎ যারা আন্ডার গ্রাউন্ড থেকেআসা কয়লা বোঝাই
ট্রলি গাড়ি গুলি খালি করে আবার আন্ডার গ্রাউন্ডে পাঠিয়ে দেয়।
এই কাজে শক্তি শালী মানুষ দরকার ) উনি হিন্দি ভাষি।
সেদিনের কথপকথন বাংলা তেই বলছি।
ওনার নাম রামধুন ।
((রামধোন নয় বা সেই রাম ধোনের ধোন কাটিয়া
সুন্দর হইতে আজ্ঞা হোক । তেমন নয় স্রেফ রামধূন))
দেখলাম ওনার এবং ওনার স্ত্রী দুজনেই গালে হাত ও গাল ফোলা ।
কারন জানতে চাইলে অমন পালোয়ানের মত মানুষ কেঁদে কেঁদে
বললো যে ওনার হসপিটালে গিয়েছিল স্ত্রীর দাঁত তুলতে ।
কিন্তু দুই ঘন্টা লইনে দাঁড়িয়ে কার্ড করে স্ত্রীর দাঁত তোলার জন্য
বলতে গিয়ে ডাক্তার বললেন বসুন।
ব্যস আর কোন কথাই শুনলেননা ।
ডাক্তার এসে আমার মুখেই ক্লিপ লাগিয়ে হা করিয়ে
আমারই এজটা দাঁত তুলে ফেললেন।
আমার মুখে ক্লিপ থাকতে আমি কোন কথাই বলতে পারছিলাম না
শুধু হা হা করে ডাক্তার কে বলতে চাইছিলাম
যে আমার নয় স্ত্রীর দাঁত তুলতে হবে।
ডাক্তার কোন কথাই শুনলেন না।
আমি শেষে রাগে ডাক্তারকে গলা গালি দিতে দিতে বেরিয়ে এলাম ।
আমর স্ত্রী তো দেখে শুনে কেঁদে কেটেই অস্থির।
ও তখকন নিজের ব্যথা ভুলে আমার রাগ সামলাতেই অস্থির।
আমরা বেরিয়ে এলাম ।
কোন ডাক্তার ই আমাদের কথা শুনতে চাইল না।
আমি বললাম আবার কেন স্ত্রীর জন্য চেষ্টা করলেন না।
ওনারা বললেন একটা কার্ড দিয়ে এক জনেরি দাঁত তোলা যাবে।
দুবার কার্ড বানাতে আবার এক দিন আসতে হবে।
আজকে তো নুতন কার্ড দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছিল।
তখন ওনার স্ত্রী বলেন যে উনি আর দাঁত তুলতে ঐ
বড় হসপিটালে যাবেন না।
"ম্যায় দরদ সে মর জাউঙ্গ তভভি উস বড়া হাসপাতাল মে যাওজ্ঞে নেহি।
ঘটিনা No-2
একদিন হঠাৎ খবর পেলাম আমারই এজন জানাচেনা লোকের
ভীষণ শরীর খারাপ এক নারসিং হোমে নিয়ে গেছে।
নারসিং হোম রোগীকে দেখে সুনে বোকারো ট্রান্সফার করে দিয়েছে ।
কারন রুগীর নাকি পালস জিরো হয়ে গেছে।
বাঁচবার আশা কম।
বোকারো হসপিটাল সব চেক আপ করে
মতা মত দিলো যে রুগীর কিছু ই হয়নি ।
ওনার নিতম্বে যে ফোড়া হয়েছে সেটা অপারেশন করতে হবে।
তবে এত টানা হেচড়া কেন হোল এবং কাত্রাসের নারসিং হোমে
কেন বললো ওনার পালস জিরো হয়ে গেছে।
ব্যাপার টা একটু খোঁজ নিতেই জানা গেল।
ঐ নারসিং হোমে সে সময়ে কোন ডাক্তার ছিলো না
কেউ একজন রুগীর প্রেসার চেক করেছে।
রুগীর তখোন হাই ফিবার ছিল।
এবং ফোঁড়ার ব্যথার জন্য একটু আনকনসাস ছিলেন।
এবং যে মেশিন দিয়ে প্রেসার চেক আপ করে ছিলো
সেই মেশিনেই গোলমাল ছিল ফলে প্রেসার জিরো দেখাচ্ছিল ।
যাইহোক রুগী র যেহেতু কিছু হয়নি তাই ওই প্রসার
চেকআপ করনে আলা কে দুই একটা চড় থাপ্পড়
দিয়েই ছেড়ে দিয়েছিলো সেদিন।
আজ খবরের কাগজে পড়লাম কলকাতার এক বড়
নামকরা হসপিতালে কারুর বুকের এক্সরের রিপোর্টে
তার পায়ের এক্সরের রিপোর্ট দিয়েছে।
ভাবা যায়।
হায় রে হসপিটাল ।
কিহবে আমাদের ।
রোজ যা সব ঘটনা হচ্ছে হসপিটাল গুলোতে।
আমাদের মুখ্যমন্ত্রী রোজ টিভি তে সব হসপিটালের ডাক্তারদের
ও হসপিটাল কতৃপক্ষ দের বকাবকি করছেন,
হুঁশিয়ার করছেন কিন্তু মূখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
তাদের কারুরই কানে পৌছাছেনা।
ডাক্তার ও হসপিটাল নিজেদের মতো কাজ করে চলেছেন ।
তারা রুগীর সেবা নয় রুগীর কাছ থেকে তার সর্বস্ব
কেড়ে নিতে ই উঠে পড়ে লেগেছে।
তাই বলছি
কলকাতার ডাক্তার
ওরা ডাক্তারি নয় জানে মানুষ মারার কল।
রুগী আসলেই হসপিটাল হামলে পরে শকুনের মত।
শকুন তো খাবে মাংস ওরা নেবে পুরো।
নেবে ঘড় বাড়ি জাগা জমি করতে বংশ নিবংশ।
ওরা করে সেবা ,
নিয়ে রুগীর সর্বস্ব।
ডাক্তারি,হসপিটাল সেবার নামে করছে
ডাকাতি লুট তছরূপ।
||©➽ANRC-- 28/02/2017----||
||==================||
Comments
Post a Comment